পাসপোর্ট ও জাতীয় পরিচয়পত্রে জন্মতারিখের গরমিল, সন্দেহজনক গতিবিধি এবং বাংলাদেশে প্রবেশের সুনির্দিষ্ট কারণ জানাতে না পারায় গ্রেপ্তার ভারতীয় নাগরিক রবিউল ইসলামের আরও চার দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।
রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (সিএমএম) মো. জুয়েল রানার আদালত উভয় পক্ষের শুনানি শেষে এই আদেশ দেন। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী মো. হারুন অর রশিদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
মামলার নথি থেকে জানা যায়, প্রথম দফায় চার দিনের রিমান্ড শেষে রোববার রবিউলকে আদালতে হাজির করে পুনরায় সাত দিনের রিমান্ডের আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা, ডিবির রমনা বিভাগের পুলিশ পরিদর্শক মেজবাহ উদ্দিন। রিমান্ড আবেদনে উল্লেখ করা হয়, আগের জিজ্ঞাসাবাদে আসামির কাছ থেকে কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া গেছে, যা যাচাই-বাছাই ও অপরাধের সংশ্লিষ্টতা নিশ্চিতে আরও জিজ্ঞাসাবাদের প্রয়োজন।
শুনানিকালে বিচারক তদন্ত কর্মকর্তার কাছে কী ধরনের তথ্য পাওয়া গেছে তা জানতে চাইলে তিনি বলেন, "তদন্তের স্বার্থে এই মুহূর্তে আদালতে বিস্তারিত প্রকাশ করা যাচ্ছে না।"
রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী আদালতে বলেন, রবিউল একাধিকবার বাংলাদেশে এসেছেন এবং দেশে অবস্থানকালে নিষিদ্ধ ঘোষিত বিভিন্ন সংগঠনের ব্যক্তিদের সঙ্গে তার যোগাযোগের তথ্য পাওয়া গেছে। এছাড়া বিভিন্ন গণমাধ্যমে তাকে ভারতীয় গোয়েন্দা সংস্থা ‘আইবি’র সদস্য হিসেবে উল্লেখ করা হলেও তিনি আসার উদ্দেশ্য নিয়ে সন্তোষজনক উত্তর দিতে পারেননি। তিনি নিছক ভ্রমণ নাকি অন্য কোনো উদ্দেশ্যে এসেছেন, তা খতিয়ে দেখা প্রয়োজন।
অন্যদিকে, আসামিপক্ষের আইনজীবী রিমান্ড বাতিল চেয়ে জামিন আবেদন করলেও আদালত তা নাকচ করে চার দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
এর আগে গত ১৪ সেপ্টেম্বর উত্তরা পশ্চিম থানার ১১ নম্বর সেক্টরের একটি বাসা থেকে রবিউল ইসলামকে আটক করে পুলিশ। আসামির দাবি অনুযায়ী তিনি ভারতের পশ্চিমবঙ্গের উত্তর ২৪ পরগনা জেলার বাসিন্দা। তার পাসপোর্ট, এনআইডি ও ড্রাইভিং লাইসেন্সে জন্মতারিখের অমিল পাওয়া গেলে ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৪ ধারায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে গত ২৩ সেপ্টেম্বর তাকে প্রথম দফায় চার দিনের রিমান্ডে পাঠানো হয়েছিল।
সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে রবিউল তার বিরুদ্ধে ওঠা গোয়েন্দা সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ অস্বীকার করে দাবি করেন, বন্ধু কাওসারের সঙ্গে গার্মেন্টসের কাপড়ের ব্যবসার করতেই তিনি বাংলাদেশে এসেছিলেন। নথিপত্রের জন্মতারিখের অমিল প্রসঙ্গে তিনি জানান, কাগজগুলো অনেক আগে তৈরি করায় কিছু ভুল থাকতে পারে। বর্তমানে ডিবি পুলিশ তার বাংলাদেশে আসা-যাওয়ার মূল কারণ ও নাশকতামূলক কাজের সম্পৃক্ততা নিয়ে তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে।
.png)
শুক্রবার, ০৯ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
পাসপোর্ট ও জাতীয় পরিচয়পত্রে জন্মতারিখের গরমিল, সন্দেহজনক গতিবিধি এবং বাংলাদেশে প্রবেশের সুনির্দিষ্ট কারণ জানাতে না পারায় গ্রেপ্তার ভারতীয় নাগরিক রবিউল ইসলামের আরও চার দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।
রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (সিএমএম) মো. জুয়েল রানার আদালত উভয় পক্ষের শুনানি শেষে এই আদেশ দেন। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী মো. হারুন অর রশিদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
মামলার নথি থেকে জানা যায়, প্রথম দফায় চার দিনের রিমান্ড শেষে রোববার রবিউলকে আদালতে হাজির করে পুনরায় সাত দিনের রিমান্ডের আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা, ডিবির রমনা বিভাগের পুলিশ পরিদর্শক মেজবাহ উদ্দিন। রিমান্ড আবেদনে উল্লেখ করা হয়, আগের জিজ্ঞাসাবাদে আসামির কাছ থেকে কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া গেছে, যা যাচাই-বাছাই ও অপরাধের সংশ্লিষ্টতা নিশ্চিতে আরও জিজ্ঞাসাবাদের প্রয়োজন।
শুনানিকালে বিচারক তদন্ত কর্মকর্তার কাছে কী ধরনের তথ্য পাওয়া গেছে তা জানতে চাইলে তিনি বলেন, "তদন্তের স্বার্থে এই মুহূর্তে আদালতে বিস্তারিত প্রকাশ করা যাচ্ছে না।"
রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী আদালতে বলেন, রবিউল একাধিকবার বাংলাদেশে এসেছেন এবং দেশে অবস্থানকালে নিষিদ্ধ ঘোষিত বিভিন্ন সংগঠনের ব্যক্তিদের সঙ্গে তার যোগাযোগের তথ্য পাওয়া গেছে। এছাড়া বিভিন্ন গণমাধ্যমে তাকে ভারতীয় গোয়েন্দা সংস্থা ‘আইবি’র সদস্য হিসেবে উল্লেখ করা হলেও তিনি আসার উদ্দেশ্য নিয়ে সন্তোষজনক উত্তর দিতে পারেননি। তিনি নিছক ভ্রমণ নাকি অন্য কোনো উদ্দেশ্যে এসেছেন, তা খতিয়ে দেখা প্রয়োজন।
অন্যদিকে, আসামিপক্ষের আইনজীবী রিমান্ড বাতিল চেয়ে জামিন আবেদন করলেও আদালত তা নাকচ করে চার দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
এর আগে গত ১৪ সেপ্টেম্বর উত্তরা পশ্চিম থানার ১১ নম্বর সেক্টরের একটি বাসা থেকে রবিউল ইসলামকে আটক করে পুলিশ। আসামির দাবি অনুযায়ী তিনি ভারতের পশ্চিমবঙ্গের উত্তর ২৪ পরগনা জেলার বাসিন্দা। তার পাসপোর্ট, এনআইডি ও ড্রাইভিং লাইসেন্সে জন্মতারিখের অমিল পাওয়া গেলে ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৪ ধারায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে গত ২৩ সেপ্টেম্বর তাকে প্রথম দফায় চার দিনের রিমান্ডে পাঠানো হয়েছিল।
সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে রবিউল তার বিরুদ্ধে ওঠা গোয়েন্দা সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ অস্বীকার করে দাবি করেন, বন্ধু কাওসারের সঙ্গে গার্মেন্টসের কাপড়ের ব্যবসার করতেই তিনি বাংলাদেশে এসেছিলেন। নথিপত্রের জন্মতারিখের অমিল প্রসঙ্গে তিনি জানান, কাগজগুলো অনেক আগে তৈরি করায় কিছু ভুল থাকতে পারে। বর্তমানে ডিবি পুলিশ তার বাংলাদেশে আসা-যাওয়ার মূল কারণ ও নাশকতামূলক কাজের সম্পৃক্ততা নিয়ে তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে।
.png)
আপনার মতামত লিখুন