প্রিন্ট এর তারিখ : ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ||
প্রকাশের তারিখ : ০৩ জুন ২০২৬
টেকনাফ জেলে পরিবারের মাঝে বিজিবির ত্রাণ বিতরণা
Arifur Rahman ||
সীমান্ত রক্ষার পাশাপাশি মানবিক কর্মকাণ্ডের অংশ হিসেবে কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার হ্নীলা এলাকায় অসহায় ও হতদরিদ্র পরিবারের মাঝে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করেছে উখিয়া ব্যাটালিয়ন (৬৪ বিজিবি)।
গতকাল মঙ্গলবার বিজিবির আওতাধীন হ্নীলা পুরাতন বাজার সংলগ্ন হ্নীলা বিওপিতে এ ত্রাণ বিতরণ কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়। এলাকার সুবিধাবঞ্চিত ও নিম্নআয়ের মানুষের সহায়তায় আয়োজিত এ কর্মসূচিতে বিপুল সংখ্যক স্থানীয় বাসিন্দা উপস্থিত ছিলেন।অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে প্রায় ১৩০টি অসহায় ও হতদরিদ্র জেলে পরিবারের মাঝে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করেন উখিয়া ব্যাটালিয়ন (৬৪ বিজিবি)-এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. জহির। এ সময় হ্নীলা বিওপির অধিনায়ক মোহাম্মদ মাসুদসহ বিজিবির অন্যান্য কর্মকর্তা ও সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।ত্রাণ বিতরণকালে বিজিবির কর্মকর্তারা বলেন, দেশের সীমান্ত সুরক্ষার পাশাপাশি স্থানীয় জনসাধারণের কল্যাণে বিভিন্ন সামাজিক ও মানবিক কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে বিজিবি। বিশেষ করে প্রাকৃতিক দুর্যোগ, অর্থনৈতিক সংকট কিংবা বিভিন্ন কারণে ক্ষতিগ্রস্ত নিম্নআয়ের মানুষের পাশে দাঁড়ানোকে বাহিনীটি তাদের সামাজিক দায়বদ্ধতার অংশ হিসেবে বিবেচনা করে।বিতরণকৃত ত্রাণ সামগ্রীর মধ্যে ছিল চাল, ডাল, ভোজ্যতেল, চিড়া, মুড়িসহ বিভিন্ন নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যপণ্য। এসব সামগ্রী পেয়ে উপকৃত পরিবারগুলোর মধ্যে স্বস্তি ও আনন্দের অনুভূতি দেখা যায়। অনেকেই বিজিবির এমন মানবিক উদ্যোগের প্রশংসা করেন এবং ভবিষ্যতেও এ ধরনের কার্যক্রম অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান।স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, হ্নীলা বিওপির আশপাশে বসবাসকারী অনেক জেলে ও নিম্নআয়ের পরিবার জীবিকার সীমাবদ্ধতার কারণে বিভিন্ন সময় মানবিক সহায়তার প্রয়োজন অনুভব করে। তাদের কথা বিবেচনা করেই বিজিবির পক্ষ থেকে এই ত্রাণ বিতরণ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।ত্রাণ গ্রহণকারী পরিবারগুলোর সদস্যরা জানান, বর্তমান সময়ে নিত্যপণ্যের ঊর্ধ্বগতির কারণে অনেক পরিবারের দৈনন্দিন জীবনযাপন কঠিন হয়ে পড়েছে। এমন পরিস্থিতিতে বিজিবির দেওয়া খাদ্যসামগ্রী তাদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ সহায়তা হিসেবে কাজ করবে।উখিয়া ব্যাটালিয়ন (৬৪ বিজিবি) কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সীমান্ত এলাকায় বসবাসকারী সাধারণ মানুষের কল্যাণে ভবিষ্যতেও এ ধরনের জনসেবামূলক ও মানবিক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে। বিজিবির এই উদ্যোগ স্থানীয় জনগণের মধ্যে ইতিবাচক সাড়া ফেলেছে এবং বাহিনীর প্রতি সাধারণ মানুষের আস্থা ও সম্প্রীতির বন্ধন আরও সুদৃঢ় করেছে।
সম্পাদক ও প্রকাশক-
কপিরাইট © ২০২৬ সরেজমিন নিউজ । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত