প্রিন্ট এর তারিখ : ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ||
প্রকাশের তারিখ : ২০ আগস্ট ২০২৬
একাদশ শ্রেণির ভর্তি কার্যক্রম: আবেদন শুরু ২ সেপ্টেম্বর, ক্লাস শুরুর প্রস্তাব ২৩ সেপ্টেম্বরা
সরেজমিন রিপোর্ট ||
আসন্ন শিক্ষাবর্ষে একাদশ শ্রেণিতে শিক্ষার্থী ভর্তি এবং পাঠদান শুরুর পূর্বনির্ধারিত সময়সূচিতে বড় ধরনের পরিবর্তন আসছে। নতুন প্রস্তাবনা অনুযায়ী, আগামী ২ সেপ্টেম্বর থেকে অনলাইনে ভর্তির আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হয়ে চলবে ১০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত। এরপর দ্রুততম সময়ে যাচাই-বাছাই ও ভর্তি কার্যক্রম শেষ করে আগামী ২৩ সেপ্টেম্বর থেকে একাদশ শ্রেণির ক্লাস শুরুর সুপারিশ করা হয়েছে।ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের একটি বিশ্বস্ত সূত্র জানিয়েছে, সময়সূচি এগিয়ে এনে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে ইতোমধ্যেই লিখিত প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে। দ্রুতই এ বিষয়ে চূড়ান্ত অনুমোদন মিলবে বলে আশা করা হচ্ছে। এর আগে ১৫ সেপ্টেম্বর থেকে আবেদন গ্রহণ এবং ১২ নভেম্বর থেকে ক্লাস শুরুর প্রাথমিক রূপরেখা দেওয়া হয়েছিল।মেধার ভিত্তিতে কেন্দ্রীয় অনলাইন ভর্তি প্রক্রিয়া
পূর্বের ধারাবাহিকতায় এবারও কোনো লিখিত বা মৌখিক পরীক্ষা ছাড়াই কেবল এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলাফলের ভিত্তিতে শিক্ষার্থী ভর্তি করা হবে। বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) কারিগরি সহায়তায় কেন্দ্রীয়ভাবে এই অনলাইন কার্যক্রম পরিচালিত হবে। শিক্ষার্থীরা নির্ধারিত ফি পরিশোধের মাধ্যমে সর্বনিম্ন ৫টি ও সর্বোচ্চ ১০টি প্রতিষ্ঠানের পছন্দক্রম দিয়ে আবেদন করতে পারবেন। প্রাপ্ত ফলাফল, পছন্দক্রম ও প্রযোজ্য কোটার ভিত্তিতে শিক্ষার্থীকে একটি নির্দিষ্ট প্রতিষ্ঠানে মনোনয়ন দেওয়া হবে। নটর ডেম কলেজসহ হাতেগোনা কয়েকটি বিশেষ প্রতিষ্ঠান ও কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের প্রতিষ্ঠান ছাড়া দেশের সব কলেজ ও মাদ্রাসায় এই অভিন্ন নিয়মে ভর্তি সম্পন্ন হবে।ফল পুনর্নিরীক্ষণকারীদের আবেদনের নিয়ম
বোর্ড সূত্রে জানা গেছে, যারা ফল পুনর্নিরীক্ষণের জন্য আবেদন করেছেন, তাদেরও ২ থেকে ১০ সেপ্টেম্বরের মধ্যেই প্রাথমিক আবেদন করতে হবে। আগামী ১০ সেপ্টেম্বর পুনর্নিরীক্ষণের ফল প্রকাশের কথা রয়েছে। ফলাফলে পরিবর্তন আসা শিক্ষার্থীরা ১২ ও ১৩ সেপ্টেম্বর নতুন করে আবেদন বা সংশোধনের সুযোগ পাবেন। এরপর ২০, ২১ ও ২২ সেপ্টেম্বর নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের চূড়ান্ত ভর্তি নেওয়া হবে এবং ২৩ সেপ্টেম্বর শুরু হবে আনুষ্ঠানিক ক্লাস। পরবর্তীতে যারা নির্ধারিত প্রক্রিয়ায় ভর্তি হতে পারবেন না বা পছন্দমতো প্রতিষ্ঠান পাবেন না, তাদের জন্য ২৩ সেপ্টেম্বরের পর পুনরায় আবেদনের বিশেষ সুযোগ রাখা হবে। উল্লেখ্য, চলতি বছর ৪ লাখের বেশি শিক্ষার্থী প্রায় ১৩ লাখ পত্রের ফল পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন করেছেন।উত্তীর্ণের চেয়ে আসন সংখ্যা দ্বিগুণেরও বেশি
গত ১০ আগস্ট প্রকাশিত ফলাফলে ১১টি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ১১ লাখ ৩৮ হাজার ৮৭৭ জন শিক্ষার্থী পাস করেছেন। বিপরীতে সারা দেশে একাদশ শ্রেণিতে কলেজ ও মাদ্রাসা মিলিয়ে আসন সংখ্যা প্রায় ২৫ লাখ। ফলে সারা দেশে প্রায় অর্ধেকের বেশি আসন খালি থাকার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। তবে সামগ্রিকভাবে পর্যাপ্ত আসন থাকলেও দেশসেরা ও স্বনামধন্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে। কারণ, এবার মোট ১ লাখ ১৬ হাজারের বেশি শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ পেলেও নামকরা প্রতিষ্ঠানগুলোতে আসনসংখ্যা সীমিত।
সম্পাদক ও প্রকাশক-
কপিরাইট © ২০২৬ সরেজমিন নিউজ । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত