Dhaka , সোমবার, ১৬ মার্চ ২০২৬
শিরোনাম :
‘রক অ্যান্ড রোল হল অব ফেমের‘ মনোনয়নে ফিল কলিন্স, ওয়েসিস, পিংক ও শাকিরা ইরানে দুই স্কুলে ইসরায়েলি হামলা, নিহত অর্ধ-শতাধিক পাঁচ মামলায় জামিন পেলেও মুক্তি পাননি, নতুন মামলায় গ্রেপ্তার আইভী কেন যুদ্ধ করছে পাকিস্তান-আফগানিস্তান? ১০ মার্চ ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী খুলনায় যুবদল নেতাকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা সাংবাদিকদের ওয়েজবোর্ড অনুযায়ী বেতন দিতে হবে: তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী ভারতীয় ভিসা চালু বিষয়ে সুসংবাদ দিলেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ট্যাক্স বাড়ানোর মাধ্যমে বিনিয়োগ বাড়াতে হবে: আমির খসরু দেশজুড়ে ২০ হাজার কিমি খাল খননের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার

বিক্ষোভের মধ্যেই শহীদ মিনারে রাষ্ট্রপতির শ্রদ্ধা নিবেদন

  • Reporter Name
  • প্রকাশ : ০৭:০৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ ফেব্রুয়ারী ২০২৫
  • 1

রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন

নিজস্ব প্রতিনিধি, ঢাকা ফ্ল্যাশ

বিক্ষোভের মধ্যেই রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ঐতিহাসিক ভাষা আন্দোলনের বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন। শুক্রবার রাত ১২টা ১ মিনিটে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন তিনি। তবে রাষ্ট্রপতির আগমনকে ঘিরে কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয় এবং তার উপস্থিতিতে বিক্ষোভ শুরু হয়।

ঘড়ির কাঁটা রাত ১২টা বাজার ১ মিনিট আগে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে পৌঁছেন। তাকে অভ্যর্থনা জানান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. নিয়াজ আহমেদ। তবে রাষ্ট্রপতির গাড়িবহর শহীদ মিনার এলাকায় পৌঁছানোর পরপরই উপস্থিত শিক্ষার্থী ও জনতা বিক্ষোভ শুরু করেন। তারা ‘গো ব্যাক চুপ্পু’ শ্লোগান দিতে থাকেন।

বিক্ষোভকারীদের অভিযোগ, রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন জুলাই গণহত্যাকারী সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দোসর। তারা দাবি করেন, রাষ্ট্রপতি শেখ হাসিনার সকল অবৈধ ও বেআইনি কাজকে অনুমোদন দিয়েছেন এবং জুলাই গণহত্যার সুযোগ তৈরি করেছেন। এমনকি জুলাই বিপ্লবের সময় হাজারো ছাত্র-জনতার হত্যাকাণ্ডের কুশীলব হিসেবেও তাকে দায়ী করা হয়।

বিপ্লবী ছাত্র পরিষদের আহ্বায়ক আবদুল ওয়াহেদ বলেন, “চুপ্পুর সামনে পদত্যাগ করে বিচারের মুখোমুখি হওয়া ছাড়া আর কোনো উপায় নেই। এই চুপ্পু ২০২৪ সালের জানুয়ারির প্রহসনের নির্বাচনকে বৈধতা দিয়ে, ফ্যাসিস্ট হাসিনার সরকারকে শপথ পড়িয়ে, তার সব অবৈধ ও বেআইনি কাজকে অনুমোদন দিয়েছিল। এমনকি শেখ হাসিনার পক্ষ নিয়ে জুলাই বিপ্লবেও দেশে গণহত্যার সুযোগ তৈরি করে দিয়েছেন। এই চুপ্পুর শহীদ মিনারে এসে শ্রদ্ধা জানানো ভণ্ডামি ছাড়া আর কিছুই না।”

এর আগে বিপ্লবী ছাত্র পরিষদ জুলাই গণহত্যার শহীদদের স্মরণে কালো পতাকা মিছিল বের করে এবং একুশের প্রথম প্রহরে রাষ্ট্রপতির শহীদ মিনারে আগমন প্রতিহত করার ঘোষণা দেয়। বৃহস্পতিবার (২০ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্যে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ ঘোষণা দেন সংগঠনের আহ্বায়ক আবদুল ওয়াহেদ।

তবে বিক্ষোভ পরিস্থিতির মধ্যেই রাষ্ট্রপতি ভাষা শহীদদের উদ্দেশে শ্রদ্ধার্ঘ্য অর্পণ করে শহীদ মিনার এলাকা থেকে বিদায় নেন। রাষ্ট্রপতির শ্রদ্ধা নিবেদনের পর প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদ, উপদেষ্টা পরিষদের সদস্যরা, বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূতরা এবং তিন বাহিনীর প্রধানগণ পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

আলোচিত

‘রক অ্যান্ড রোল হল অব ফেমের‘ মনোনয়নে ফিল কলিন্স, ওয়েসিস, পিংক ও শাকিরা

বিক্ষোভের মধ্যেই শহীদ মিনারে রাষ্ট্রপতির শ্রদ্ধা নিবেদন

প্রকাশ : ০৭:০৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

নিজস্ব প্রতিনিধি, ঢাকা ফ্ল্যাশ

বিক্ষোভের মধ্যেই রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ঐতিহাসিক ভাষা আন্দোলনের বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন। শুক্রবার রাত ১২টা ১ মিনিটে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন তিনি। তবে রাষ্ট্রপতির আগমনকে ঘিরে কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয় এবং তার উপস্থিতিতে বিক্ষোভ শুরু হয়।

ঘড়ির কাঁটা রাত ১২টা বাজার ১ মিনিট আগে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে পৌঁছেন। তাকে অভ্যর্থনা জানান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. নিয়াজ আহমেদ। তবে রাষ্ট্রপতির গাড়িবহর শহীদ মিনার এলাকায় পৌঁছানোর পরপরই উপস্থিত শিক্ষার্থী ও জনতা বিক্ষোভ শুরু করেন। তারা ‘গো ব্যাক চুপ্পু’ শ্লোগান দিতে থাকেন।

বিক্ষোভকারীদের অভিযোগ, রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন জুলাই গণহত্যাকারী সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দোসর। তারা দাবি করেন, রাষ্ট্রপতি শেখ হাসিনার সকল অবৈধ ও বেআইনি কাজকে অনুমোদন দিয়েছেন এবং জুলাই গণহত্যার সুযোগ তৈরি করেছেন। এমনকি জুলাই বিপ্লবের সময় হাজারো ছাত্র-জনতার হত্যাকাণ্ডের কুশীলব হিসেবেও তাকে দায়ী করা হয়।

বিপ্লবী ছাত্র পরিষদের আহ্বায়ক আবদুল ওয়াহেদ বলেন, “চুপ্পুর সামনে পদত্যাগ করে বিচারের মুখোমুখি হওয়া ছাড়া আর কোনো উপায় নেই। এই চুপ্পু ২০২৪ সালের জানুয়ারির প্রহসনের নির্বাচনকে বৈধতা দিয়ে, ফ্যাসিস্ট হাসিনার সরকারকে শপথ পড়িয়ে, তার সব অবৈধ ও বেআইনি কাজকে অনুমোদন দিয়েছিল। এমনকি শেখ হাসিনার পক্ষ নিয়ে জুলাই বিপ্লবেও দেশে গণহত্যার সুযোগ তৈরি করে দিয়েছেন। এই চুপ্পুর শহীদ মিনারে এসে শ্রদ্ধা জানানো ভণ্ডামি ছাড়া আর কিছুই না।”

এর আগে বিপ্লবী ছাত্র পরিষদ জুলাই গণহত্যার শহীদদের স্মরণে কালো পতাকা মিছিল বের করে এবং একুশের প্রথম প্রহরে রাষ্ট্রপতির শহীদ মিনারে আগমন প্রতিহত করার ঘোষণা দেয়। বৃহস্পতিবার (২০ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্যে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ ঘোষণা দেন সংগঠনের আহ্বায়ক আবদুল ওয়াহেদ।

তবে বিক্ষোভ পরিস্থিতির মধ্যেই রাষ্ট্রপতি ভাষা শহীদদের উদ্দেশে শ্রদ্ধার্ঘ্য অর্পণ করে শহীদ মিনার এলাকা থেকে বিদায় নেন। রাষ্ট্রপতির শ্রদ্ধা নিবেদনের পর প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদ, উপদেষ্টা পরিষদের সদস্যরা, বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূতরা এবং তিন বাহিনীর প্রধানগণ পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন।