Dhaka , সোমবার, ১৬ মার্চ ২০২৬
শিরোনাম :
‘রক অ্যান্ড রোল হল অব ফেমের‘ মনোনয়নে ফিল কলিন্স, ওয়েসিস, পিংক ও শাকিরা ইরানে দুই স্কুলে ইসরায়েলি হামলা, নিহত অর্ধ-শতাধিক পাঁচ মামলায় জামিন পেলেও মুক্তি পাননি, নতুন মামলায় গ্রেপ্তার আইভী কেন যুদ্ধ করছে পাকিস্তান-আফগানিস্তান? ১০ মার্চ ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী খুলনায় যুবদল নেতাকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা সাংবাদিকদের ওয়েজবোর্ড অনুযায়ী বেতন দিতে হবে: তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী ভারতীয় ভিসা চালু বিষয়ে সুসংবাদ দিলেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ট্যাক্স বাড়ানোর মাধ্যমে বিনিয়োগ বাড়াতে হবে: আমির খসরু দেশজুড়ে ২০ হাজার কিমি খাল খননের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার

রোহিঙ্গাদের মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসন কঠিন : জাতিসংঘের মহাসচিব

  • Reporter Name
  • প্রকাশ : ০৩:৫৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৫ মার্চ ২০২৫
  • 0

রোহিঙ্গাদের মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসন কঠিন : জাতিসংঘের মহাসচিব

নিজস্ব প্রতিনিধি, ঢাকা ফ্লাশ

রোহিঙ্গাদের মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসন কঠিন বলে মন্তব্য করেছেন জাতিসংঘের  মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস। তিনি বলেছেন, মিয়ানমারের বর্তমান অস্থির পরিস্থিতিতে রোহিঙ্গা শরণার্থীদের দ্রুত ও মর্যাদাপূর্ণভাবে প্রত্যাবাসন করা অত্যন্ত চ্যালেঞ্জিং। এ কারণে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় এবং মিয়ানমারের প্রতিবেশী দেশগুলোর সমন্বিত প্রচেষ্টা ও চাপ প্রয়োগের মাধ্যমে সংলাপের ব্যবস্থা করা জরুরি, যাতে রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবর্তন সহজ করা যায়।

শনিবার (১৫ মার্চ) জাতিসংঘের মহাসচিব ও বাংলাদেশের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেনের যৌথ প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন আন্তোনিও গুতেরেস।

তিনি বলেন, বর্তমানে মিয়ানমার ও আরাকানে তীব্র সংঘাত চলছে। এই পরিস্থিতিতে রোহিঙ্গা শরণার্থীদের তাৎক্ষণিকভাবে মর্যাদাপূর্ণভাবে প্রত্যাবাসন অত্যন্ত কঠিন। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের উচিত মিয়ানমারের সব প্রতিবেশী দেশকে একত্রিত করে সহিংসতা বন্ধ ও স্থায়ী সমাধানের জন্য চাপ প্রয়োগ করা। একই সঙ্গে সংলাপের মাধ্যমে মিয়ানমারে একটি গণতান্ত্রিক সমাধানের পথ তৈরি করা জরুরি, যা রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবর্তনকে সহজ করবে। এছাড়া মিয়ানমারের অভ্যন্তরে মানবিক সহায়তা জোরদার করতে হবে, যাতে প্রত্যাবাসনের জন্য অনুকূল পরিস্থিতি তৈরি হয়। বাংলাদেশ থেকেও মানবিক সহায়তা চ্যানেল খোলার সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা হয়েছে।

জাতিসংঘ মহাসচিব আরও জানান, আরাকানে মানবিক সহায়তা দেওয়ার জন্য বাংলাদেশকে করিডোর দেওয়ার প্রস্তাব করা হয়েছে।

এ বিষয়ে পররাষ্ট্র উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন বলেন, আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সঙ্গে এই বিষয়ে কাজ চলছে। মহাসচিবের সঙ্গেও এ নিয়ে আলোচনা হয়েছে। এটি একটি কার্যকরী পদক্ষেপ, যা সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের মাধ্যমে বাস্তবায়ন করা হবে।

তিনি আরও বলেন, রোহিঙ্গাদের মর্যাদা, অধিকার ও নিরাপত্তার সঙ্গে প্রত্যাবর্তন নিশ্চিত করতে আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। মহাসচিবও একই কথা বলেছেন। আমরা বিশ্বাস করি, জাতিসংঘ এ বিষয়ে বাংলাদেশকে সমর্থন দিতে আগ্রহী।

পররাষ্ট্র উপদেষ্টা আরও যোগ করেন, মিয়ানমার কর্তৃপক্ষের ওপর চাপ প্রয়োগের মাধ্যমে তাদেরকে সঠিক অবস্থানে ফিরিয়ে আনার জন্য বাংলাদেশ তার প্রচেষ্টা অব্যাহত রেখেছে।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

আলোচিত

‘রক অ্যান্ড রোল হল অব ফেমের‘ মনোনয়নে ফিল কলিন্স, ওয়েসিস, পিংক ও শাকিরা

রোহিঙ্গাদের মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসন কঠিন : জাতিসংঘের মহাসচিব

প্রকাশ : ০৩:৫৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৫ মার্চ ২০২৫

নিজস্ব প্রতিনিধি, ঢাকা ফ্লাশ

রোহিঙ্গাদের মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসন কঠিন বলে মন্তব্য করেছেন জাতিসংঘের  মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস। তিনি বলেছেন, মিয়ানমারের বর্তমান অস্থির পরিস্থিতিতে রোহিঙ্গা শরণার্থীদের দ্রুত ও মর্যাদাপূর্ণভাবে প্রত্যাবাসন করা অত্যন্ত চ্যালেঞ্জিং। এ কারণে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় এবং মিয়ানমারের প্রতিবেশী দেশগুলোর সমন্বিত প্রচেষ্টা ও চাপ প্রয়োগের মাধ্যমে সংলাপের ব্যবস্থা করা জরুরি, যাতে রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবর্তন সহজ করা যায়।

শনিবার (১৫ মার্চ) জাতিসংঘের মহাসচিব ও বাংলাদেশের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেনের যৌথ প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন আন্তোনিও গুতেরেস।

তিনি বলেন, বর্তমানে মিয়ানমার ও আরাকানে তীব্র সংঘাত চলছে। এই পরিস্থিতিতে রোহিঙ্গা শরণার্থীদের তাৎক্ষণিকভাবে মর্যাদাপূর্ণভাবে প্রত্যাবাসন অত্যন্ত কঠিন। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের উচিত মিয়ানমারের সব প্রতিবেশী দেশকে একত্রিত করে সহিংসতা বন্ধ ও স্থায়ী সমাধানের জন্য চাপ প্রয়োগ করা। একই সঙ্গে সংলাপের মাধ্যমে মিয়ানমারে একটি গণতান্ত্রিক সমাধানের পথ তৈরি করা জরুরি, যা রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবর্তনকে সহজ করবে। এছাড়া মিয়ানমারের অভ্যন্তরে মানবিক সহায়তা জোরদার করতে হবে, যাতে প্রত্যাবাসনের জন্য অনুকূল পরিস্থিতি তৈরি হয়। বাংলাদেশ থেকেও মানবিক সহায়তা চ্যানেল খোলার সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা হয়েছে।

জাতিসংঘ মহাসচিব আরও জানান, আরাকানে মানবিক সহায়তা দেওয়ার জন্য বাংলাদেশকে করিডোর দেওয়ার প্রস্তাব করা হয়েছে।

এ বিষয়ে পররাষ্ট্র উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন বলেন, আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সঙ্গে এই বিষয়ে কাজ চলছে। মহাসচিবের সঙ্গেও এ নিয়ে আলোচনা হয়েছে। এটি একটি কার্যকরী পদক্ষেপ, যা সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের মাধ্যমে বাস্তবায়ন করা হবে।

তিনি আরও বলেন, রোহিঙ্গাদের মর্যাদা, অধিকার ও নিরাপত্তার সঙ্গে প্রত্যাবর্তন নিশ্চিত করতে আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। মহাসচিবও একই কথা বলেছেন। আমরা বিশ্বাস করি, জাতিসংঘ এ বিষয়ে বাংলাদেশকে সমর্থন দিতে আগ্রহী।

পররাষ্ট্র উপদেষ্টা আরও যোগ করেন, মিয়ানমার কর্তৃপক্ষের ওপর চাপ প্রয়োগের মাধ্যমে তাদেরকে সঠিক অবস্থানে ফিরিয়ে আনার জন্য বাংলাদেশ তার প্রচেষ্টা অব্যাহত রেখেছে।