Dhaka , সোমবার, ১৬ মার্চ ২০২৬
শিরোনাম :
‘রক অ্যান্ড রোল হল অব ফেমের‘ মনোনয়নে ফিল কলিন্স, ওয়েসিস, পিংক ও শাকিরা ইরানে দুই স্কুলে ইসরায়েলি হামলা, নিহত অর্ধ-শতাধিক পাঁচ মামলায় জামিন পেলেও মুক্তি পাননি, নতুন মামলায় গ্রেপ্তার আইভী কেন যুদ্ধ করছে পাকিস্তান-আফগানিস্তান? ১০ মার্চ ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী খুলনায় যুবদল নেতাকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা সাংবাদিকদের ওয়েজবোর্ড অনুযায়ী বেতন দিতে হবে: তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী ভারতীয় ভিসা চালু বিষয়ে সুসংবাদ দিলেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ট্যাক্স বাড়ানোর মাধ্যমে বিনিয়োগ বাড়াতে হবে: আমির খসরু দেশজুড়ে ২০ হাজার কিমি খাল খননের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার

ভারতের হামলায় পাকিস্তানে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ২৬

  • Reporter Name
  • প্রকাশ : ০৯:০৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৭ মে ২০২৫
  • 1

ছবি: সংগৃহীত

ডেস্ক রিপোর্ট, ঢাকা ফ্ল্যাশ

জম্মু ও কাশ্মীরে সন্ত্রাসী হামলার জেরে তৈরি উত্তপ্ত পরিস্থিতির মধ্যে বুধবার (৭ মে) ভোররাতে পাকিস্তানের বেশ কয়েকটি শহরে একযোগে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ভারত। এ হামলায় পাকিস্তানে এখন পর্যন্ত ২৬ জনের প্রাণহানি হয়েছে। এমন তথ্য জানিয়েছেন দেশটির সামরিক বাহিনীর মুখপাত্র লেফটেন্যান্ট জেনারেল আহমেদ শরীফ চৌধুরী।

আজ বুধবার (৭ মে) এএফপিকে তিনি বলেন, ভারতের হামলায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ২৬ জনে দাঁড়িয়েছে। এছাড়াও হামলায় আরও অন্তত ৪৬ জন আহত হয়েছেন।

পাকিস্তানি এই সেনা কর্মকর্তা জানান, ভারতীয় ক্ষেপণাস্ত্র হামলা ও সীমান্তে গুলিবর্ষণের ঘটনায় এই হতাহতের ঘটনা ঘটেছে। ভারতের হামলায় এখন পর্যন্ত ২৬ জন নিরীহ বেসামরিক নাগরিক প্রাণ হারিয়েছেন বলে তিনি তথ্য পেয়েছেন। এর আগে তিনি আটজনের মৃত্যুর তথ্য জানিয়েছিলেন।

বিবিসির প্রতিবেদন অনুযায়ী, ভারত পাকিস্তানের ছয়টি এলাকায় ২৪টি বেসামরিক স্থাপনায় ক্ষেপণাস্ত্র ও অন্যান্য অস্ত্রে হামলা চালিয়েছে। এসব হামলা পাঞ্জাব প্রদেশের ভাওয়ালপুরের আহমেদপুর শারকিয়া, মুরিদকে, শিয়ালকোট, শকরগড় এবং পাকিস্তানশাসিত কাশ্মীরের কোটলি ও মুজাফফরাবাদে হয়।

জেনারেল শরীফ জানান, বাহাওয়ালপুরের আহমেদপুর পূর্বাঞ্চলে ১৩ জন নিহত হয়েছেন, যাদের মধ্যে রয়েছে দুই-তিন বছর বয়সী একটি শিশু মেয়ে, সাতজন নারী ও চারজন পুরুষ। আহতদের মধ্যে রয়েছেন ৯ নারী ও ২৮ পুরুষ।

মুজাফফরাবাদের কাছে বিলাল মসজিদে চালানো হামলায় তিনজন নিহত হন, আহত হন এক মেয়ে ও এক ছেলে। কোটলির আব্বাস মসজিদে হামলায় নিহত হন ১৬ বছর বয়সী এক মেয়ে ও ১৮ বছর বয়সী এক ছেলে, আহত হন এক মা ও তার মেয়ে।

ভারতের হামলার পর পাঞ্জাব প্রদেশে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেছে পাকিস্তান। বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং হাসপাতাল ও অন্যান্য জরুরি সেবা প্রতিষ্ঠানগুলোকে সতর্ক অবস্থায় রাখা হয়েছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন পাঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী মরিয়ম নওয়াজ শরিফ।

এদিকে পাকিস্তান দাবি করেছে, তাদের পাল্টা হামলায় ভারতের পাঁচটি যুদ্ধবিমান ও একটি যুদ্ধ ড্রোন ভূপাতিত হয়েছে। আইএসপিআরের ডিজি বলেন, শত্রুর আগ্রাসনের জবাবে প্রতিরক্ষামূলকভাবে আমরা তিনটি রাফায়েল জেট, একটি মিগ-২৯, একটি এসইউ বিমান এবং একটি হেরন যুদ্ধ ড্রোন গুলি করে ভূপাতিত করেছি।

তিনি জানান, জম্মু, আখনুর ও শ্রীনগরের সাধারণ এলাকাগুলোতে একটি করে বিমান এবং অবন্তীপুরে দুটি বিমান গুলি করে নামানো হয়েছে।

ভারতীয় একাধিক সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, সীমান্তে পাকিস্তান সেনাবাহিনীর গোলাবর্ষণে অন্তত ১০ ভারতীয় নাগরিক নিহত হয়েছেন। পরমাণু শক্তিধর দু-দেশের মধ্যে ক্রমবর্ধমান এই উত্তেজনায় আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের মধ্যে উদ্বেগ বাড়ছে।

জ/ক

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

আলোচিত

‘রক অ্যান্ড রোল হল অব ফেমের‘ মনোনয়নে ফিল কলিন্স, ওয়েসিস, পিংক ও শাকিরা

ভারতের হামলায় পাকিস্তানে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ২৬

প্রকাশ : ০৯:০৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৭ মে ২০২৫

ডেস্ক রিপোর্ট, ঢাকা ফ্ল্যাশ

জম্মু ও কাশ্মীরে সন্ত্রাসী হামলার জেরে তৈরি উত্তপ্ত পরিস্থিতির মধ্যে বুধবার (৭ মে) ভোররাতে পাকিস্তানের বেশ কয়েকটি শহরে একযোগে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ভারত। এ হামলায় পাকিস্তানে এখন পর্যন্ত ২৬ জনের প্রাণহানি হয়েছে। এমন তথ্য জানিয়েছেন দেশটির সামরিক বাহিনীর মুখপাত্র লেফটেন্যান্ট জেনারেল আহমেদ শরীফ চৌধুরী।

আজ বুধবার (৭ মে) এএফপিকে তিনি বলেন, ভারতের হামলায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ২৬ জনে দাঁড়িয়েছে। এছাড়াও হামলায় আরও অন্তত ৪৬ জন আহত হয়েছেন।

পাকিস্তানি এই সেনা কর্মকর্তা জানান, ভারতীয় ক্ষেপণাস্ত্র হামলা ও সীমান্তে গুলিবর্ষণের ঘটনায় এই হতাহতের ঘটনা ঘটেছে। ভারতের হামলায় এখন পর্যন্ত ২৬ জন নিরীহ বেসামরিক নাগরিক প্রাণ হারিয়েছেন বলে তিনি তথ্য পেয়েছেন। এর আগে তিনি আটজনের মৃত্যুর তথ্য জানিয়েছিলেন।

বিবিসির প্রতিবেদন অনুযায়ী, ভারত পাকিস্তানের ছয়টি এলাকায় ২৪টি বেসামরিক স্থাপনায় ক্ষেপণাস্ত্র ও অন্যান্য অস্ত্রে হামলা চালিয়েছে। এসব হামলা পাঞ্জাব প্রদেশের ভাওয়ালপুরের আহমেদপুর শারকিয়া, মুরিদকে, শিয়ালকোট, শকরগড় এবং পাকিস্তানশাসিত কাশ্মীরের কোটলি ও মুজাফফরাবাদে হয়।

জেনারেল শরীফ জানান, বাহাওয়ালপুরের আহমেদপুর পূর্বাঞ্চলে ১৩ জন নিহত হয়েছেন, যাদের মধ্যে রয়েছে দুই-তিন বছর বয়সী একটি শিশু মেয়ে, সাতজন নারী ও চারজন পুরুষ। আহতদের মধ্যে রয়েছেন ৯ নারী ও ২৮ পুরুষ।

মুজাফফরাবাদের কাছে বিলাল মসজিদে চালানো হামলায় তিনজন নিহত হন, আহত হন এক মেয়ে ও এক ছেলে। কোটলির আব্বাস মসজিদে হামলায় নিহত হন ১৬ বছর বয়সী এক মেয়ে ও ১৮ বছর বয়সী এক ছেলে, আহত হন এক মা ও তার মেয়ে।

ভারতের হামলার পর পাঞ্জাব প্রদেশে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেছে পাকিস্তান। বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং হাসপাতাল ও অন্যান্য জরুরি সেবা প্রতিষ্ঠানগুলোকে সতর্ক অবস্থায় রাখা হয়েছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন পাঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী মরিয়ম নওয়াজ শরিফ।

এদিকে পাকিস্তান দাবি করেছে, তাদের পাল্টা হামলায় ভারতের পাঁচটি যুদ্ধবিমান ও একটি যুদ্ধ ড্রোন ভূপাতিত হয়েছে। আইএসপিআরের ডিজি বলেন, শত্রুর আগ্রাসনের জবাবে প্রতিরক্ষামূলকভাবে আমরা তিনটি রাফায়েল জেট, একটি মিগ-২৯, একটি এসইউ বিমান এবং একটি হেরন যুদ্ধ ড্রোন গুলি করে ভূপাতিত করেছি।

তিনি জানান, জম্মু, আখনুর ও শ্রীনগরের সাধারণ এলাকাগুলোতে একটি করে বিমান এবং অবন্তীপুরে দুটি বিমান গুলি করে নামানো হয়েছে।

ভারতীয় একাধিক সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, সীমান্তে পাকিস্তান সেনাবাহিনীর গোলাবর্ষণে অন্তত ১০ ভারতীয় নাগরিক নিহত হয়েছেন। পরমাণু শক্তিধর দু-দেশের মধ্যে ক্রমবর্ধমান এই উত্তেজনায় আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের মধ্যে উদ্বেগ বাড়ছে।

জ/ক