Dhaka , Monday, 16 March 2026
চাঁদপুরে ভোটের উত্তাপ

শেষ-মুহুর্তে ৫ আসনে ৩৬ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে

চাঁদপুর জেলা দেশের রাজনৈতিক মানচিত্রের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হিসেবে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে সামনে রেখে নতুন রাজনৈতিক উত্তাপে উদ্দীপ্ত। জেলার ৫ টি আসনে ৩৬ জন প্রার্থী সক্রিয় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে।
সকাল থেকে রাত পর্যন্ত, হাট-বাজার, মোড়, জনসভা এবং চায়ের দোকান—প্রার্থী ও সমর্থকরা ভোটারদের সঙ্গে সরাসরি সংযোগ স্থাপন করছেন। নির্বাচনী প্রচারণা শুধু রাজনৈতিক নয়, এটি সামাজিক, অর্থনৈতিক এবং সাংস্কৃতিক আলোচনারও এক গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র। প্রতিটি নির্বাচনী সভা বা পথসভায় স্থানীয় সমস্যা, উন্নয়ন প্রকল্প এবং সামাজিক বিষয়াদি নিয়ে গভীর আলোচনা হচ্ছে। এভাবে প্রচারণার মাধ্যমে চাঁদপুরের মানুষ নির্বাচনের গুরুত্ব ও অংশগ্রহণ সম্পর্কে আরও সচেতন হচ্ছে।
এই নির্বাচনের বিশেষত্ব হলো হ্যাঁ–না ভোট এবং প্রতিটি ভোটারকে প্রদত্ত দুইটি ভোটের অধিকার—একটি জাতীয় সংসদ নির্বাচনের জন্য এবং অন্যটি গণভোটের জন্য। এই প্রক্রিয়া প্রার্থী, রাজনৈতিক দল এবং ভোটারদের দায়িত্ব ও সচেতনতা নতুন মাত্রায় উন্নীত করেছে। ভোটাররা ভোট কেন্দ্রে গিয়ে কেবল নির্বাচনের অংশ নেবেন না, বরং সমাজ ও এলাকার উন্নয়নের ভবিষ্যৎ সিদ্ধান্তেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবেন।
মোট ভোটার সংখ্যা ২৩,৩১,২৩৫। এর মধ্যে নারী ভোটার ১১,২৯,৮৭৪, পুরুষ ভোটার ১২,০১,৬৪৪ এবং তৃতীয় লিঙ্গ ভোটার ১১।
জেলার বিভিন্ন হাট-বাজার, মোড় এবং জনসভায় প্রার্থীদের প্রচারণা নতুন রাজনৈতিক উদ্দীপনা তৈরি করেছে। এখানে ভোট প্রক্রিয়া, স্থানীয় সমস্যা, উন্নয়ন প্রকল্প এবং জনগণের অংশগ্রহণ বিষয়ে আলোচনা হচ্ছে। প্রচারণা প্রার্থীদের মনোভাব, দলীয় নীতি ও জনসচেতনতা তুলে ধরেছে।
নির্বাচনে মোট প্রার্থী সংখ্যা ৩৬। মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছেন ৭০ জন, জমা দিয়েছেন ৪৬ জন, বৈধ প্রার্থী ৩০ জন, বাতিল প্রার্থীতা ১৬ জন, ফেরত প্রার্থীতা (আপিল) ১২ জন এবং প্রত্যাহার প্রার্থীতা ৬ জন।
চাঁদপুরের নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন বিএনপি, জামায়াত ইসলাম, এনসিপি, ইসলামী আন্দোলন, জাতীয় পার্টি, খেলাফত মজলিস, গণফোরাম, ইসলামী ফ্রন্ট, গণঅধিকার পরিষদ, এলডিপি, আমার বাংলাদেশ পার্টি, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল, সুপ্রিম পার্টি, লেবার পার্টি, নাগরিক ঐক্য, জাকের পার্টি, কমিউনিস্ট পার্টি ও ইনসানিয়াত বিপ্লব।
চাঁদপুর-১ (কচুয়া) আসনে ৬ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। প্রার্থীরা হলেন: বিএনপি ধানের শীষ: আ ন ম এহছানুল হক মিলন, জামায়াত দাঁড়িপাল্লা: আবু নছর মোহাম্মদ মকবুল আহমেদ, জাতীয় পার্টি লাঙ্গল: হাবিব খান, গণঅধিকার পরিষদ ট্রাক: মো. এনায়েত হোসেন, ইসলামী ফ্রন্ট মোমবাতি: মোহাম্মদ নাছির উদ্দিন, গণফোরাম উদীয়মান সূর্য: মোহাম্মদ আজাদ হোসেন।
চাঁদপুর-২ (মতলব) আসনে ৮ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। প্রার্থীরা হলেন: বিএনপি ধানের শীষ: ড. মো. জালাল উদ্দিন, এলডিপি ছাতা: মো. বিল্লাল হোসেন, ইসলামী আন্দোলন হাতপাখা: মানসুর, জাতীয় পার্টি লাঙ্গল: মো. এমরান হোসেন মিয়া, রিপাবলিকান পার্টি হাতী: মো. ফয়জুন্নুর, গণঅধিকার পরিষদ ট্রাক: মো. গোলাপ হোসেন, লেবার পার্টি আনারস: নাসিমা নাজনিন সরকার, নাগরিক ঐক্য কেটলি: মো. এনামুল হক।
চাঁদপুর-৩ (সদর-হাইমচর) আসনে ৭ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। প্রার্থীরা হলেন: বিএনপি ধানের শীষ: শেখ ফরিদ আহমেদ, জামায়াত দাঁড়িপাল্লা: মো. শাহজাহান মিয়া, ইসলামী আন্দোলন হাতপাখা: মো. জয়নাল আবেদিন শেখ, গণফোরাম উদীয়মান সূর্য: সেলিম আকবর, গণঅধিকার পরিষদ ট্রাক: মো. জাকির হোসেন, ইসলামী ফ্রন্ট মোমবাতি: এ. এইচ. এম আহসান উল্লাহ, কমিউনিস্ট পার্টি কাস্তে: মো. জাহাঙ্গীর হোসেন।
চাঁদপুর-৪ (ফরিদগঞ্জ) আসনে ৮ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। প্রার্থীরা হলেন: বিএনপি ধানের শীষ: মো. হারুনুর রশিদ, জামায়াত দাঁড়িপাল্লা: মো. বিল্লাল হোসেন মিয়াজী, জাতীয় পার্টি লাঙ্গল: মাহমুদ আলম, ইসলামী আন্দোলন হাতপাখা: মকবুল হোসাইন, স্বতন্ত্র চিংড়ি: এম এ হান্নান, গণফোরাম উদীয়মান সূর্য: মো. মুনির চৌধুরী, ইসলামী ফ্রন্ট মোমবাতি: আব্দুল মালেক বুলবুল, স্বতন্ত্র ঘুড়ি: জাকির হোসেন।
চাঁদপুর-৫ (হাজীগঞ্জ-শাহরাস্তি) আসনে ৭ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। প্রার্থীরা হলেন: বিএনপি ধানের শীষ: মো. মমিনুল হক, এলডিপি ছাতা: মো. নেয়ামুল বশির, ইসলামী আন্দোলন হাতপাখা: মোহাম্মদ আলী পাটোয়ারি, জাতীয় পার্টি লাঙ্গল: মির্জা গিয়াস উদ্দিন, ইসলামী ফ্রন্ট চেয়ার: সৈয়দ বাহাদুর শাহ্ মুজাদ্দেদী, ইনসানিয়াত বিপ্লব আপেল: মো. মাহমুদ হাসান নয়ন, জাকির হোসেন ফুটবল (ফেরত প্রার্থীতা)।
প্রিজাইডিং অফিসার, সহকারী প্রিজাইডিং অফিসার, পোলিং অফিসার, গানম্যান, অস্ত্রধারী পুলিশ, নিরস্ত্র পুলিশ, আনসার এবং গ্রাম পুলিশ প্রত্যেক কেন্দ্রে দায়িত্ব পালন করবেন। প্রতিটি কেন্দ্রের দায়িত্বপ্রাপ্ত সংখ্যা ১৮ জন।
চাঁদপুরের প্রতিটি ভোট কেন্দ্র কেবল নির্বাচনী কেন্দ্র নয়, এটি রাজনৈতিক সচেতনতা, নাগরিক দায়িত্ববোধ এবং সামাজিক সংহতির এক মঞ্চে পরিণত হয়েছে। প্রার্থী ও ভোটার উভয়ের জন্য এটি নতুন রাজনৈতিক অধ্যায়ের সূচনা, যা আগামী নির্বাচনে জনমত ও স্থানীয় উন্নয়নের দিক নির্দেশ করবে।

ট্যাগ :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

আলোচিত

চাঁদপুরে ভোটের উত্তাপ

শেষ-মুহুর্তে ৫ আসনে ৩৬ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে

প্রকাশ : 04:00 pm, Monday, 9 February 2026

চাঁদপুর জেলা দেশের রাজনৈতিক মানচিত্রের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হিসেবে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে সামনে রেখে নতুন রাজনৈতিক উত্তাপে উদ্দীপ্ত। জেলার ৫ টি আসনে ৩৬ জন প্রার্থী সক্রিয় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে।
সকাল থেকে রাত পর্যন্ত, হাট-বাজার, মোড়, জনসভা এবং চায়ের দোকান—প্রার্থী ও সমর্থকরা ভোটারদের সঙ্গে সরাসরি সংযোগ স্থাপন করছেন। নির্বাচনী প্রচারণা শুধু রাজনৈতিক নয়, এটি সামাজিক, অর্থনৈতিক এবং সাংস্কৃতিক আলোচনারও এক গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র। প্রতিটি নির্বাচনী সভা বা পথসভায় স্থানীয় সমস্যা, উন্নয়ন প্রকল্প এবং সামাজিক বিষয়াদি নিয়ে গভীর আলোচনা হচ্ছে। এভাবে প্রচারণার মাধ্যমে চাঁদপুরের মানুষ নির্বাচনের গুরুত্ব ও অংশগ্রহণ সম্পর্কে আরও সচেতন হচ্ছে।
এই নির্বাচনের বিশেষত্ব হলো হ্যাঁ–না ভোট এবং প্রতিটি ভোটারকে প্রদত্ত দুইটি ভোটের অধিকার—একটি জাতীয় সংসদ নির্বাচনের জন্য এবং অন্যটি গণভোটের জন্য। এই প্রক্রিয়া প্রার্থী, রাজনৈতিক দল এবং ভোটারদের দায়িত্ব ও সচেতনতা নতুন মাত্রায় উন্নীত করেছে। ভোটাররা ভোট কেন্দ্রে গিয়ে কেবল নির্বাচনের অংশ নেবেন না, বরং সমাজ ও এলাকার উন্নয়নের ভবিষ্যৎ সিদ্ধান্তেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবেন।
মোট ভোটার সংখ্যা ২৩,৩১,২৩৫। এর মধ্যে নারী ভোটার ১১,২৯,৮৭৪, পুরুষ ভোটার ১২,০১,৬৪৪ এবং তৃতীয় লিঙ্গ ভোটার ১১।
জেলার বিভিন্ন হাট-বাজার, মোড় এবং জনসভায় প্রার্থীদের প্রচারণা নতুন রাজনৈতিক উদ্দীপনা তৈরি করেছে। এখানে ভোট প্রক্রিয়া, স্থানীয় সমস্যা, উন্নয়ন প্রকল্প এবং জনগণের অংশগ্রহণ বিষয়ে আলোচনা হচ্ছে। প্রচারণা প্রার্থীদের মনোভাব, দলীয় নীতি ও জনসচেতনতা তুলে ধরেছে।
নির্বাচনে মোট প্রার্থী সংখ্যা ৩৬। মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছেন ৭০ জন, জমা দিয়েছেন ৪৬ জন, বৈধ প্রার্থী ৩০ জন, বাতিল প্রার্থীতা ১৬ জন, ফেরত প্রার্থীতা (আপিল) ১২ জন এবং প্রত্যাহার প্রার্থীতা ৬ জন।
চাঁদপুরের নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন বিএনপি, জামায়াত ইসলাম, এনসিপি, ইসলামী আন্দোলন, জাতীয় পার্টি, খেলাফত মজলিস, গণফোরাম, ইসলামী ফ্রন্ট, গণঅধিকার পরিষদ, এলডিপি, আমার বাংলাদেশ পার্টি, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল, সুপ্রিম পার্টি, লেবার পার্টি, নাগরিক ঐক্য, জাকের পার্টি, কমিউনিস্ট পার্টি ও ইনসানিয়াত বিপ্লব।
চাঁদপুর-১ (কচুয়া) আসনে ৬ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। প্রার্থীরা হলেন: বিএনপি ধানের শীষ: আ ন ম এহছানুল হক মিলন, জামায়াত দাঁড়িপাল্লা: আবু নছর মোহাম্মদ মকবুল আহমেদ, জাতীয় পার্টি লাঙ্গল: হাবিব খান, গণঅধিকার পরিষদ ট্রাক: মো. এনায়েত হোসেন, ইসলামী ফ্রন্ট মোমবাতি: মোহাম্মদ নাছির উদ্দিন, গণফোরাম উদীয়মান সূর্য: মোহাম্মদ আজাদ হোসেন।
চাঁদপুর-২ (মতলব) আসনে ৮ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। প্রার্থীরা হলেন: বিএনপি ধানের শীষ: ড. মো. জালাল উদ্দিন, এলডিপি ছাতা: মো. বিল্লাল হোসেন, ইসলামী আন্দোলন হাতপাখা: মানসুর, জাতীয় পার্টি লাঙ্গল: মো. এমরান হোসেন মিয়া, রিপাবলিকান পার্টি হাতী: মো. ফয়জুন্নুর, গণঅধিকার পরিষদ ট্রাক: মো. গোলাপ হোসেন, লেবার পার্টি আনারস: নাসিমা নাজনিন সরকার, নাগরিক ঐক্য কেটলি: মো. এনামুল হক।
চাঁদপুর-৩ (সদর-হাইমচর) আসনে ৭ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। প্রার্থীরা হলেন: বিএনপি ধানের শীষ: শেখ ফরিদ আহমেদ, জামায়াত দাঁড়িপাল্লা: মো. শাহজাহান মিয়া, ইসলামী আন্দোলন হাতপাখা: মো. জয়নাল আবেদিন শেখ, গণফোরাম উদীয়মান সূর্য: সেলিম আকবর, গণঅধিকার পরিষদ ট্রাক: মো. জাকির হোসেন, ইসলামী ফ্রন্ট মোমবাতি: এ. এইচ. এম আহসান উল্লাহ, কমিউনিস্ট পার্টি কাস্তে: মো. জাহাঙ্গীর হোসেন।
চাঁদপুর-৪ (ফরিদগঞ্জ) আসনে ৮ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। প্রার্থীরা হলেন: বিএনপি ধানের শীষ: মো. হারুনুর রশিদ, জামায়াত দাঁড়িপাল্লা: মো. বিল্লাল হোসেন মিয়াজী, জাতীয় পার্টি লাঙ্গল: মাহমুদ আলম, ইসলামী আন্দোলন হাতপাখা: মকবুল হোসাইন, স্বতন্ত্র চিংড়ি: এম এ হান্নান, গণফোরাম উদীয়মান সূর্য: মো. মুনির চৌধুরী, ইসলামী ফ্রন্ট মোমবাতি: আব্দুল মালেক বুলবুল, স্বতন্ত্র ঘুড়ি: জাকির হোসেন।
চাঁদপুর-৫ (হাজীগঞ্জ-শাহরাস্তি) আসনে ৭ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। প্রার্থীরা হলেন: বিএনপি ধানের শীষ: মো. মমিনুল হক, এলডিপি ছাতা: মো. নেয়ামুল বশির, ইসলামী আন্দোলন হাতপাখা: মোহাম্মদ আলী পাটোয়ারি, জাতীয় পার্টি লাঙ্গল: মির্জা গিয়াস উদ্দিন, ইসলামী ফ্রন্ট চেয়ার: সৈয়দ বাহাদুর শাহ্ মুজাদ্দেদী, ইনসানিয়াত বিপ্লব আপেল: মো. মাহমুদ হাসান নয়ন, জাকির হোসেন ফুটবল (ফেরত প্রার্থীতা)।
প্রিজাইডিং অফিসার, সহকারী প্রিজাইডিং অফিসার, পোলিং অফিসার, গানম্যান, অস্ত্রধারী পুলিশ, নিরস্ত্র পুলিশ, আনসার এবং গ্রাম পুলিশ প্রত্যেক কেন্দ্রে দায়িত্ব পালন করবেন। প্রতিটি কেন্দ্রের দায়িত্বপ্রাপ্ত সংখ্যা ১৮ জন।
চাঁদপুরের প্রতিটি ভোট কেন্দ্র কেবল নির্বাচনী কেন্দ্র নয়, এটি রাজনৈতিক সচেতনতা, নাগরিক দায়িত্ববোধ এবং সামাজিক সংহতির এক মঞ্চে পরিণত হয়েছে। প্রার্থী ও ভোটার উভয়ের জন্য এটি নতুন রাজনৈতিক অধ্যায়ের সূচনা, যা আগামী নির্বাচনে জনমত ও স্থানীয় উন্নয়নের দিক নির্দেশ করবে।