Dhaka , Monday, 16 March 2026

পানছড়িতে তিন শতাধিক পরিবারের মুখে হাসি ফোটালেন এরশাদ আলী

খাগড়াছড়ির পানছড়ি উপজেলায় আসন্ন পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে তিন শতাধিক অসহায় ও দুস্থ পরিবারের মাঝে বস্ত্র ও ঈদ সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে। মঙ্গলবার (১০ মার্চ) উপজেলার ৫নং উল্টাছড়ি ইউনিয়নের আলীনগর গ্রামে এই মানবিক উদ্যোগের আয়োজন করা হয়।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আলীনগর গ্রামের বাসিন্দা রঙ্গু মিয়ার ছেলে মোহাম্মদ এরশাদ আলী তাঁর ব্যক্তিগত অর্থায়নে এই খাদ্যসহায়তা ও নতুন পোশাক বিতরণের আয়োজন করেন। এদিন বেলা ২টা থেকে এলাকার তিন শতাধিক মানুষের হাতে নিত্যপ্রয়োজনীয় ঈদ সামগ্রী ও নতুন পোশাক তুলে দেওয়া হয়।
বিতরণ অনুষ্ঠানে এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। এ সময় বক্তারা বলেন, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির এই সময়ে এরশাদ মিয়ার এমন মানবিক উদ্যোগ সত্যিই প্রশংসনীয়। সমাজের সামর্থ্যবানরা এভাবে এগিয়ে এলে দরিদ্র মানুষের ঈদের আনন্দ আরও পূর্ণতা পায়।
উদ্যোক্তা মোহাম্মদ এরশাদ মিয়া বলেন, “সামাজিক দায়বদ্ধতা থেকেই আমি আমার এলাকার মানুষের পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করেছি। ঈদের আনন্দ যেন সবার ঘরে সমানভাবে পৌঁছায়—এটাই আমার মূল লক্ষ্য। ভবিষ্যতেও সাধারণ মানুষের সেবায় নিজেকে নিয়োজিত রাখতে চাই।”
অনুষ্ঠানে উপস্থিত স্থানীয় মুরুব্বি ও উপকারভোগীরা এ মহতী উদ্যোগের জন্য আয়োজকের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

ট্যাগ :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

আলোচিত

পানছড়িতে তিন শতাধিক পরিবারের মুখে হাসি ফোটালেন এরশাদ আলী

প্রকাশ : 03:13 pm, Wednesday, 11 March 2026

খাগড়াছড়ির পানছড়ি উপজেলায় আসন্ন পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে তিন শতাধিক অসহায় ও দুস্থ পরিবারের মাঝে বস্ত্র ও ঈদ সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে। মঙ্গলবার (১০ মার্চ) উপজেলার ৫নং উল্টাছড়ি ইউনিয়নের আলীনগর গ্রামে এই মানবিক উদ্যোগের আয়োজন করা হয়।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আলীনগর গ্রামের বাসিন্দা রঙ্গু মিয়ার ছেলে মোহাম্মদ এরশাদ আলী তাঁর ব্যক্তিগত অর্থায়নে এই খাদ্যসহায়তা ও নতুন পোশাক বিতরণের আয়োজন করেন। এদিন বেলা ২টা থেকে এলাকার তিন শতাধিক মানুষের হাতে নিত্যপ্রয়োজনীয় ঈদ সামগ্রী ও নতুন পোশাক তুলে দেওয়া হয়।
বিতরণ অনুষ্ঠানে এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। এ সময় বক্তারা বলেন, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির এই সময়ে এরশাদ মিয়ার এমন মানবিক উদ্যোগ সত্যিই প্রশংসনীয়। সমাজের সামর্থ্যবানরা এভাবে এগিয়ে এলে দরিদ্র মানুষের ঈদের আনন্দ আরও পূর্ণতা পায়।
উদ্যোক্তা মোহাম্মদ এরশাদ মিয়া বলেন, “সামাজিক দায়বদ্ধতা থেকেই আমি আমার এলাকার মানুষের পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করেছি। ঈদের আনন্দ যেন সবার ঘরে সমানভাবে পৌঁছায়—এটাই আমার মূল লক্ষ্য। ভবিষ্যতেও সাধারণ মানুষের সেবায় নিজেকে নিয়োজিত রাখতে চাই।”
অনুষ্ঠানে উপস্থিত স্থানীয় মুরুব্বি ও উপকারভোগীরা এ মহতী উদ্যোগের জন্য আয়োজকের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।