Dhaka , Monday, 16 March 2026

মুকসুদপুরে ধানের শীষের জয়ের নেপথ্যে আলী আজগর মিয়া

বাংলাদেশ-এর গোপালগঞ্জ জেলার মুকসুদপুর উপজেলার জলিরপাড় ইউনিয়ন দীর্ঘদিন ধরেই জাতীয়তাবাদী রাজনীতির এক সুসংগঠিত ও ঐতিহ্যবাহী ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত। এই ধারাবাহিকতা রক্ষা ও শক্ত ভিত্তির ওপর দাঁড় করাতে যিনি নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন, তিনি হলেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)’র সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও বর্তমান আহ্বায়ক আলী আজগর মিয়া।
পারিবারিকভাবে বিএনপির আদর্শে বেড়ে ওঠা আলী আজগর মিয়া ছাত্রজীবন থেকেই তৃণমূল সংগঠনের সঙ্গে সম্পৃক্ত। তৎকালীন দলের হাই কমান্ডের সাহসী নেতা মেজর জেনারেল (অব.) মহাব্বাত জাহান চৌধুরী-এর দিকনির্দেশনায় তিনি রাজনীতির মাঠে আত্মপ্রকাশ করেন। এরপর থেকে সাংগঠনিক শৃঙ্খলা, কর্মীবান্ধব নেতৃত্ব ও কৌশলগত পরিকল্পনার মাধ্যমে তিনি নিজেকে একজন দক্ষ সংগঠক হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছেন।
দলের দুঃসময়ে তাঁর নেতৃত্বের মূল বৈশিষ্ট্য ছিল—
সংগঠনকে ঐক্যবদ্ধ রাখা: মতপার্থক্য দূর করে নেতাকর্মীদের এক প্ল্যাটফর্মে আনা।
ঝুঁকি নেওয়ার সাহস: রাজনৈতিক প্রতিকূলতা ও মামলা-হামলার মধ্যেও কর্মীদের মনোবল অটুট রাখা।
তৃণমূলভিত্তিক যোগাযোগ: প্রতিটি ওয়ার্ড ও গ্রাম পর্যায়ে নিয়মিত বৈঠক ও পরামর্শ সভার আয়োজন।
নতুন নেতৃত্ব তৈরি: তরুণ কর্মীদের প্রশিক্ষণ ও দায়িত্ব প্রদান করে ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব গড়ে তোলা।
বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সরকারের দীর্ঘ সময়কালে রাজনৈতিক চাপে অনেকেই যখন নিষ্ক্রিয় হয়ে পড়েছিলেন, তখন আলী আজগর মিয়া ছিলেন দৃঢ় ও কর্মচঞ্চল। তিনি ব্যক্তিগত সাহস, সাংগঠনিক দক্ষতা এবং দলীয় আদর্শের প্রতি অবিচল আস্থার মাধ্যমে নেতাকর্মীদের পাশে থেকেছেন।
আলী আজগর মিয়া গণমাধ্যমকে বলেন, “সংগঠনই আমার শক্তি। আমি বিশ্বাস করি, ঐক্যবদ্ধ কর্মী বাহিনীই যেকোনো ষড়যন্ত্র মোকাবেলার মূল চাবিকাঠি। ব্যক্তিগত স্বার্থ নয়, দল ও আদর্শই আমার রাজনীতির কেন্দ্রবিন্দু।”
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন-২০২৬ এ তাঁর প্রাণপ্রিয় নেতা ও মাননীয় সংসদ সদস্য সেলিমুজ্জামান সেলিম-কে জলিরপাড় ইউনিয়নে ধানের শীষ প্রতীকে বিপুল ভোটে বিজয়ী করার পেছনে ছিল তাঁর সুপরিকল্পিত সাংগঠনিক তৎপরতা, কেন্দ্রভিত্তিক সমন্বয় টিম গঠন এবং ভোটারদের সঙ্গে নিবিড় যোগাযোগ। দলীয় বিশ্লেষকদের মতে, এটি ছিল দীর্ঘদিনের সাংগঠনিক পরিশ্রমের ফল।
দলীয় নেতা-কর্মীদের ভাষ্য অনুযায়ী, আলী আজগর মিয়া কেবল একজন পদধারী নেতা নন; তিনি একজন কৌশলী সংগঠক, সাহসী সিদ্ধান্ত গ্রহণকারী এবং কর্মীবান্ধব অভিভাবক। তাঁর নেতৃত্বে জলিরপাড় ইউনিয়ন বিএনপি আরও শক্তিশালী, গতিশীল ও ভবিষ্যতমুখী সংগঠনে পরিণত হবে—এমনটাই প্রত্যাশা করছেন।

ট্যাগ :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

আলোচিত

মুকসুদপুরে ধানের শীষের জয়ের নেপথ্যে আলী আজগর মিয়া

প্রকাশ : 03:20 pm, Wednesday, 11 March 2026

বাংলাদেশ-এর গোপালগঞ্জ জেলার মুকসুদপুর উপজেলার জলিরপাড় ইউনিয়ন দীর্ঘদিন ধরেই জাতীয়তাবাদী রাজনীতির এক সুসংগঠিত ও ঐতিহ্যবাহী ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত। এই ধারাবাহিকতা রক্ষা ও শক্ত ভিত্তির ওপর দাঁড় করাতে যিনি নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন, তিনি হলেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)’র সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও বর্তমান আহ্বায়ক আলী আজগর মিয়া।
পারিবারিকভাবে বিএনপির আদর্শে বেড়ে ওঠা আলী আজগর মিয়া ছাত্রজীবন থেকেই তৃণমূল সংগঠনের সঙ্গে সম্পৃক্ত। তৎকালীন দলের হাই কমান্ডের সাহসী নেতা মেজর জেনারেল (অব.) মহাব্বাত জাহান চৌধুরী-এর দিকনির্দেশনায় তিনি রাজনীতির মাঠে আত্মপ্রকাশ করেন। এরপর থেকে সাংগঠনিক শৃঙ্খলা, কর্মীবান্ধব নেতৃত্ব ও কৌশলগত পরিকল্পনার মাধ্যমে তিনি নিজেকে একজন দক্ষ সংগঠক হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছেন।
দলের দুঃসময়ে তাঁর নেতৃত্বের মূল বৈশিষ্ট্য ছিল—
সংগঠনকে ঐক্যবদ্ধ রাখা: মতপার্থক্য দূর করে নেতাকর্মীদের এক প্ল্যাটফর্মে আনা।
ঝুঁকি নেওয়ার সাহস: রাজনৈতিক প্রতিকূলতা ও মামলা-হামলার মধ্যেও কর্মীদের মনোবল অটুট রাখা।
তৃণমূলভিত্তিক যোগাযোগ: প্রতিটি ওয়ার্ড ও গ্রাম পর্যায়ে নিয়মিত বৈঠক ও পরামর্শ সভার আয়োজন।
নতুন নেতৃত্ব তৈরি: তরুণ কর্মীদের প্রশিক্ষণ ও দায়িত্ব প্রদান করে ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব গড়ে তোলা।
বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সরকারের দীর্ঘ সময়কালে রাজনৈতিক চাপে অনেকেই যখন নিষ্ক্রিয় হয়ে পড়েছিলেন, তখন আলী আজগর মিয়া ছিলেন দৃঢ় ও কর্মচঞ্চল। তিনি ব্যক্তিগত সাহস, সাংগঠনিক দক্ষতা এবং দলীয় আদর্শের প্রতি অবিচল আস্থার মাধ্যমে নেতাকর্মীদের পাশে থেকেছেন।
আলী আজগর মিয়া গণমাধ্যমকে বলেন, “সংগঠনই আমার শক্তি। আমি বিশ্বাস করি, ঐক্যবদ্ধ কর্মী বাহিনীই যেকোনো ষড়যন্ত্র মোকাবেলার মূল চাবিকাঠি। ব্যক্তিগত স্বার্থ নয়, দল ও আদর্শই আমার রাজনীতির কেন্দ্রবিন্দু।”
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন-২০২৬ এ তাঁর প্রাণপ্রিয় নেতা ও মাননীয় সংসদ সদস্য সেলিমুজ্জামান সেলিম-কে জলিরপাড় ইউনিয়নে ধানের শীষ প্রতীকে বিপুল ভোটে বিজয়ী করার পেছনে ছিল তাঁর সুপরিকল্পিত সাংগঠনিক তৎপরতা, কেন্দ্রভিত্তিক সমন্বয় টিম গঠন এবং ভোটারদের সঙ্গে নিবিড় যোগাযোগ। দলীয় বিশ্লেষকদের মতে, এটি ছিল দীর্ঘদিনের সাংগঠনিক পরিশ্রমের ফল।
দলীয় নেতা-কর্মীদের ভাষ্য অনুযায়ী, আলী আজগর মিয়া কেবল একজন পদধারী নেতা নন; তিনি একজন কৌশলী সংগঠক, সাহসী সিদ্ধান্ত গ্রহণকারী এবং কর্মীবান্ধব অভিভাবক। তাঁর নেতৃত্বে জলিরপাড় ইউনিয়ন বিএনপি আরও শক্তিশালী, গতিশীল ও ভবিষ্যতমুখী সংগঠনে পরিণত হবে—এমনটাই প্রত্যাশা করছেন।