Dhaka , Monday, 16 March 2026

বগুড়া উদ্বোধনের আগেই ধসে পড়েছে ছাদ

উদ্বোধনের আগেই ধসে পড়েছে বগুড়া পৌর পার্কেও ব্যায়ামাগারের ছাদ। গত সোমবার দিনে ছাদ ঢালাইয়ের কাজ শেষ হয়। রাতেই ছাদটি ধসে পড়ে। এলাকাবাসী ঠিকাদারের বিরুদ্ধে নিম্নমানের সামগ্রী দিয়ে ওই কাজ করার অভিযোগ তুলেছেন।
সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানায়, বগুড়া পৌর পার্কের সৌন্দর্য বৃদ্ধির অংশ হিসেবে ব্যায়ামাগার (জিম) বিল্ডিং নির্মাণ করতে বিশ্ব ব্যাংকের অর্থায়নে ১৪ লাখ ৫৩ হাজার ২৫১ টাকা বরাদ্দ হয়। গত বছরের ২৯ জানুয়ারি কাজ শুরুর কথা ছিল। একই বছরের ১১ নভেম্বর ছিল শেষ সময়। কিন্তু ঠিকাদারের নানা গড়িমসিতে নির্ধারিত সময়ে কাজ শেষ করা যায়নি।
সেখানে নিয়মিত ব্যায়াম করতে আসা অনেকে বলেন, তারা প্রতিদিন ভোরে ব্যায়াম করে একটি টিনের শেডে বিশ্রাম নিতেন। শেড ভেঙে সেখানে একটি ছাদ ঢালাই করে ভবন নির্মাণের দাবি তুলছিলেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে পৌর কর্তৃপক্ষ ভবন নির্মাণের উদ্যোগ নেয়। মঙ্গলবার সকালে গিয়ে দেখেন ছাদ ধসে পড়েছে। যদি এ ঘটনা নির্মাণ কাজ শেষ হওয়ার পরে ঘটতো তাহলে প্রাণহানিও হতে পারতো।
তিনি আরও বলেন, ঠিকাদারের গাফিলাতিতেই ভবনটি নির্মাণে দেরি হয়েছে। নিম্নমানের সামগ্রী দিয়ে করার কারণেই ছাদটি ধসে গেছে।
এ বিষয়ে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মালিক জয় হাসানের দাবি, ভবনটির একটি খুঁটির গোড়া থেকে মাটি সড়ে গেলে খুঁটিটি নড়ে যায়। এ কারণেই ছাদ ধসে পড়ে। নিম্নমানের সামগ্রী দিয়ে কাজ করার অভিযোগ অস্বীকার করেন তিনি।
বগুড়া পৌরসভার নির্বাহী প্রকৌশলী ওয়াহিদুর রহমান বলেন, ছাদ ধসের কারণ খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ঠিকাদারের কাজের মান নিয়ে অভিযোগ থাকলে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ট্যাগ :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

আলোচিত

বগুড়া উদ্বোধনের আগেই ধসে পড়েছে ছাদ

প্রকাশ : 04:10 pm, Thursday, 12 March 2026

উদ্বোধনের আগেই ধসে পড়েছে বগুড়া পৌর পার্কেও ব্যায়ামাগারের ছাদ। গত সোমবার দিনে ছাদ ঢালাইয়ের কাজ শেষ হয়। রাতেই ছাদটি ধসে পড়ে। এলাকাবাসী ঠিকাদারের বিরুদ্ধে নিম্নমানের সামগ্রী দিয়ে ওই কাজ করার অভিযোগ তুলেছেন।
সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানায়, বগুড়া পৌর পার্কের সৌন্দর্য বৃদ্ধির অংশ হিসেবে ব্যায়ামাগার (জিম) বিল্ডিং নির্মাণ করতে বিশ্ব ব্যাংকের অর্থায়নে ১৪ লাখ ৫৩ হাজার ২৫১ টাকা বরাদ্দ হয়। গত বছরের ২৯ জানুয়ারি কাজ শুরুর কথা ছিল। একই বছরের ১১ নভেম্বর ছিল শেষ সময়। কিন্তু ঠিকাদারের নানা গড়িমসিতে নির্ধারিত সময়ে কাজ শেষ করা যায়নি।
সেখানে নিয়মিত ব্যায়াম করতে আসা অনেকে বলেন, তারা প্রতিদিন ভোরে ব্যায়াম করে একটি টিনের শেডে বিশ্রাম নিতেন। শেড ভেঙে সেখানে একটি ছাদ ঢালাই করে ভবন নির্মাণের দাবি তুলছিলেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে পৌর কর্তৃপক্ষ ভবন নির্মাণের উদ্যোগ নেয়। মঙ্গলবার সকালে গিয়ে দেখেন ছাদ ধসে পড়েছে। যদি এ ঘটনা নির্মাণ কাজ শেষ হওয়ার পরে ঘটতো তাহলে প্রাণহানিও হতে পারতো।
তিনি আরও বলেন, ঠিকাদারের গাফিলাতিতেই ভবনটি নির্মাণে দেরি হয়েছে। নিম্নমানের সামগ্রী দিয়ে করার কারণেই ছাদটি ধসে গেছে।
এ বিষয়ে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মালিক জয় হাসানের দাবি, ভবনটির একটি খুঁটির গোড়া থেকে মাটি সড়ে গেলে খুঁটিটি নড়ে যায়। এ কারণেই ছাদ ধসে পড়ে। নিম্নমানের সামগ্রী দিয়ে কাজ করার অভিযোগ অস্বীকার করেন তিনি।
বগুড়া পৌরসভার নির্বাহী প্রকৌশলী ওয়াহিদুর রহমান বলেন, ছাদ ধসের কারণ খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ঠিকাদারের কাজের মান নিয়ে অভিযোগ থাকলে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।