Dhaka , Monday, 16 March 2026

দুই মাস ধরে ড্রেন উন্মুক্ত, দুর্ভোগে নবীগঞ্জবাসী

নবীগঞ্জ পৌর এলাকার অন্যতম ব্যস্ততম সড়ক ওসমানী রোড। এই সড়কে ড্রেন নির্মাণের কাজ শেষ হয়েছে প্রায় দুই মাস আগে। কিন্তু পরিতাপের বিষয় হলো, ড্রেন সংলগ্ন খুঁড়ে রাখা মাটি এখনো ভরাট করা হয়নি। ঠিকাদারের এমন চরম উদাসীনতায় প্রতিদিন হাজারো মানুষকে পোহাতে হচ্ছে অবর্ণনীয় দুর্ভোগ। সরেজমিনে দেখা গেছে, ওসমানী রোডের ড্রেনের পাশের মাটি ভরাট না করায় রাস্তাটি সরু হয়ে গেছে। ড্রেনের পাশের গর্তগুলো এখন মরণফাঁদে পরিণত হয়েছে।
সামান্য বৃষ্টি হলেই কাদা-পানিতে একাকার হয়ে যায় পুরো এলাকা, আর শুকনা মৌসুমে ধুলোবালিতে অতিষ্ঠ হয়ে উঠছে জনজীবন। বিশেষ করে স্কুল-কলেজ পড়ুয়া শিক্ষার্থী, বয়স্ক মানুষ এবং ব্যবসায়ীদের চলাচলে চরম বিঘ্ন ঘটছে। এলাকাবাসীর অভিযোগ, কাজ শেষ হওয়ার দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানের কোনো খবর নেই। স্থানীয় এক ব্যবসায়ী ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “ড্রেন হয়েছে ভালো কথা, কিন্তু পাশের এই গর্তগুলো ভরাট করবে কে? দুই মাস ধরে আমরা ধুলো আর কাদার মধ্যে আছি। নবীগঞ্জে এসব দেখার বা বলার মতো কি কেউ নেই?” অন্যান্য বাসিন্দারা জানান, ড্রেনের পাশের এই বেহাল দশার কারণে মাঝেমধ্যেই ছোটখাটো দুর্ঘটনা ঘটছে। রিকশা বা সিএনজি চলাচলের সময় গর্তে পড়ে বিকল হয়ে যাচ্ছে। কিন্তু কর্তৃপক্ষের দৃশ্যমান কোনো পদক্ষেপ না থাকায় জনমনে তীব্র অসন্তোষ দেখা দিয়েছে।
​নবীগঞ্জের মতো একটি জনবহুল এলাকায় ড্রেন নির্মাণের পর দীর্ঘ দুই মাস মাটি ভরাট না থাকাটা দায়িত্বহীনতার চরম বহিঃপ্রকাশ বলে মনে করছেন সচেতন মহল। স্থানীয়দের দাবি, পৌর কর্তৃপক্ষ এবং সংশ্লিষ্ট ঠিকাদার যেন দ্রুত এই জনভোগান্তি নিরসনে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করেন। ঠিকাদারের সাথে যোগাযোগ করার জন্য মোবাইল ফোনে কল দিলে তিনি রিসিভ করেননি। নবীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রুহুল আমীন বলেন, সরেজমিনে গিয়ে কোন ধরনের অনিয়ম পেলে আইনানুক ব্যবস্থা গ্রহন করব।

ট্যাগ :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

আলোচিত

দুই মাস ধরে ড্রেন উন্মুক্ত, দুর্ভোগে নবীগঞ্জবাসী

প্রকাশ : 02:34 pm, Saturday, 14 March 2026

নবীগঞ্জ পৌর এলাকার অন্যতম ব্যস্ততম সড়ক ওসমানী রোড। এই সড়কে ড্রেন নির্মাণের কাজ শেষ হয়েছে প্রায় দুই মাস আগে। কিন্তু পরিতাপের বিষয় হলো, ড্রেন সংলগ্ন খুঁড়ে রাখা মাটি এখনো ভরাট করা হয়নি। ঠিকাদারের এমন চরম উদাসীনতায় প্রতিদিন হাজারো মানুষকে পোহাতে হচ্ছে অবর্ণনীয় দুর্ভোগ। সরেজমিনে দেখা গেছে, ওসমানী রোডের ড্রেনের পাশের মাটি ভরাট না করায় রাস্তাটি সরু হয়ে গেছে। ড্রেনের পাশের গর্তগুলো এখন মরণফাঁদে পরিণত হয়েছে।
সামান্য বৃষ্টি হলেই কাদা-পানিতে একাকার হয়ে যায় পুরো এলাকা, আর শুকনা মৌসুমে ধুলোবালিতে অতিষ্ঠ হয়ে উঠছে জনজীবন। বিশেষ করে স্কুল-কলেজ পড়ুয়া শিক্ষার্থী, বয়স্ক মানুষ এবং ব্যবসায়ীদের চলাচলে চরম বিঘ্ন ঘটছে। এলাকাবাসীর অভিযোগ, কাজ শেষ হওয়ার দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানের কোনো খবর নেই। স্থানীয় এক ব্যবসায়ী ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “ড্রেন হয়েছে ভালো কথা, কিন্তু পাশের এই গর্তগুলো ভরাট করবে কে? দুই মাস ধরে আমরা ধুলো আর কাদার মধ্যে আছি। নবীগঞ্জে এসব দেখার বা বলার মতো কি কেউ নেই?” অন্যান্য বাসিন্দারা জানান, ড্রেনের পাশের এই বেহাল দশার কারণে মাঝেমধ্যেই ছোটখাটো দুর্ঘটনা ঘটছে। রিকশা বা সিএনজি চলাচলের সময় গর্তে পড়ে বিকল হয়ে যাচ্ছে। কিন্তু কর্তৃপক্ষের দৃশ্যমান কোনো পদক্ষেপ না থাকায় জনমনে তীব্র অসন্তোষ দেখা দিয়েছে।
​নবীগঞ্জের মতো একটি জনবহুল এলাকায় ড্রেন নির্মাণের পর দীর্ঘ দুই মাস মাটি ভরাট না থাকাটা দায়িত্বহীনতার চরম বহিঃপ্রকাশ বলে মনে করছেন সচেতন মহল। স্থানীয়দের দাবি, পৌর কর্তৃপক্ষ এবং সংশ্লিষ্ট ঠিকাদার যেন দ্রুত এই জনভোগান্তি নিরসনে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করেন। ঠিকাদারের সাথে যোগাযোগ করার জন্য মোবাইল ফোনে কল দিলে তিনি রিসিভ করেননি। নবীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রুহুল আমীন বলেন, সরেজমিনে গিয়ে কোন ধরনের অনিয়ম পেলে আইনানুক ব্যবস্থা গ্রহন করব।