Dhaka , Monday, 16 March 2026
কচ্চপিয়া ও বাঁকখালি সদর বনবিটে অভিযান

বসতঘর-তামাক চুল্লি ও ২ করাতকল গুঁড়িয়ে দিল বন বিভাগ

কক্সবাজারের উত্তর বনবিভাগের বাঁকখালি বন রেঞ্জের কচ্ছপিয়া বনবিট ও বাঁকখালি সদর বনবিটে অবৈধ দখলদারদের বিরুদ্ধে অভিযান চালিয়ে বন বিভাগের সংরক্ষিত সরকারি জায়গায় একটি বসতঘর, একটি পাকা তামাক চুল্লি ও দুটি অবৈধ করাতকল গুঁড়িয়ে দিয়েছে বন বিভাগ। গত বৃহস্পতিবার কক্সবাজার উত্তর বন বিভাগের বাঁকখালি রেঞ্জের উদ্যোগে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
বাঁকখালি অফিসার অফিসার, সহকারী বন সংরক্ষক( এসিএফ) মো. আল আমিনের নেতৃত্বে এবং ডেপুটি রেঞ্জার এস.এম. মোস্তাফিজুর রহমানের সার্বিক তত্ত্বাবধানে বাঁকখালি সদর বনবিট ও কচ্ছপিয়া বনবিটের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এ অভিযান পরিচালনা করেন।
অভিযানে কচ্ছপিয়া বনবিটের মৌলভীকাটা এলাকায় একটি টিনসেট বসতঘর এবং হাজিরপাড়া এলাকায় বেলাল ওরফে গুটি বেলালের মালিকানাধীন একটি পাকা তামাক চুল্লি গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়। এতে প্রায় ৩০ শতক সংরক্ষিত বনভূমি দখলমুক্ত করা হয়েছে বলে বন বিভাগ সূত্রে জানা গেছে।
একই দিনে কক্সবাজার উত্তর বন বিভাগের বাঁকখালি রেঞ্জের আওতাধীন চেরাংঘাটা এলাকায় হারুনের মালিকানাধীন “হারুন স’ মিল” এবং সায়েদুল ইসলামের মালিকানাধীন আরেকটি স’মিল ভেঙে গুড়িয়ে দেওয়া হয়।
বাঁকখালি বন রেঞ্জের ডেপুটি রেঞ্জ অফিসার এস.এম. মোস্তাফিজুর রহমান জানান, কক্সবাজার উত্তর বন বিভাগের আওতাধীন বাঁকখালি রেঞ্জে মোট ১১টি অবৈধ করাতকল রয়েছে। এর মধ্যে বৃহস্পতিবার দুটি করাতকল সম্পূর্ণভাবে উচ্ছেদ করা হয়েছে। অবশিষ্ট ৯টি করাতকলের বিরুদ্ধেও অচিরেই অভিযান চালানো হবে। সংশ্লিষ্ট অপরাধীদের বিরুদ্ধে বন আইনে মামলা রুজুর প্রক্রিয়া চলছে।
তিনি আরও জানান, চলতি সপ্তাহে বাঁকখালি বনবিট ও কচ্ছপিয়া বনবিট এলাকায় অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ চোরাই কাঠ জব্দ করা হয়েছে। বন বিভাগের সংরক্ষিত জমি থেকে সব ধরনের অবৈধ দখলদার উচ্ছেদে অভিযান অব্যাহত থাকবে।

ট্যাগ :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

আলোচিত

কচ্চপিয়া ও বাঁকখালি সদর বনবিটে অভিযান

বসতঘর-তামাক চুল্লি ও ২ করাতকল গুঁড়িয়ে দিল বন বিভাগ

প্রকাশ : 02:45 pm, Saturday, 14 March 2026

কক্সবাজারের উত্তর বনবিভাগের বাঁকখালি বন রেঞ্জের কচ্ছপিয়া বনবিট ও বাঁকখালি সদর বনবিটে অবৈধ দখলদারদের বিরুদ্ধে অভিযান চালিয়ে বন বিভাগের সংরক্ষিত সরকারি জায়গায় একটি বসতঘর, একটি পাকা তামাক চুল্লি ও দুটি অবৈধ করাতকল গুঁড়িয়ে দিয়েছে বন বিভাগ। গত বৃহস্পতিবার কক্সবাজার উত্তর বন বিভাগের বাঁকখালি রেঞ্জের উদ্যোগে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
বাঁকখালি অফিসার অফিসার, সহকারী বন সংরক্ষক( এসিএফ) মো. আল আমিনের নেতৃত্বে এবং ডেপুটি রেঞ্জার এস.এম. মোস্তাফিজুর রহমানের সার্বিক তত্ত্বাবধানে বাঁকখালি সদর বনবিট ও কচ্ছপিয়া বনবিটের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এ অভিযান পরিচালনা করেন।
অভিযানে কচ্ছপিয়া বনবিটের মৌলভীকাটা এলাকায় একটি টিনসেট বসতঘর এবং হাজিরপাড়া এলাকায় বেলাল ওরফে গুটি বেলালের মালিকানাধীন একটি পাকা তামাক চুল্লি গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়। এতে প্রায় ৩০ শতক সংরক্ষিত বনভূমি দখলমুক্ত করা হয়েছে বলে বন বিভাগ সূত্রে জানা গেছে।
একই দিনে কক্সবাজার উত্তর বন বিভাগের বাঁকখালি রেঞ্জের আওতাধীন চেরাংঘাটা এলাকায় হারুনের মালিকানাধীন “হারুন স’ মিল” এবং সায়েদুল ইসলামের মালিকানাধীন আরেকটি স’মিল ভেঙে গুড়িয়ে দেওয়া হয়।
বাঁকখালি বন রেঞ্জের ডেপুটি রেঞ্জ অফিসার এস.এম. মোস্তাফিজুর রহমান জানান, কক্সবাজার উত্তর বন বিভাগের আওতাধীন বাঁকখালি রেঞ্জে মোট ১১টি অবৈধ করাতকল রয়েছে। এর মধ্যে বৃহস্পতিবার দুটি করাতকল সম্পূর্ণভাবে উচ্ছেদ করা হয়েছে। অবশিষ্ট ৯টি করাতকলের বিরুদ্ধেও অচিরেই অভিযান চালানো হবে। সংশ্লিষ্ট অপরাধীদের বিরুদ্ধে বন আইনে মামলা রুজুর প্রক্রিয়া চলছে।
তিনি আরও জানান, চলতি সপ্তাহে বাঁকখালি বনবিট ও কচ্ছপিয়া বনবিট এলাকায় অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ চোরাই কাঠ জব্দ করা হয়েছে। বন বিভাগের সংরক্ষিত জমি থেকে সব ধরনের অবৈধ দখলদার উচ্ছেদে অভিযান অব্যাহত থাকবে।