Dhaka , Monday, 16 March 2026

বান্দরবানে তিনদিনব্যাপী গঙ্গাপূজা ও বারুণী স্নান শুরু

প্রতি বছরের ন্যায় মধুকৃষ্ণা ত্রয়োদশ তিথিতে বান্দরবান চৌধুরী মার্কেট সংলগ্ন সাঙ্গু নদীর তীরে শুরু হচ্ছে ১৬,১৭ ও ১৮ তিনদিনব্যাপী মহাপুণ্য শ্রী শ্রী গঙ্গাপূজা ও বারুণী স্নান অনুষ্ঠান।
শ্রী শ্রী গঙ্গাপূজা উদযাপন কমিটি আর্শিবাদ সংঘের উদ্যোগে ১৬ মার্চ (সোমবার )বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা, শ্রী শ্রী গঙ্গামায়ের বোঁধন, মহানাম যজ্ঞের শুভ অধিবাস ও আনন্দবাজারে মহাপ্রসাদ আস্বাদনসহ নানা মাঙ্গলিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে।
আশীর্বাদ সংঘের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক জানান, প্রতি বছর মধুকৃষ্ণা ত্রয়োদশ তিথিতে মহাপুণ্য লগ্নে শ্রী শ্রী গঙ্গা মায়ের পূজা ও বারুণী স্নান উপলক্ষ্যে আর্শীবাদ সংঘ বর্ণাঢ্য আয়োজন করে থাকে। এই পুণ্য তিথিতে গঙ্গাস্নান করলে মানবের সকল প্রকার পাপ মোচন হয়। তাই হিন্দু সম্প্রদায়ের সকল লোকজন এই গঙ্গা পূজা ও বারুণীস্নানে অংশ গ্রহণ করে জীব ও জগৎ এর মঙ্গল কামনা করেন। এ সময় হিন্দু সম্প্রদায় ছাড়াও বিভিন্ন সম্প্রদায়ের শত শত পূর্ণার্থীগণ সাঙ্গু নদীতে গঙ্গা মায়ের চরণে ভক্তি নিবেদন করে পুণ্য ও পাপ মুক্তি লাভের আশায় বারুণী স্নানে অংশ গ্রহণ করে।
১৭ মার্চ (মঙ্গলবার) উষালগ্নে মহানামযজ্ঞ শুভারম্ভ, সকাল ৮:৩৭ ঘটিকা পর্যন্ত বারুণী স্নান, ৭:৩০ ঘটিকায় শ্রী শ্রী গঙ্গা মায়ের পূজারম্ভ, দুপুর ১২:৩০ ঘটিকায় ভোগারতি, দুপুর ১টায় আনন্দবাজারে মহাপ্রসাদ আস্বাদন, সন্ধ্যা ৬টায় শ্রী শ্রী গঙ্গা মায়ের সন্ধ্যারতি, ৬টা ৩০মিনিটে মহানাম যজ্ঞের পূর্ণাহুতি, সন্ধ্যা ৭টায় গঙ্গামায়ের আরতি ও হাজার প্রদীপ নিবেদন, রাত ৮টায় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও রাত ৮:০০ ঘটিকায় আনন্দবাজারে মহাপ্রসাদ আস্বাদন, রাত ৮:৩০ মিনিটে পুরস্কার বিতরনী ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। ১৮ মার্চ (বুধবার) সকাল ৮ টায় পুষ্পাঞ্জলী শেষে সাঙ্গু নদীতে প্রতিমা বিসর্জন এর মাধ্যমে এবারের বর্ণাঢ্য আয়োজন সমাপ্তি ঘটবে।

ট্যাগ :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

আলোচিত

বান্দরবানে তিনদিনব্যাপী গঙ্গাপূজা ও বারুণী স্নান শুরু

প্রকাশ : 14 Hours Ago

প্রতি বছরের ন্যায় মধুকৃষ্ণা ত্রয়োদশ তিথিতে বান্দরবান চৌধুরী মার্কেট সংলগ্ন সাঙ্গু নদীর তীরে শুরু হচ্ছে ১৬,১৭ ও ১৮ তিনদিনব্যাপী মহাপুণ্য শ্রী শ্রী গঙ্গাপূজা ও বারুণী স্নান অনুষ্ঠান।
শ্রী শ্রী গঙ্গাপূজা উদযাপন কমিটি আর্শিবাদ সংঘের উদ্যোগে ১৬ মার্চ (সোমবার )বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা, শ্রী শ্রী গঙ্গামায়ের বোঁধন, মহানাম যজ্ঞের শুভ অধিবাস ও আনন্দবাজারে মহাপ্রসাদ আস্বাদনসহ নানা মাঙ্গলিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে।
আশীর্বাদ সংঘের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক জানান, প্রতি বছর মধুকৃষ্ণা ত্রয়োদশ তিথিতে মহাপুণ্য লগ্নে শ্রী শ্রী গঙ্গা মায়ের পূজা ও বারুণী স্নান উপলক্ষ্যে আর্শীবাদ সংঘ বর্ণাঢ্য আয়োজন করে থাকে। এই পুণ্য তিথিতে গঙ্গাস্নান করলে মানবের সকল প্রকার পাপ মোচন হয়। তাই হিন্দু সম্প্রদায়ের সকল লোকজন এই গঙ্গা পূজা ও বারুণীস্নানে অংশ গ্রহণ করে জীব ও জগৎ এর মঙ্গল কামনা করেন। এ সময় হিন্দু সম্প্রদায় ছাড়াও বিভিন্ন সম্প্রদায়ের শত শত পূর্ণার্থীগণ সাঙ্গু নদীতে গঙ্গা মায়ের চরণে ভক্তি নিবেদন করে পুণ্য ও পাপ মুক্তি লাভের আশায় বারুণী স্নানে অংশ গ্রহণ করে।
১৭ মার্চ (মঙ্গলবার) উষালগ্নে মহানামযজ্ঞ শুভারম্ভ, সকাল ৮:৩৭ ঘটিকা পর্যন্ত বারুণী স্নান, ৭:৩০ ঘটিকায় শ্রী শ্রী গঙ্গা মায়ের পূজারম্ভ, দুপুর ১২:৩০ ঘটিকায় ভোগারতি, দুপুর ১টায় আনন্দবাজারে মহাপ্রসাদ আস্বাদন, সন্ধ্যা ৬টায় শ্রী শ্রী গঙ্গা মায়ের সন্ধ্যারতি, ৬টা ৩০মিনিটে মহানাম যজ্ঞের পূর্ণাহুতি, সন্ধ্যা ৭টায় গঙ্গামায়ের আরতি ও হাজার প্রদীপ নিবেদন, রাত ৮টায় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও রাত ৮:০০ ঘটিকায় আনন্দবাজারে মহাপ্রসাদ আস্বাদন, রাত ৮:৩০ মিনিটে পুরস্কার বিতরনী ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। ১৮ মার্চ (বুধবার) সকাল ৮ টায় পুষ্পাঞ্জলী শেষে সাঙ্গু নদীতে প্রতিমা বিসর্জন এর মাধ্যমে এবারের বর্ণাঢ্য আয়োজন সমাপ্তি ঘটবে।