যশোরের ঝিকরগাছায় গলায় ফাঁস দিয়ে ছাফিয়া খাতুন রিমু (২০) নামেএক গৃহবধূ আত্মহত্যা করেছে। গতকাল বুধবার (৩রা জুন) আনুমানিক দুপুর দুইটার সময় শশুর বাড়িতে সিলিং ফ্যানের সাথে গলায় গামছা পেচিয়ে ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেন।
নিহত ছাফিয়া খাতুন রিমু বাঁকড়া ইউনিয়নের খোশালনগর গ্রামের আলহাজ্ব শফিকুল ইসলামের মেয়ে। রিমুর বিয়ে হয় হাজিরবাগ ইউনিয়নের রায়পটন গ্রামের বাঁকড়া বাজরের বস্ত্র ব্যবসায়ী শহিদুল ইসলামের ছেলে রিয়াদ হোসেনের সাথে।
পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, শাশুড়ীর সাথে বনিবনা না হওয়া, শাশুড়ির নির্যাতনে কয়েক মাস বাবার বাড়িতেই ছিলো। কয়েকদিন আগে তিনি শশুর বাড়িতে এসেছিলেন। পারিবারিক অশান্তির অন্যতম কারন রিমুর ডায়াবেটিস। গতকাল দুপুরে রিয়াদ বাড়িতে এসে স্ত্রী কে খোঁজ করে, ডাকা ডাকি করে, পরে দেখতে পায় সে ঘরের ভিতরে সিলিংফ্যানের সাথে গামছা দিয়ে গলায় ফাঁস দিয়েছে। এ সময় পরিবারের সদস্যদের চিৎকারে স্থানীয়রা এগিয়ে এসে মরদেহটি নিচে নামান। খবর পেয়ে বাঁকড়া পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ কাজী শহিদুল ইসলাম দ্রুত ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন এবং এসআই হাদিউর রহমান মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহটি যশোর ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালেের মর্গে পাঠানো হয়েছে।
.png)
বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ জুন ২০২৬
যশোরের ঝিকরগাছায় গলায় ফাঁস দিয়ে ছাফিয়া খাতুন রিমু (২০) নামেএক গৃহবধূ আত্মহত্যা করেছে। গতকাল বুধবার (৩রা জুন) আনুমানিক দুপুর দুইটার সময় শশুর বাড়িতে সিলিং ফ্যানের সাথে গলায় গামছা পেচিয়ে ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেন।
নিহত ছাফিয়া খাতুন রিমু বাঁকড়া ইউনিয়নের খোশালনগর গ্রামের আলহাজ্ব শফিকুল ইসলামের মেয়ে। রিমুর বিয়ে হয় হাজিরবাগ ইউনিয়নের রায়পটন গ্রামের বাঁকড়া বাজরের বস্ত্র ব্যবসায়ী শহিদুল ইসলামের ছেলে রিয়াদ হোসেনের সাথে।
পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, শাশুড়ীর সাথে বনিবনা না হওয়া, শাশুড়ির নির্যাতনে কয়েক মাস বাবার বাড়িতেই ছিলো। কয়েকদিন আগে তিনি শশুর বাড়িতে এসেছিলেন। পারিবারিক অশান্তির অন্যতম কারন রিমুর ডায়াবেটিস। গতকাল দুপুরে রিয়াদ বাড়িতে এসে স্ত্রী কে খোঁজ করে, ডাকা ডাকি করে, পরে দেখতে পায় সে ঘরের ভিতরে সিলিংফ্যানের সাথে গামছা দিয়ে গলায় ফাঁস দিয়েছে। এ সময় পরিবারের সদস্যদের চিৎকারে স্থানীয়রা এগিয়ে এসে মরদেহটি নিচে নামান। খবর পেয়ে বাঁকড়া পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ কাজী শহিদুল ইসলাম দ্রুত ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন এবং এসআই হাদিউর রহমান মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহটি যশোর ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালেের মর্গে পাঠানো হয়েছে।
.png)
আপনার মতামত লিখুন