সরেজমিন নিউজ

১ লাখ লিটার তেল খরচের লংমার্চ ও নতুন শঙ্কা: রাজনীতিতে উত্তেজনা



১ লাখ লিটার তেল খরচের লংমার্চ ও নতুন শঙ্কা: রাজনীতিতে উত্তেজনা

দেশের বিদ্যমান জ্বালানি সংকটের মধ্যেই এক লাখ লিটার তেল খরচ করে জামায়াতে ইসলামীর ঘোষিত লংমার্চ কর্মসূচি আয়োজনের তীব্র সমালোচনা করেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক বার্তায় তিনি এ নিয়ে বেশ কিছু গুরুতর অভিযোগ উত্থাপন করেন।

রাশেদ খাঁন উল্লেখ করেন, বর্তমান সরকার দায়িত্ব নেওয়ার মাত্র ছয় মাস পেরিয়ে সাত মাসে পা দিতে না দিতেই জামায়াত ক্ষমতায় যাওয়ার জন্য মরিয়া হয়ে উঠেছে। তার মতে, দলটি সরাসরি রাষ্ট্রক্ষমতায় পৌঁছাতে না পারলেও দেশে এক ধরনের অস্থিরতা ও অস্থিতিশীল পরিবেশ তৈরির সক্ষমতা রাখে।

সংকটকালে বিপুল পরিমাণ জ্বালানি খরচের সমালোচনা করে তিনি প্রশ্ন তোলেন, জনস্বার্থ নাকি ক্ষমতার মোহ—কোনটি দলের কাছে মূল অগ্রাধিকার? তিনি আরও আশঙ্কা প্রকাশ করেন যে, জামায়াতের ডাকা এই মাঠপর্যায়ের কর্মসূচির সুবাদে কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষিত দল আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের অনুপ্রবেশ ঘটার সুযোগ তৈরি হচ্ছে।

জামায়াত নেতা ও সাবেক সংসদ সদস্য আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহেরের সাম্প্রতিক বক্তব্য বিশ্লেষণ করে প্রধানমন্ত্রীর এই সহকারী দাবি করেন, কৌশলগত আলোচনার ভিত্তিতে ভবিষ্যতে জামায়াত ও আওয়ামী লীগ একসাথে রাজনৈতিক মাঠে নামতে পারে। তার মতে, এই লংমার্চ প্রকারান্তরে আওয়ামী লীগের মাঠে ফেরার পথই সুগম করে দিচ্ছে।

৭১ ও ২৪-এর ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট টেনে তিনি আরও মন্তব্য করেন, জাতীয় সংকট সমাধান তাদের লক্ষ্য নয়; বরং ক্ষমতার স্বার্থে দুই বিপরীত মেরুর রাজনৈতিক দল একজোট হওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে। ১ লাখ লিটার তেল খরচ করে জাতীয় সংকটকে পুঁজি করার এই চেষ্টাকে তিনি পুরোপুরি ক্ষমতার রাজনীতি হিসেবেই আখ্যা দেন।

আপনার মতামত লিখুন

সরেজমিন নিউজ

বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬


১ লাখ লিটার তেল খরচের লংমার্চ ও নতুন শঙ্কা: রাজনীতিতে উত্তেজনা

প্রকাশের তারিখ : ৩০ আগস্ট ২০২৬

featured Image

দেশের বিদ্যমান জ্বালানি সংকটের মধ্যেই এক লাখ লিটার তেল খরচ করে জামায়াতে ইসলামীর ঘোষিত লংমার্চ কর্মসূচি আয়োজনের তীব্র সমালোচনা করেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক বার্তায় তিনি এ নিয়ে বেশ কিছু গুরুতর অভিযোগ উত্থাপন করেন।

রাশেদ খাঁন উল্লেখ করেন, বর্তমান সরকার দায়িত্ব নেওয়ার মাত্র ছয় মাস পেরিয়ে সাত মাসে পা দিতে না দিতেই জামায়াত ক্ষমতায় যাওয়ার জন্য মরিয়া হয়ে উঠেছে। তার মতে, দলটি সরাসরি রাষ্ট্রক্ষমতায় পৌঁছাতে না পারলেও দেশে এক ধরনের অস্থিরতা ও অস্থিতিশীল পরিবেশ তৈরির সক্ষমতা রাখে।

সংকটকালে বিপুল পরিমাণ জ্বালানি খরচের সমালোচনা করে তিনি প্রশ্ন তোলেন, জনস্বার্থ নাকি ক্ষমতার মোহ—কোনটি দলের কাছে মূল অগ্রাধিকার? তিনি আরও আশঙ্কা প্রকাশ করেন যে, জামায়াতের ডাকা এই মাঠপর্যায়ের কর্মসূচির সুবাদে কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষিত দল আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের অনুপ্রবেশ ঘটার সুযোগ তৈরি হচ্ছে।

জামায়াত নেতা ও সাবেক সংসদ সদস্য আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহেরের সাম্প্রতিক বক্তব্য বিশ্লেষণ করে প্রধানমন্ত্রীর এই সহকারী দাবি করেন, কৌশলগত আলোচনার ভিত্তিতে ভবিষ্যতে জামায়াত ও আওয়ামী লীগ একসাথে রাজনৈতিক মাঠে নামতে পারে। তার মতে, এই লংমার্চ প্রকারান্তরে আওয়ামী লীগের মাঠে ফেরার পথই সুগম করে দিচ্ছে।

৭১ ও ২৪-এর ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট টেনে তিনি আরও মন্তব্য করেন, জাতীয় সংকট সমাধান তাদের লক্ষ্য নয়; বরং ক্ষমতার স্বার্থে দুই বিপরীত মেরুর রাজনৈতিক দল একজোট হওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে। ১ লাখ লিটার তেল খরচ করে জাতীয় সংকটকে পুঁজি করার এই চেষ্টাকে তিনি পুরোপুরি ক্ষমতার রাজনীতি হিসেবেই আখ্যা দেন।


সরেজমিন নিউজ


কপিরাইট © ২০২৬ সরেজমিন নিউজ । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত