তীব্র জ্বালানি সংকটের কবলে পড়ে বৃহত্তর চট্টগ্রামে বিদ্যুৎ ও গ্যাস সরবরাহ ব্যবস্থা নাজুক হয়ে পড়েছে। অঞ্চলের ২৮টি বিদ্যুৎ উৎপাদনকেন্দ্রের মধ্যে ইতোমধ্যে ৬টির উৎপাদন সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে গেছে এবং জ্বালানি স্বল্পতায় আরও ৭টি কেন্দ্র বন্ধের ঝুঁকিতে রয়েছে। অবশিষ্ট কেন্দ্রগুলোর উৎপাদন ধারণক্ষমতার প্রায় এক-তৃতীয়াংশে নেমে আসায় নগর ও গ্রামে লোডশেডিং তীব্র আকার ধারণ করেছে।
বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (পিডিবি) তথ্য অনুযায়ী, বন্ধ থাকা কেন্দ্রগুলোর মধ্যে রয়েছে হাটহাজারী বিদ্যুৎকেন্দ্র, টেকনাফ সোলার (২০ মেগাওয়াট), কাপ্তাই সোলার (৭.৪ মেগাওয়াট), ইউনাইটেড পাওয়ার (৫০ মেগাওয়াট) এবং রাউজান ১ ও ২ (প্রতিটি ২১০ মেগাওয়াট)। অন্যদিকে আনলিমা এনার্জি (১১৬ মেগাওয়াট), আনোয়ারা ইউনাইটেড (৩০০ মেগাওয়াট), বারাকা (৫০ মেগাওয়াট), বারাকা কর্ণফুলী, জুডিয়াক (৫৪ মেগাওয়াট) এবং জুলদা ১ ও ২ কেন্দ্রে উৎপাদন আশঙ্কাজনকভাবে কমে গেছে।
কাগজে-কলমে পিডিবি পিক আওয়ারে প্রায় ১ হাজার ৬৮ মেগাওয়াট এবং অফ-পিক আওয়ারে ৯৫৮ মেগাওয়াটের চাহিদার বিপরীতে সমপরিমাণ সরবরাহের দাবি করলেও মাঠপর্যায়ের চিত্র সম্পূর্ণ ভিন্ন। নগরে ঘন ঘন বিদ্যুৎ বিভ্রাটের কারণে ওয়াসার পানি সরবরাহ ব্যাহত হচ্ছে এবং উপজেলার গ্রামগুলোতে প্রতিদিন গড়ে ৮ থেকে ১০ ঘণ্টা বিদ্যুৎহীন থাকতে হচ্ছে সাধারণ মানুষকে।
বিদ্যুতের পাশাপাশি গ্যাস সংকটের কারণে শিল্প খাতেও স্থবিরতা নেমে এসেছে। দৈনিক প্রায় ৪৫ এমএমসিএফডি গ্যাসের অভাবে চিটাগাং ইউরিয়া ফার্টিলাইজার লিমিটেডের (সিইউএফএল) সার উৎপাদন বিগত প্রায় সাড়ে পাঁচ মাস ধরে পুরোপুরি বন্ধ রয়েছে। সংকট নিরসনে দ্রুত জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করা না গেলে বিদ্যুৎ ও উৎপাদন খাত আরও বড় বিপর্যয়ের মুখে পড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
.png)
বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ আগস্ট ২০২৬
তীব্র জ্বালানি সংকটের কবলে পড়ে বৃহত্তর চট্টগ্রামে বিদ্যুৎ ও গ্যাস সরবরাহ ব্যবস্থা নাজুক হয়ে পড়েছে। অঞ্চলের ২৮টি বিদ্যুৎ উৎপাদনকেন্দ্রের মধ্যে ইতোমধ্যে ৬টির উৎপাদন সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে গেছে এবং জ্বালানি স্বল্পতায় আরও ৭টি কেন্দ্র বন্ধের ঝুঁকিতে রয়েছে। অবশিষ্ট কেন্দ্রগুলোর উৎপাদন ধারণক্ষমতার প্রায় এক-তৃতীয়াংশে নেমে আসায় নগর ও গ্রামে লোডশেডিং তীব্র আকার ধারণ করেছে।
বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (পিডিবি) তথ্য অনুযায়ী, বন্ধ থাকা কেন্দ্রগুলোর মধ্যে রয়েছে হাটহাজারী বিদ্যুৎকেন্দ্র, টেকনাফ সোলার (২০ মেগাওয়াট), কাপ্তাই সোলার (৭.৪ মেগাওয়াট), ইউনাইটেড পাওয়ার (৫০ মেগাওয়াট) এবং রাউজান ১ ও ২ (প্রতিটি ২১০ মেগাওয়াট)। অন্যদিকে আনলিমা এনার্জি (১১৬ মেগাওয়াট), আনোয়ারা ইউনাইটেড (৩০০ মেগাওয়াট), বারাকা (৫০ মেগাওয়াট), বারাকা কর্ণফুলী, জুডিয়াক (৫৪ মেগাওয়াট) এবং জুলদা ১ ও ২ কেন্দ্রে উৎপাদন আশঙ্কাজনকভাবে কমে গেছে।
কাগজে-কলমে পিডিবি পিক আওয়ারে প্রায় ১ হাজার ৬৮ মেগাওয়াট এবং অফ-পিক আওয়ারে ৯৫৮ মেগাওয়াটের চাহিদার বিপরীতে সমপরিমাণ সরবরাহের দাবি করলেও মাঠপর্যায়ের চিত্র সম্পূর্ণ ভিন্ন। নগরে ঘন ঘন বিদ্যুৎ বিভ্রাটের কারণে ওয়াসার পানি সরবরাহ ব্যাহত হচ্ছে এবং উপজেলার গ্রামগুলোতে প্রতিদিন গড়ে ৮ থেকে ১০ ঘণ্টা বিদ্যুৎহীন থাকতে হচ্ছে সাধারণ মানুষকে।
বিদ্যুতের পাশাপাশি গ্যাস সংকটের কারণে শিল্প খাতেও স্থবিরতা নেমে এসেছে। দৈনিক প্রায় ৪৫ এমএমসিএফডি গ্যাসের অভাবে চিটাগাং ইউরিয়া ফার্টিলাইজার লিমিটেডের (সিইউএফএল) সার উৎপাদন বিগত প্রায় সাড়ে পাঁচ মাস ধরে পুরোপুরি বন্ধ রয়েছে। সংকট নিরসনে দ্রুত জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করা না গেলে বিদ্যুৎ ও উৎপাদন খাত আরও বড় বিপর্যয়ের মুখে পড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
.png)
আপনার মতামত লিখুন