কোরবানির পশুর চামড়া সংরক্ষণের জন্য সরকারের বরাদ্দ দেওয়া লবণ গোপনে বিক্রির চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে রাজশাহীর দুর্গাপুরের একটি কওমি মাদ্রাসার সুপারের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় স্থানীয় লোকজন তাঁকে আটক করার পর ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার রাতে উপজেলার পালশা নতুন হাট এলাকার মদিনাতুল উলুম কওমি হাফিজিয়া মাদ্রাসা অ্যান্ড কিন্ডারগার্টেনে এ ঘটনা ঘটে।
ভ্রাম্যমাণ আদালত ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কোরবানির সময় স্থানীয় বাসিন্দারা পশুর চামড়া মাদ্রাসাটিতে দান করেন। এসব চামড়া সংরক্ষণ ও প্রক্রিয়াজাত করার জন্য সরকার প্রতিষ্ঠানটিকে লবণ বরাদ্দ দেয়। মাদ্রাসায় অব্যবহৃত থাকা ওই লবণের মধ্যে ৩৬ বস্তা গোপনে বিক্রির চেষ্টা করা হচ্ছিল বলে অভিযোগ ওঠে।
বিষয়টি স্থানীয় লোকজনের নজরে এলে মাদ্রাসার সুপার জাহিদ হাসানকে তাঁরা আটক করে রাখেন। পরে খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যান উপজেলা সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট লায়লা নূর তানজু।
সেখানে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯-এর ৪৫ ধারায় জাহিদ হাসানকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। জরিমানার অর্থ পরিশোধে ব্যর্থ হলে এক মাসের কারাদণ্ড ভোগের নির্দেশ দেওয়া হয়।
ভ্রাম্যমাণ আদালতের সময় জাহিদ হাসানের কাছে জরিমানার টাকা না থাকায় তাঁকে কারাদণ্ড কার্যকরের জন্য থানায় নেওয়া হয়। পরে তাঁর পরিবারের সদস্যরা জরিমানার টাকা নিয়ে থানায় গেলে তা আদায় করা হয়। এরপর তাঁকে ছেড়ে দেওয়া হয়।
এদিকে, সরকারি বরাদ্দের ওই ৩৬ বস্তা লবণ মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষের কাছেই তালাবদ্ধ অবস্থায় রাখা হয়েছে। পরবর্তী সময়ে লবণগুলোর বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সিদ্ধান্ত নেবেন বলে জানিয়েছেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট লায়লা নূর তানজু।
.png)
বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৮ আগস্ট ২০২৬
কোরবানির পশুর চামড়া সংরক্ষণের জন্য সরকারের বরাদ্দ দেওয়া লবণ গোপনে বিক্রির চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে রাজশাহীর দুর্গাপুরের একটি কওমি মাদ্রাসার সুপারের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় স্থানীয় লোকজন তাঁকে আটক করার পর ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার রাতে উপজেলার পালশা নতুন হাট এলাকার মদিনাতুল উলুম কওমি হাফিজিয়া মাদ্রাসা অ্যান্ড কিন্ডারগার্টেনে এ ঘটনা ঘটে।
ভ্রাম্যমাণ আদালত ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কোরবানির সময় স্থানীয় বাসিন্দারা পশুর চামড়া মাদ্রাসাটিতে দান করেন। এসব চামড়া সংরক্ষণ ও প্রক্রিয়াজাত করার জন্য সরকার প্রতিষ্ঠানটিকে লবণ বরাদ্দ দেয়। মাদ্রাসায় অব্যবহৃত থাকা ওই লবণের মধ্যে ৩৬ বস্তা গোপনে বিক্রির চেষ্টা করা হচ্ছিল বলে অভিযোগ ওঠে।
বিষয়টি স্থানীয় লোকজনের নজরে এলে মাদ্রাসার সুপার জাহিদ হাসানকে তাঁরা আটক করে রাখেন। পরে খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যান উপজেলা সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট লায়লা নূর তানজু।
সেখানে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯-এর ৪৫ ধারায় জাহিদ হাসানকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। জরিমানার অর্থ পরিশোধে ব্যর্থ হলে এক মাসের কারাদণ্ড ভোগের নির্দেশ দেওয়া হয়।
ভ্রাম্যমাণ আদালতের সময় জাহিদ হাসানের কাছে জরিমানার টাকা না থাকায় তাঁকে কারাদণ্ড কার্যকরের জন্য থানায় নেওয়া হয়। পরে তাঁর পরিবারের সদস্যরা জরিমানার টাকা নিয়ে থানায় গেলে তা আদায় করা হয়। এরপর তাঁকে ছেড়ে দেওয়া হয়।
এদিকে, সরকারি বরাদ্দের ওই ৩৬ বস্তা লবণ মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষের কাছেই তালাবদ্ধ অবস্থায় রাখা হয়েছে। পরবর্তী সময়ে লবণগুলোর বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সিদ্ধান্ত নেবেন বলে জানিয়েছেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট লায়লা নূর তানজু।
.png)
আপনার মতামত লিখুন