দেশের শিল্পকারখানায় গ্যাস সরবরাহের ঘাটতির প্রভাব এবার নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বাজারেও স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। বিশেষ করে চিনি পরিশোধন ও ভোজ্যতেল প্রক্রিয়াজাতকারী কারখানাগুলোতে উৎপাদন ব্যাহত হওয়ায় সরবরাহব্যবস্থায় চাপ তৈরি হয়েছে। এর প্রভাব পড়েছে পাইকারি ও খুচরা বাজারে। কয়েক দিনের ব্যবধানে চিনির দামও বেড়েছে বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা।
ব্যবসায়ীদের ভাষ্য অনুযায়ী, স্বাভাবিক সময়ের তুলনায় কিছু চিনিকল থেকে সরবরাহ উল্লেখযোগ্য হারে কমে গেছে। কোনো কোনো কারখানা তাদের স্বাভাবিক সক্ষমতার তুলনায় অল্প পরিমাণ পণ্য বাজারে দিতে পারছে। আবার কিছু প্রতিষ্ঠানের সরবরাহ সাময়িকভাবে বন্ধ রয়েছে। ফলে মিলের সামনে পণ্য বোঝাইয়ের অপেক্ষায় ট্রাক দাঁড়িয়ে থাকলেও চাহিদা অনুযায়ী চিনি পাওয়া যাচ্ছে না।
বাংলাদেশ চিনি ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি মো. আবুল হাসেম বলেন, গ্যাসের ঘাটতির কারণে চিনি পরিশোধনকারী কারখানাগুলো পূর্ণ সক্ষমতায় উৎপাদন চালাতে পারছে না। এতে বাজারে চিনির সরবরাহ স্বাভাবিক সময়ের তুলনায় অনেক কমে গেছে। সরবরাহের সংকটের কারণে পাইকারি পর্যায়ে চিনির দামও কিছুটা বেড়েছে।
রাজধানীর বিভিন্ন খুচরা বাজারেও এর প্রভাব দেখা যাচ্ছে। ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, পাইকারি পর্যায়ে বেশি দামে চিনি কিনতে হওয়ায় খুচরা পর্যায়েও দাম সমন্বয় করতে হচ্ছে। কোথাও কোথাও এক সপ্তাহের ব্যবধানে ৫০ কেজির এক বস্তা চিনির দাম কয়েকশ টাকা বেড়েছে।
মোহাম্মদপুর কৃষি মার্কেটের এক খুচরা বিক্রেতা জানান, কিছুদিন আগেও খোলা চিনি প্রতি কেজি প্রায় ১০৫ টাকায় বিক্রি করা সম্ভব হলেও বর্তমানে তা ১১৫ টাকা পর্যন্ত উঠেছে। সরবরাহ স্বাভাবিক না হলে বাজারদর আরও কিছুটা বাড়তে পারে বলেও আশঙ্কা করছেন ব্যবসায়ীরা।
চট্টগ্রামের বৃহৎ পাইকারি বাজার খাতুনগঞ্জেও চিনির দামে ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা দেখা গেছে। ব্যবসায়ীদের হিসাবে, এক সপ্তাহের ব্যবধানে সেখানে প্রতি মণ চিনির দাম প্রায় ১০০ থেকে ১৫০ টাকা বেড়েছে। এর প্রভাব পড়ে নগরের বিভিন্ন খুচরা বাজারেও। খোলা চিনি আগের তুলনায় কয়েক টাকা বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে।
খাতুনগঞ্জের ব্যবসায়ী মীর মোহাম্মদ সাজ্জাদ উল্লাহ জানান, চিনি পরিশোধনকারী প্রতিষ্ঠানগুলো থেকে পর্যাপ্ত সরবরাহ না আসায় পাইকারি বাজারে চাপ তৈরি হয়েছে। তবে প্যাকেটজাত চিনির ক্ষেত্রে এখনো একই মাত্রায় মূল্যবৃদ্ধি দেখা যায়নি।
দেশে চিনি সরবরাহের বড় অংশই আমদানি করা অপরিশোধিত চিনি পরিশোধনের মাধ্যমে পূরণ করা হয়। এ প্রক্রিয়ায় শিল্পকারখানায় নিয়মিত গ্যাস সরবরাহ গুরুত্বপূর্ণ। গ্যাসের চাপ কমে গেলে কারখানার উৎপাদন সক্ষমতা কমে যায়। এর ফলে বাজারে নতুন পণ্য সরবরাহের গতি কমে গিয়ে বিদ্যমান মজুতের ওপর চাপ তৈরি হয়।
দেশের চিনি পরিশোধন খাতে বর্তমানে কয়েকটি বড় শিল্পগোষ্ঠীর ওপর বাজারের বড় অংশ নির্ভরশীল। ফলে এসব প্রতিষ্ঠানের উৎপাদন কার্যক্রমে একযোগে সমস্যা তৈরি হলে বাজারে সরবরাহ সংকট দ্রুত ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা থাকে।
চিনির পাশাপাশি গ্যাস-সংকটের প্রভাব পড়েছে বিভিন্ন খাদ্যপণ্য উৎপাদন ও প্রক্রিয়াজাতকরণ কারখানায়। গম, আটা, ময়দা, সয়াবিনবীজ ও অপরিশোধিত ভোজ্যতেল প্রক্রিয়াজাতের সঙ্গে যুক্ত কিছু শিল্পপ্রতিষ্ঠানও উৎপাদন স্বাভাবিক রাখতে সমস্যায় পড়ছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীরা।
তবে ভোজ্যতেলের বাজারে পরিস্থিতি এখনো তুলনামূলকভাবে নিয়ন্ত্রিত। সয়াবিন তেলের সরবরাহ কিছুটা কমলেও বড় ধরনের মূল্যবৃদ্ধি এখনো হয়নি। অন্যদিকে আন্তর্জাতিক বাজারের পরিস্থিতি এবং স্থানীয় সরবরাহের ওপর ভিত্তি করে পাম তেলের পাইকারি দামে কিছুটা ঊর্ধ্বগতি দেখা গেছে।
মৌলভীবাজার ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি মো. আবুল হাশেম বলেন, কারখানাগুলো পর্যাপ্ত গ্যাস না পাওয়ায় উৎপাদন নিরবচ্ছিন্ন রাখা কঠিন হয়ে পড়েছে। এর প্রভাব পড়ছে মিল থেকে পণ্য সংগ্রহের ক্ষেত্রেও। অনেক সময় ব্যবসায়ীদের গাড়ি নিয়ে মিলের সামনে অপেক্ষা করতে হচ্ছে।
ব্যবসায়ীরা বলছেন, সরবরাহ পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হলে বাজারে মূল্যচাপ আরও বাড়তে পারে। বিশেষ করে চিনির মতো ব্যাপক ব্যবহৃত পণ্যের ক্ষেত্রে উৎপাদন ও সরবরাহে সামান্য ব্যাঘাতও দ্রুত খুচরা বাজারে প্রভাব ফেলে।
ভোক্তারাও ইতোমধ্যে বাড়তি দামের বিষয়টি টের পাচ্ছেন। চট্টগ্রামের গোলপাহাড় এলাকার এক ক্রেতা জানান, কয়েক দিনের ব্যবধানে একই পরিমাণ চিনি কিনতে তাকে আগের চেয়ে বেশি টাকা দিতে হচ্ছে। নিত্যপ্রয়োজনীয় অন্যান্য পণ্যের দামও যদি একই সঙ্গে বাড়তে থাকে, তাহলে পরিবারের মাসিক ব্যয় সামলানো কঠিন হয়ে পড়বে বলে তিনি জানান।
সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, শিল্পকারখানায় গ্যাস সরবরাহ যত দ্রুত স্বাভাবিক করা যাবে, উৎপাদন ও বাজার সরবরাহ তত দ্রুত স্থিতিশীল হবে। একই সঙ্গে বাজারে পর্যাপ্ত মজুত আছে কি না, সরবরাহব্যবস্থায় কোথাও কৃত্রিম সংকট তৈরি হচ্ছে কি না এবং পাইকারি থেকে খুচরা পর্যায়ে অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধি হচ্ছে কি না—এসব বিষয়ও নিয়মিত নজরদারির আওতায় রাখা প্রয়োজন।
চিনি ও অন্যান্য নিত্যপণ্যের বাজার স্থিতিশীল রাখতে উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান, সরবরাহকারী ও সংশ্লিষ্ট সরকারি সংস্থার সমন্বিত উদ্যোগ জরুরি বলে মনে করছেন ব্যবসায়ী ও ভোক্তারা। গ্যাস সরবরাহের সংকট দীর্ঘায়িত হলে শুধু শিল্প উৎপাদন নয়, এর প্রভাব সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন বাজার খরচেও আরও স্পষ্ট হয়ে উঠতে পারে।
.png)
বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ আগস্ট ২০২৬
দেশের শিল্পকারখানায় গ্যাস সরবরাহের ঘাটতির প্রভাব এবার নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বাজারেও স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। বিশেষ করে চিনি পরিশোধন ও ভোজ্যতেল প্রক্রিয়াজাতকারী কারখানাগুলোতে উৎপাদন ব্যাহত হওয়ায় সরবরাহব্যবস্থায় চাপ তৈরি হয়েছে। এর প্রভাব পড়েছে পাইকারি ও খুচরা বাজারে। কয়েক দিনের ব্যবধানে চিনির দামও বেড়েছে বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা।
ব্যবসায়ীদের ভাষ্য অনুযায়ী, স্বাভাবিক সময়ের তুলনায় কিছু চিনিকল থেকে সরবরাহ উল্লেখযোগ্য হারে কমে গেছে। কোনো কোনো কারখানা তাদের স্বাভাবিক সক্ষমতার তুলনায় অল্প পরিমাণ পণ্য বাজারে দিতে পারছে। আবার কিছু প্রতিষ্ঠানের সরবরাহ সাময়িকভাবে বন্ধ রয়েছে। ফলে মিলের সামনে পণ্য বোঝাইয়ের অপেক্ষায় ট্রাক দাঁড়িয়ে থাকলেও চাহিদা অনুযায়ী চিনি পাওয়া যাচ্ছে না।
বাংলাদেশ চিনি ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি মো. আবুল হাসেম বলেন, গ্যাসের ঘাটতির কারণে চিনি পরিশোধনকারী কারখানাগুলো পূর্ণ সক্ষমতায় উৎপাদন চালাতে পারছে না। এতে বাজারে চিনির সরবরাহ স্বাভাবিক সময়ের তুলনায় অনেক কমে গেছে। সরবরাহের সংকটের কারণে পাইকারি পর্যায়ে চিনির দামও কিছুটা বেড়েছে।
রাজধানীর বিভিন্ন খুচরা বাজারেও এর প্রভাব দেখা যাচ্ছে। ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, পাইকারি পর্যায়ে বেশি দামে চিনি কিনতে হওয়ায় খুচরা পর্যায়েও দাম সমন্বয় করতে হচ্ছে। কোথাও কোথাও এক সপ্তাহের ব্যবধানে ৫০ কেজির এক বস্তা চিনির দাম কয়েকশ টাকা বেড়েছে।
মোহাম্মদপুর কৃষি মার্কেটের এক খুচরা বিক্রেতা জানান, কিছুদিন আগেও খোলা চিনি প্রতি কেজি প্রায় ১০৫ টাকায় বিক্রি করা সম্ভব হলেও বর্তমানে তা ১১৫ টাকা পর্যন্ত উঠেছে। সরবরাহ স্বাভাবিক না হলে বাজারদর আরও কিছুটা বাড়তে পারে বলেও আশঙ্কা করছেন ব্যবসায়ীরা।
চট্টগ্রামের বৃহৎ পাইকারি বাজার খাতুনগঞ্জেও চিনির দামে ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা দেখা গেছে। ব্যবসায়ীদের হিসাবে, এক সপ্তাহের ব্যবধানে সেখানে প্রতি মণ চিনির দাম প্রায় ১০০ থেকে ১৫০ টাকা বেড়েছে। এর প্রভাব পড়ে নগরের বিভিন্ন খুচরা বাজারেও। খোলা চিনি আগের তুলনায় কয়েক টাকা বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে।
খাতুনগঞ্জের ব্যবসায়ী মীর মোহাম্মদ সাজ্জাদ উল্লাহ জানান, চিনি পরিশোধনকারী প্রতিষ্ঠানগুলো থেকে পর্যাপ্ত সরবরাহ না আসায় পাইকারি বাজারে চাপ তৈরি হয়েছে। তবে প্যাকেটজাত চিনির ক্ষেত্রে এখনো একই মাত্রায় মূল্যবৃদ্ধি দেখা যায়নি।
দেশে চিনি সরবরাহের বড় অংশই আমদানি করা অপরিশোধিত চিনি পরিশোধনের মাধ্যমে পূরণ করা হয়। এ প্রক্রিয়ায় শিল্পকারখানায় নিয়মিত গ্যাস সরবরাহ গুরুত্বপূর্ণ। গ্যাসের চাপ কমে গেলে কারখানার উৎপাদন সক্ষমতা কমে যায়। এর ফলে বাজারে নতুন পণ্য সরবরাহের গতি কমে গিয়ে বিদ্যমান মজুতের ওপর চাপ তৈরি হয়।
দেশের চিনি পরিশোধন খাতে বর্তমানে কয়েকটি বড় শিল্পগোষ্ঠীর ওপর বাজারের বড় অংশ নির্ভরশীল। ফলে এসব প্রতিষ্ঠানের উৎপাদন কার্যক্রমে একযোগে সমস্যা তৈরি হলে বাজারে সরবরাহ সংকট দ্রুত ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা থাকে।
চিনির পাশাপাশি গ্যাস-সংকটের প্রভাব পড়েছে বিভিন্ন খাদ্যপণ্য উৎপাদন ও প্রক্রিয়াজাতকরণ কারখানায়। গম, আটা, ময়দা, সয়াবিনবীজ ও অপরিশোধিত ভোজ্যতেল প্রক্রিয়াজাতের সঙ্গে যুক্ত কিছু শিল্পপ্রতিষ্ঠানও উৎপাদন স্বাভাবিক রাখতে সমস্যায় পড়ছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীরা।
তবে ভোজ্যতেলের বাজারে পরিস্থিতি এখনো তুলনামূলকভাবে নিয়ন্ত্রিত। সয়াবিন তেলের সরবরাহ কিছুটা কমলেও বড় ধরনের মূল্যবৃদ্ধি এখনো হয়নি। অন্যদিকে আন্তর্জাতিক বাজারের পরিস্থিতি এবং স্থানীয় সরবরাহের ওপর ভিত্তি করে পাম তেলের পাইকারি দামে কিছুটা ঊর্ধ্বগতি দেখা গেছে।
মৌলভীবাজার ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি মো. আবুল হাশেম বলেন, কারখানাগুলো পর্যাপ্ত গ্যাস না পাওয়ায় উৎপাদন নিরবচ্ছিন্ন রাখা কঠিন হয়ে পড়েছে। এর প্রভাব পড়ছে মিল থেকে পণ্য সংগ্রহের ক্ষেত্রেও। অনেক সময় ব্যবসায়ীদের গাড়ি নিয়ে মিলের সামনে অপেক্ষা করতে হচ্ছে।
ব্যবসায়ীরা বলছেন, সরবরাহ পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হলে বাজারে মূল্যচাপ আরও বাড়তে পারে। বিশেষ করে চিনির মতো ব্যাপক ব্যবহৃত পণ্যের ক্ষেত্রে উৎপাদন ও সরবরাহে সামান্য ব্যাঘাতও দ্রুত খুচরা বাজারে প্রভাব ফেলে।
ভোক্তারাও ইতোমধ্যে বাড়তি দামের বিষয়টি টের পাচ্ছেন। চট্টগ্রামের গোলপাহাড় এলাকার এক ক্রেতা জানান, কয়েক দিনের ব্যবধানে একই পরিমাণ চিনি কিনতে তাকে আগের চেয়ে বেশি টাকা দিতে হচ্ছে। নিত্যপ্রয়োজনীয় অন্যান্য পণ্যের দামও যদি একই সঙ্গে বাড়তে থাকে, তাহলে পরিবারের মাসিক ব্যয় সামলানো কঠিন হয়ে পড়বে বলে তিনি জানান।
সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, শিল্পকারখানায় গ্যাস সরবরাহ যত দ্রুত স্বাভাবিক করা যাবে, উৎপাদন ও বাজার সরবরাহ তত দ্রুত স্থিতিশীল হবে। একই সঙ্গে বাজারে পর্যাপ্ত মজুত আছে কি না, সরবরাহব্যবস্থায় কোথাও কৃত্রিম সংকট তৈরি হচ্ছে কি না এবং পাইকারি থেকে খুচরা পর্যায়ে অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধি হচ্ছে কি না—এসব বিষয়ও নিয়মিত নজরদারির আওতায় রাখা প্রয়োজন।
চিনি ও অন্যান্য নিত্যপণ্যের বাজার স্থিতিশীল রাখতে উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান, সরবরাহকারী ও সংশ্লিষ্ট সরকারি সংস্থার সমন্বিত উদ্যোগ জরুরি বলে মনে করছেন ব্যবসায়ী ও ভোক্তারা। গ্যাস সরবরাহের সংকট দীর্ঘায়িত হলে শুধু শিল্প উৎপাদন নয়, এর প্রভাব সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন বাজার খরচেও আরও স্পষ্ট হয়ে উঠতে পারে।
.png)
আপনার মতামত লিখুন