রাজধানীর কলাবাগানে নিজ বাসা থেকে নটরডেম কলেজের সাবেক শিক্ষক ধীরেন্দ্র কুমার রায়ের (৭১) ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। সোমবার সকালে গ্রিন রোডের একটি বাসায় এ ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও পরিবারের সদস্যদের তথ্য অনুযায়ী, সকালে ধীরেন্দ্র কুমার রায়ের মেয়ে তাঁকে বাসার ভেতরে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান। পরে প্রতিবেশীদের সহায়তায় তাঁকে দ্রুত উদ্ধার করে গ্রিন লাইফ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসকেরা পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর সকাল সোয়া ৯টার দিকে তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।
কলাবাগান থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আতিকুর রহমান জানান, ধীরেন্দ্র কুমার রায়কে উদ্ধারের পর হাসপাতালে নেওয়া হয়েছিল। পরিবারের পক্ষ থেকে পুলিশকে জানানো হয়েছে, তিনি নিজেই এমন পদক্ষেপ নিয়েছেন।
পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার সময় ধীরেন্দ্র কুমার রায়ের স্ত্রী দীপালী রায় কর্মস্থলে ছিলেন। তিনি একটি স্কুলে শিক্ষকতা করেন। সকালে তিনি স্কুলে যাওয়ার পর মেয়েও বাসায় ঘুমিয়ে ছিলেন। পরে মেয়েই তাঁর বাবাকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান বলে পুলিশকে জানানো হয়েছে।
পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, পরিবারের সদস্যরা জানিয়েছেন, ২০২৫ সাল থেকে ধীরেন্দ্র কুমার রায় মানসিক সমস্যাসহ বিভিন্ন শারীরিক অসুস্থতায় ভুগছিলেন। তাঁর চিকিৎসা চলছিল কি না, সে বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।
ধীরেন্দ্র কুমার রায় দীর্ঘদিন নটরডেম কলেজে শিক্ষকতা করেছেন। অবসর জীবনে তিনি পরিবারের সঙ্গে রাজধানীর গ্রিন রোডের বাসায় থাকতেন।
নিহতের গ্রামের বাড়ি মানিকগঞ্জ সদর উপজেলায়। সেখানে বনগ্রাম আবাসিক এলাকায় তাঁদের নিজস্ব বাড়ি রয়েছে।
ঘটনার পর পুলিশ প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া শুরু করেছে। মৃত্যুর সঠিক কারণ নিশ্চিত করতে পরবর্তী আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করা হচ্ছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্টরা।
.png)
বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ আগস্ট ২০২৬
রাজধানীর কলাবাগানে নিজ বাসা থেকে নটরডেম কলেজের সাবেক শিক্ষক ধীরেন্দ্র কুমার রায়ের (৭১) ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। সোমবার সকালে গ্রিন রোডের একটি বাসায় এ ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও পরিবারের সদস্যদের তথ্য অনুযায়ী, সকালে ধীরেন্দ্র কুমার রায়ের মেয়ে তাঁকে বাসার ভেতরে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান। পরে প্রতিবেশীদের সহায়তায় তাঁকে দ্রুত উদ্ধার করে গ্রিন লাইফ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসকেরা পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর সকাল সোয়া ৯টার দিকে তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।
কলাবাগান থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আতিকুর রহমান জানান, ধীরেন্দ্র কুমার রায়কে উদ্ধারের পর হাসপাতালে নেওয়া হয়েছিল। পরিবারের পক্ষ থেকে পুলিশকে জানানো হয়েছে, তিনি নিজেই এমন পদক্ষেপ নিয়েছেন।
পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার সময় ধীরেন্দ্র কুমার রায়ের স্ত্রী দীপালী রায় কর্মস্থলে ছিলেন। তিনি একটি স্কুলে শিক্ষকতা করেন। সকালে তিনি স্কুলে যাওয়ার পর মেয়েও বাসায় ঘুমিয়ে ছিলেন। পরে মেয়েই তাঁর বাবাকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান বলে পুলিশকে জানানো হয়েছে।
পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, পরিবারের সদস্যরা জানিয়েছেন, ২০২৫ সাল থেকে ধীরেন্দ্র কুমার রায় মানসিক সমস্যাসহ বিভিন্ন শারীরিক অসুস্থতায় ভুগছিলেন। তাঁর চিকিৎসা চলছিল কি না, সে বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।
ধীরেন্দ্র কুমার রায় দীর্ঘদিন নটরডেম কলেজে শিক্ষকতা করেছেন। অবসর জীবনে তিনি পরিবারের সঙ্গে রাজধানীর গ্রিন রোডের বাসায় থাকতেন।
নিহতের গ্রামের বাড়ি মানিকগঞ্জ সদর উপজেলায়। সেখানে বনগ্রাম আবাসিক এলাকায় তাঁদের নিজস্ব বাড়ি রয়েছে।
ঘটনার পর পুলিশ প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া শুরু করেছে। মৃত্যুর সঠিক কারণ নিশ্চিত করতে পরবর্তী আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করা হচ্ছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্টরা।
.png)
আপনার মতামত লিখুন