কূটনৈতিক সমঝোতা না হওয়া এবং মধ্যপ্রাচ্যে সামরিক উত্তেজনা বৃদ্ধির কারণে বিশ্ব জ্বালানি সরবরাহের প্রধান নৌপথ ‘হরমুজ প্রণালি’ ঘিরে তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে। এর সরাসরি প্রভাবে বৈশ্বিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম এক লাফে আশঙ্কাজনকভাবে বেড়েছে। গত ১৭ ও ১৮ আগস্ট (২০২৬) থেকে তেলের দামে এই ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা তীব্র রূপ নেয়, যা গত জুলাই মাসের পর সর্বোচ্চ স্তরে পৌঁছেছে।
জ্বালানি বিশেষজ্ঞদের মতে, ইরান ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার ৬০ দিনের কূটনৈতিক চুক্তিটি ১৮ আগস্ট কোনো সমঝোতা ছাড়াই শেষ হয়। একই সঙ্গে আঞ্চলিক সামরিক শক্তিগুলোর পাল্টাপাল্টি হুঁশিয়ারির পর হরমুজ প্রণালি দিয়ে বাণিজ্যিক জাহাজ ও তেলবাহী ট্যাংকার চলাচল নাটকীয়ভাবে কমে যায়। চুক্তি ভঙ্গ ও অচলাবস্থার সরাসরি প্রভাবে আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতি ব্যারেল ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ৯১ ডলার এবং মার্কিন ডব্লিউটিআই ক্রুডের দাম ৮৫ ডলার ছাড়িয়ে গেছে।
বিশ্বের মোট সেবোর্ন (নৌপথে বাহিত) তেলের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ (২০ শতাংশ) এবং তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসের (এলএনজি) একটি বড় অংশই এই সংকীর্ণ হরমুজ প্রণালি দিয়ে পরিবাহিত হয়। ঝুঁকিপূর্ণ পরিস্থিতির কারণে শিপিং কোম্পানিগুলো বাধ্য হয়ে রুট পরিবর্তন করছে অথবা অতিরিক্ত সামুদ্রিক বীমা প্রিমিয়াম গুনছে।
বিশ্ব ব্যাংক ও আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) এই সরবরাহ সংকটকে বিশ্ব অর্থনীতির জন্য একটি ‘বড় হুমকি’ হিসেবে চিহ্নিত করেছে। অর্থনীতিবিদরা সতর্ক করে বলেছেন, সরবরাহ শৃঙ্খল ভেঙে পড়ে উৎপাদন ও পরিবহন ব্যয় বহুগুণ বেড়ে গেলে খাদ্য ও নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বাজারে অনিয়ন্ত্রিত মূল্যস্ফীতি দেখা দেবে। ফলে ইউক্রেন যুদ্ধের পর স্থির হতে থাকা বৈশ্বিক অর্থনীতিতে নতুন করে ‘স্ট্যাগফ্লেশন’ বা মন্দা ও মূল্যস্ফীতির দ্বিমুখী সংকট তৈরির চরম আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
.png)
বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৮ আগস্ট ২০২৬
কূটনৈতিক সমঝোতা না হওয়া এবং মধ্যপ্রাচ্যে সামরিক উত্তেজনা বৃদ্ধির কারণে বিশ্ব জ্বালানি সরবরাহের প্রধান নৌপথ ‘হরমুজ প্রণালি’ ঘিরে তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে। এর সরাসরি প্রভাবে বৈশ্বিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম এক লাফে আশঙ্কাজনকভাবে বেড়েছে। গত ১৭ ও ১৮ আগস্ট (২০২৬) থেকে তেলের দামে এই ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা তীব্র রূপ নেয়, যা গত জুলাই মাসের পর সর্বোচ্চ স্তরে পৌঁছেছে।
জ্বালানি বিশেষজ্ঞদের মতে, ইরান ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার ৬০ দিনের কূটনৈতিক চুক্তিটি ১৮ আগস্ট কোনো সমঝোতা ছাড়াই শেষ হয়। একই সঙ্গে আঞ্চলিক সামরিক শক্তিগুলোর পাল্টাপাল্টি হুঁশিয়ারির পর হরমুজ প্রণালি দিয়ে বাণিজ্যিক জাহাজ ও তেলবাহী ট্যাংকার চলাচল নাটকীয়ভাবে কমে যায়। চুক্তি ভঙ্গ ও অচলাবস্থার সরাসরি প্রভাবে আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতি ব্যারেল ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ৯১ ডলার এবং মার্কিন ডব্লিউটিআই ক্রুডের দাম ৮৫ ডলার ছাড়িয়ে গেছে।
বিশ্বের মোট সেবোর্ন (নৌপথে বাহিত) তেলের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ (২০ শতাংশ) এবং তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসের (এলএনজি) একটি বড় অংশই এই সংকীর্ণ হরমুজ প্রণালি দিয়ে পরিবাহিত হয়। ঝুঁকিপূর্ণ পরিস্থিতির কারণে শিপিং কোম্পানিগুলো বাধ্য হয়ে রুট পরিবর্তন করছে অথবা অতিরিক্ত সামুদ্রিক বীমা প্রিমিয়াম গুনছে।
বিশ্ব ব্যাংক ও আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) এই সরবরাহ সংকটকে বিশ্ব অর্থনীতির জন্য একটি ‘বড় হুমকি’ হিসেবে চিহ্নিত করেছে। অর্থনীতিবিদরা সতর্ক করে বলেছেন, সরবরাহ শৃঙ্খল ভেঙে পড়ে উৎপাদন ও পরিবহন ব্যয় বহুগুণ বেড়ে গেলে খাদ্য ও নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বাজারে অনিয়ন্ত্রিত মূল্যস্ফীতি দেখা দেবে। ফলে ইউক্রেন যুদ্ধের পর স্থির হতে থাকা বৈশ্বিক অর্থনীতিতে নতুন করে ‘স্ট্যাগফ্লেশন’ বা মন্দা ও মূল্যস্ফীতির দ্বিমুখী সংকট তৈরির চরম আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
.png)
আপনার মতামত লিখুন