পড়াশোনায় ব্যাঘাত ঘটার প্রতিবাদে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা পুলিশ লাইন্সে আয়োজিত এক সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে মাদরাসা শিক্ষার্থীদের বাধা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। একপর্যায়ে উত্তপ্ত পরিস্থিতি সামাল দিতে পুলিশ লাঠিচার্জ করলে অন্তত ২০ জন শিক্ষার্থী আহত হন।
মঙ্গলবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে শহরের পশ্চিম মেড্ডা এলাকার পুলিশ লাইন্স প্রাঙ্গণে এই অপ্রীতিকর ঘটনাটি ঘটে। পরে আহতদের চিকিৎসার জন্য ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রের তথ্যমতে, চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি আব্দুল কুদ্দুছ চৌধুরীর আগমন উপলক্ষে জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে এই বিনোদনমূলক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছিল। ডিআইজি প্রস্থান করার পরও গভীর রাত পর্যন্ত উচ্চশব্দে গান বাজানো হচ্ছিল বলে দাবি করে পার্শ্ববর্তী ‘জামিয়া দারুল আরকাম আল-ইসলামিয়া’ মাদরাসার শিক্ষার্থীরা এবং পরীক্ষার প্রস্তুতিতে মারাত্মক বিঘ্ন ঘটে বলে বাধা প্রদান করে।
শিক্ষার্থীরা জানান, পরদিন পরীক্ষা থাকায় তারা প্রথমে পুলিশ লাইন্সে গিয়ে সাউন্ড বক্সের আওয়াজ কমানোর বিনীত অনুরোধ জানান। আয়োজকরা সাময়িকভাবে শব্দ কমালেও কিছুক্ষণ পর আবারও উচ্চ শব্দে গান বাজানো শুরু হয়। এরপর ক্ষুব্ধ শতাধিক শিক্ষার্থী পুনারায় পুলিশ লাইন্সে প্রবেশ করলে উভয়পক্ষের মধ্যে তীব্র তর্কাতর্কি ও ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে অনুষ্ঠান পণ্ড হয়ে যায় এবং পুলিশ লাঠিচার্জ চালিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়লে তাৎক্ষণিকভাবে জামিয়া দারুল আরকাম আল-ইসলামিয়ার প্রতিষ্ঠাতা ও হেফাজতে ইসলামের নেতা সাজিদুর রহমানের সঙ্গে জরুরি বৈঠকে বসেন জেলা পুলিশ সুপার শাহ মো. আব্দুর রউফ।
বৈঠকে শিক্ষার্থীদের প্রতিনিধিরা তিনটি সুনির্দিষ্ট দাবি উত্থাপন করেন—ভবিষ্যতে পুলিশ লাইন্সে যেকোনো ধরনের গানবাজনা স্থায়ীভাবে বন্ধ করা, আহতদের চিকিৎসার দায়ভার নেওয়া এবং লাঠিচার্জের ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে দায়ী পুলিশ সদস্যদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা। দাবি পূরণ না হলে কঠোর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তারা। তবে উদ্ভূত পরিস্থিতি নিয়ে জেলা পুলিশ সুপারের মন্তব্য পাওয়ার চেষ্টা করা হলেও তার কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
.png)
বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৯ আগস্ট ২০২৬
পড়াশোনায় ব্যাঘাত ঘটার প্রতিবাদে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা পুলিশ লাইন্সে আয়োজিত এক সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে মাদরাসা শিক্ষার্থীদের বাধা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। একপর্যায়ে উত্তপ্ত পরিস্থিতি সামাল দিতে পুলিশ লাঠিচার্জ করলে অন্তত ২০ জন শিক্ষার্থী আহত হন।
মঙ্গলবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে শহরের পশ্চিম মেড্ডা এলাকার পুলিশ লাইন্স প্রাঙ্গণে এই অপ্রীতিকর ঘটনাটি ঘটে। পরে আহতদের চিকিৎসার জন্য ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রের তথ্যমতে, চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি আব্দুল কুদ্দুছ চৌধুরীর আগমন উপলক্ষে জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে এই বিনোদনমূলক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছিল। ডিআইজি প্রস্থান করার পরও গভীর রাত পর্যন্ত উচ্চশব্দে গান বাজানো হচ্ছিল বলে দাবি করে পার্শ্ববর্তী ‘জামিয়া দারুল আরকাম আল-ইসলামিয়া’ মাদরাসার শিক্ষার্থীরা এবং পরীক্ষার প্রস্তুতিতে মারাত্মক বিঘ্ন ঘটে বলে বাধা প্রদান করে।
শিক্ষার্থীরা জানান, পরদিন পরীক্ষা থাকায় তারা প্রথমে পুলিশ লাইন্সে গিয়ে সাউন্ড বক্সের আওয়াজ কমানোর বিনীত অনুরোধ জানান। আয়োজকরা সাময়িকভাবে শব্দ কমালেও কিছুক্ষণ পর আবারও উচ্চ শব্দে গান বাজানো শুরু হয়। এরপর ক্ষুব্ধ শতাধিক শিক্ষার্থী পুনারায় পুলিশ লাইন্সে প্রবেশ করলে উভয়পক্ষের মধ্যে তীব্র তর্কাতর্কি ও ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে অনুষ্ঠান পণ্ড হয়ে যায় এবং পুলিশ লাঠিচার্জ চালিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়লে তাৎক্ষণিকভাবে জামিয়া দারুল আরকাম আল-ইসলামিয়ার প্রতিষ্ঠাতা ও হেফাজতে ইসলামের নেতা সাজিদুর রহমানের সঙ্গে জরুরি বৈঠকে বসেন জেলা পুলিশ সুপার শাহ মো. আব্দুর রউফ।
বৈঠকে শিক্ষার্থীদের প্রতিনিধিরা তিনটি সুনির্দিষ্ট দাবি উত্থাপন করেন—ভবিষ্যতে পুলিশ লাইন্সে যেকোনো ধরনের গানবাজনা স্থায়ীভাবে বন্ধ করা, আহতদের চিকিৎসার দায়ভার নেওয়া এবং লাঠিচার্জের ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে দায়ী পুলিশ সদস্যদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা। দাবি পূরণ না হলে কঠোর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তারা। তবে উদ্ভূত পরিস্থিতি নিয়ে জেলা পুলিশ সুপারের মন্তব্য পাওয়ার চেষ্টা করা হলেও তার কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
.png)
আপনার মতামত লিখুন