রাজধানীর সবুজবাগে তরুণী ছুরাইয়া আক্তার ওরফে ফালানীর খণ্ডিত লাশ উদ্ধারের ঘটনায় দায়ের করা মামলায় আরও দুজনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য রিমান্ডে নেওয়ার অনুমতি দিয়েছেন আদালত।
আসামিরা হলেন ফালানীর বান্ধবী নুসরাত জাহান সাহিদার স্বামী মনজুরুল ইসলাম রাব্বী ও তাঁর সহযোগী শাওন। বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মেহেদী হাসানের আদালত তাঁদের প্রত্যেকের চার দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
আদালতসংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, বুধবার রাতে সবুজবাগ এলাকা থেকে রাব্বী ও শাওনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পরদিন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সবুজবাগ থানার উপপরিদর্শক নূরে আলম সিদ্দিকী তাঁদের আদালতে হাজির করে ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন করেন।
আসামিদের আইনজীবী খলিলুর রহমান (আসাদ) রিমান্ডের বিরোধিতা করে জামিনের আবেদন করেন। উভয় পক্ষের শুনানি শেষে আদালত প্রত্যেকের চার দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
মামলার সূত্রে জানা যায়, গত ৬ আগস্ট সবুজবাগের মাদারটেক বাগানবাড়ি এলাকার একটি গরুর খামারের পাশের সেতুর নিচ থেকে একটি খণ্ডিত মাথা ও দুই হাত উদ্ধার করে পুলিশ। পরে ছবি দেখে উদ্ধার হওয়া দেহাংশগুলো ফালানীর বলে শনাক্ত করেন তাঁর মা-বাবা।
১৯ বছর বয়সী ফালানী মুন্সীগঞ্জের ঢালীকান্দি গ্রামের বজলুল ব্যাপারীর মেয়ে। দেহাংশ উদ্ধারের দিনই অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিদের আসামি করে সবুজবাগ থানায় হত্যা মামলা করেন পুলিশের উপপরিদর্শক রাশেদুল হাসান।
ঘটনাটি তদন্তে নেমে পুলিশ হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে কয়েকজনের সম্পৃক্ততার তথ্য পাওয়ার দাবি করে। এরই ধারাবাহিকতায় গত ২১ আগস্ট ফালানীর বান্ধবী সাহিদাসহ ফারুক, সুজন, মামুন ও বাপ্পিকে গ্রেপ্তার করা হয়।
এবার সাহিদার স্বামী রাব্বী ও তাঁর সহযোগী শাওনকে গ্রেপ্তার করে রিমান্ডে নেওয়া হলো। তাঁদের জিজ্ঞাসাবাদের মাধ্যমে হত্যাকাণ্ডের কারণ ও এর সঙ্গে জড়িত অন্যদের বিষয়ে তথ্য পাওয়ার চেষ্টা করা হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
.png)
বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৭ আগস্ট ২০২৬
রাজধানীর সবুজবাগে তরুণী ছুরাইয়া আক্তার ওরফে ফালানীর খণ্ডিত লাশ উদ্ধারের ঘটনায় দায়ের করা মামলায় আরও দুজনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য রিমান্ডে নেওয়ার অনুমতি দিয়েছেন আদালত।
আসামিরা হলেন ফালানীর বান্ধবী নুসরাত জাহান সাহিদার স্বামী মনজুরুল ইসলাম রাব্বী ও তাঁর সহযোগী শাওন। বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মেহেদী হাসানের আদালত তাঁদের প্রত্যেকের চার দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
আদালতসংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, বুধবার রাতে সবুজবাগ এলাকা থেকে রাব্বী ও শাওনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পরদিন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সবুজবাগ থানার উপপরিদর্শক নূরে আলম সিদ্দিকী তাঁদের আদালতে হাজির করে ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন করেন।
আসামিদের আইনজীবী খলিলুর রহমান (আসাদ) রিমান্ডের বিরোধিতা করে জামিনের আবেদন করেন। উভয় পক্ষের শুনানি শেষে আদালত প্রত্যেকের চার দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
মামলার সূত্রে জানা যায়, গত ৬ আগস্ট সবুজবাগের মাদারটেক বাগানবাড়ি এলাকার একটি গরুর খামারের পাশের সেতুর নিচ থেকে একটি খণ্ডিত মাথা ও দুই হাত উদ্ধার করে পুলিশ। পরে ছবি দেখে উদ্ধার হওয়া দেহাংশগুলো ফালানীর বলে শনাক্ত করেন তাঁর মা-বাবা।
১৯ বছর বয়সী ফালানী মুন্সীগঞ্জের ঢালীকান্দি গ্রামের বজলুল ব্যাপারীর মেয়ে। দেহাংশ উদ্ধারের দিনই অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিদের আসামি করে সবুজবাগ থানায় হত্যা মামলা করেন পুলিশের উপপরিদর্শক রাশেদুল হাসান।
ঘটনাটি তদন্তে নেমে পুলিশ হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে কয়েকজনের সম্পৃক্ততার তথ্য পাওয়ার দাবি করে। এরই ধারাবাহিকতায় গত ২১ আগস্ট ফালানীর বান্ধবী সাহিদাসহ ফারুক, সুজন, মামুন ও বাপ্পিকে গ্রেপ্তার করা হয়।
এবার সাহিদার স্বামী রাব্বী ও তাঁর সহযোগী শাওনকে গ্রেপ্তার করে রিমান্ডে নেওয়া হলো। তাঁদের জিজ্ঞাসাবাদের মাধ্যমে হত্যাকাণ্ডের কারণ ও এর সঙ্গে জড়িত অন্যদের বিষয়ে তথ্য পাওয়ার চেষ্টা করা হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
.png)
আপনার মতামত লিখুন