বিদেশভিত্তিক অনলাইন জুয়ার প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে অর্থ সংগ্রহ ও তা বিদেশে পাচারের অভিযোগে সংঘবদ্ধ একটি চক্রের দুই সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। রাজশাহী ও ঝিনাইদহ জেলায় পৃথক অভিযান পরিচালনা করে তাদের আটক করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন সৈয়দ জামান ও রুহুল কুদ্দুস ওরফে বাপ্পী। সিআইডির এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, এদের মধ্যে সৈয়দ জামান রাশিয়াভিত্তিক একটি অনলাইন বেটিং সাইটের স্থানীয় সমন্বয়ক বা ‘অ্যাডমিন’ হিসেবে কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছিলেন।
তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, চক্রটি দেশের বিভিন্ন প্রান্তে এজেন্টদের নেটওয়ার্ক গড়ে তুলত। এসব এজেন্টের মোবাইল ব্যাংকিং (MFS) নম্বর ও ব্যাংক হিসাব নম্বর ব্যবহার করা হতো বেটিং সাইটের আর্থিক লেনদেনে। ব্যবহারকারীদের কাছ থেকে সংগৃহীত অর্থ থেকে নির্দিষ্ট কমিশন রেখে বাকি টাকা ব্যাংক চ্যানেলের পাশাপাশি ক্রিপ্টোকারেন্সির মাধ্যমে দেশের বাইরে পাচার করা হতো।
রাজধানীর পল্টন থানায় দায়ের করা এ সংক্রান্ত মামলায় এর আগে আরও আটজনকে গ্রেপ্তার করেছিল তদন্ত সংস্থাটি। সিআইডি জানিয়েছে, পুরো নেটওয়ার্কের সঙ্গে জড়িত দেশি-বিদেশি অন্যান্য সহযোগী এবং অর্থ লেনদেনের চ্যানেল শনাক্তে বিস্তারিত অনুসন্ধান চলছে। গ্রেপ্তারকৃত আসামিদের জিজ্ঞাসাবাদের জন্য রিমান্ডের আবেদনসহ আদালতে পাঠানো হয়েছে।
.png)
বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২০ আগস্ট ২০২৬
বিদেশভিত্তিক অনলাইন জুয়ার প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে অর্থ সংগ্রহ ও তা বিদেশে পাচারের অভিযোগে সংঘবদ্ধ একটি চক্রের দুই সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। রাজশাহী ও ঝিনাইদহ জেলায় পৃথক অভিযান পরিচালনা করে তাদের আটক করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন সৈয়দ জামান ও রুহুল কুদ্দুস ওরফে বাপ্পী। সিআইডির এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, এদের মধ্যে সৈয়দ জামান রাশিয়াভিত্তিক একটি অনলাইন বেটিং সাইটের স্থানীয় সমন্বয়ক বা ‘অ্যাডমিন’ হিসেবে কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছিলেন।
তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, চক্রটি দেশের বিভিন্ন প্রান্তে এজেন্টদের নেটওয়ার্ক গড়ে তুলত। এসব এজেন্টের মোবাইল ব্যাংকিং (MFS) নম্বর ও ব্যাংক হিসাব নম্বর ব্যবহার করা হতো বেটিং সাইটের আর্থিক লেনদেনে। ব্যবহারকারীদের কাছ থেকে সংগৃহীত অর্থ থেকে নির্দিষ্ট কমিশন রেখে বাকি টাকা ব্যাংক চ্যানেলের পাশাপাশি ক্রিপ্টোকারেন্সির মাধ্যমে দেশের বাইরে পাচার করা হতো।
রাজধানীর পল্টন থানায় দায়ের করা এ সংক্রান্ত মামলায় এর আগে আরও আটজনকে গ্রেপ্তার করেছিল তদন্ত সংস্থাটি। সিআইডি জানিয়েছে, পুরো নেটওয়ার্কের সঙ্গে জড়িত দেশি-বিদেশি অন্যান্য সহযোগী এবং অর্থ লেনদেনের চ্যানেল শনাক্তে বিস্তারিত অনুসন্ধান চলছে। গ্রেপ্তারকৃত আসামিদের জিজ্ঞাসাবাদের জন্য রিমান্ডের আবেদনসহ আদালতে পাঠানো হয়েছে।
.png)
আপনার মতামত লিখুন