নারায়ণগঞ্জে ইসলামী যুব আন্দোলন বাংলাদেশের এক নেতাকে হত্যার ঘটনা এবং দেশের বিভিন্ন স্থানে সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজির অভিযোগে জনমনে উদ্বেগ বাড়ছে বলে মন্তব্য করেছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম (চরমোনাই পীর)।
তিনি বলেছেন, হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের বিচারের ক্ষেত্রে কোনো ধরনের গাফিলতি হলে কিংবা আইনের ফাঁক দিয়ে অপরাধীরা পার পেয়ে গেলে সাধারণ মানুষের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ তৈরি হতে পারে। তাই দেশে আইনের শাসন নিশ্চিত করতে সরকারকে কঠোর অবস্থান নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
শুক্রবার (২১ আগস্ট) রাজধানীর পল্টনে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে দলের নিয়মিত সভায় সভাপতির বক্তব্যে এসব কথা বলেন চরমোনাই পীর।
তিনি বলেন, বৃহস্পতিবার রাতে নারায়ণগঞ্জের বন্দর থানা এলাকার ইসলামী যুব আন্দোলন বাংলাদেশের সহসভাপতি মুজাহিদুল ইসলাম বুলবুল হামলার শিকার হয়ে নিহত হয়েছেন। তার অভিযোগ, রাত ৯টার দিকে স্থানীয় সন্ত্রাসী হিসেবে পরিচিত শেখ সিফাত কয়েকজন সহযোগীকে নিয়ে বুলবুলের ওপর হামলা চালায়।
চরমোনাই পীরের দাবি, শেখ সিফাতের বিরুদ্ধে এলাকায় সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজির একাধিক অভিযোগ রয়েছে এবং এ সংক্রান্ত মামলাও রয়েছে। তবে অভিযোগ থাকার পরও তার বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি বলে দাবি করেন তিনি।
প্রশাসনের পক্ষ থেকে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হলে বুলবুলকে এভাবে প্রাণ হারাতে হতো না বলেও মন্তব্য করেন ইসলামী আন্দোলনের আমির।
তিনি আরও বলেন, হামলার ঘটনায় অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার করা হলেও শেষ পর্যন্ত তারা দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি পাবে কি না, তা নিয়ে মানুষের মধ্যে সংশয় রয়েছে। এ ধরনের ঘটনায় বিচার প্রক্রিয়ায় কোনো ধরনের শৈথিল্য দেখানো হলে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠতে পারে।
সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে চরমোনাই পীর বলেন, দেশে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা এবং সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে হবে। অপরাধীরা যেন কোনোভাবেই রাজনৈতিক বা আইনি ফাঁকফোকর ব্যবহার করে পার পেয়ে যেতে না পারে, সে বিষয়েও সতর্ক থাকার আহ্বান জানান তিনি।
সভায় ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মহাসচিব মাওলানা গাজী আতাউর রহমান, যুগ্ম মহাসচিব প্রকৌশলী মুহাম্মদ আশরাফুল আলম, হাফেজ মাওলানা শেখ ফজলে বারী মাসউদ, শাহ ইফতেখার তারিক, মাওলানা মুহাম্মদ নেছার উদ্দিন, সহকারী মহাসচিব মাওলানা আহমদ আবদুল কাইয়ুম, কে এম আতিকুর রহমানসহ দলের কেন্দ্রীয় ও বিভাগীয় পর্যায়ের বিভিন্ন নেতা উপস্থিত ছিলেন।
.png)
বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ আগস্ট ২০২৬
নারায়ণগঞ্জে ইসলামী যুব আন্দোলন বাংলাদেশের এক নেতাকে হত্যার ঘটনা এবং দেশের বিভিন্ন স্থানে সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজির অভিযোগে জনমনে উদ্বেগ বাড়ছে বলে মন্তব্য করেছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম (চরমোনাই পীর)।
তিনি বলেছেন, হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের বিচারের ক্ষেত্রে কোনো ধরনের গাফিলতি হলে কিংবা আইনের ফাঁক দিয়ে অপরাধীরা পার পেয়ে গেলে সাধারণ মানুষের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ তৈরি হতে পারে। তাই দেশে আইনের শাসন নিশ্চিত করতে সরকারকে কঠোর অবস্থান নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
শুক্রবার (২১ আগস্ট) রাজধানীর পল্টনে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে দলের নিয়মিত সভায় সভাপতির বক্তব্যে এসব কথা বলেন চরমোনাই পীর।
তিনি বলেন, বৃহস্পতিবার রাতে নারায়ণগঞ্জের বন্দর থানা এলাকার ইসলামী যুব আন্দোলন বাংলাদেশের সহসভাপতি মুজাহিদুল ইসলাম বুলবুল হামলার শিকার হয়ে নিহত হয়েছেন। তার অভিযোগ, রাত ৯টার দিকে স্থানীয় সন্ত্রাসী হিসেবে পরিচিত শেখ সিফাত কয়েকজন সহযোগীকে নিয়ে বুলবুলের ওপর হামলা চালায়।
চরমোনাই পীরের দাবি, শেখ সিফাতের বিরুদ্ধে এলাকায় সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজির একাধিক অভিযোগ রয়েছে এবং এ সংক্রান্ত মামলাও রয়েছে। তবে অভিযোগ থাকার পরও তার বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি বলে দাবি করেন তিনি।
প্রশাসনের পক্ষ থেকে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হলে বুলবুলকে এভাবে প্রাণ হারাতে হতো না বলেও মন্তব্য করেন ইসলামী আন্দোলনের আমির।
তিনি আরও বলেন, হামলার ঘটনায় অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার করা হলেও শেষ পর্যন্ত তারা দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি পাবে কি না, তা নিয়ে মানুষের মধ্যে সংশয় রয়েছে। এ ধরনের ঘটনায় বিচার প্রক্রিয়ায় কোনো ধরনের শৈথিল্য দেখানো হলে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠতে পারে।
সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে চরমোনাই পীর বলেন, দেশে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা এবং সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে হবে। অপরাধীরা যেন কোনোভাবেই রাজনৈতিক বা আইনি ফাঁকফোকর ব্যবহার করে পার পেয়ে যেতে না পারে, সে বিষয়েও সতর্ক থাকার আহ্বান জানান তিনি।
সভায় ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মহাসচিব মাওলানা গাজী আতাউর রহমান, যুগ্ম মহাসচিব প্রকৌশলী মুহাম্মদ আশরাফুল আলম, হাফেজ মাওলানা শেখ ফজলে বারী মাসউদ, শাহ ইফতেখার তারিক, মাওলানা মুহাম্মদ নেছার উদ্দিন, সহকারী মহাসচিব মাওলানা আহমদ আবদুল কাইয়ুম, কে এম আতিকুর রহমানসহ দলের কেন্দ্রীয় ও বিভাগীয় পর্যায়ের বিভিন্ন নেতা উপস্থিত ছিলেন।
.png)
আপনার মতামত লিখুন