কিশোরগঞ্জের কুলিয়ারচরে পঞ্চম শ্রেণির এক ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ ওঠার পর বিএনপির স্থানীয় এক নেতাকে দলীয় পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। বহিষ্কৃত মো. জজ মিয়া উপজেলার ফরিদপুর ইউনিয়ন বিএনপির ৭ নম্বর ওয়ার্ড শাখার সাধারণ সম্পাদক ছিলেন।
বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) রাতে কিশোরগঞ্জ জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. মাজহারুল ইসলাম এমপির স্বাক্ষর করা এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জজ মিয়াকে বহিষ্কারের বিষয়টি জানানো হয়।
দলীয় বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, কুলিয়ারচর উপজেলা বিএনপির সুপারিশ এবং দলের সিদ্ধান্তের পরিপ্রেক্ষিতে দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের ‘সুনির্দিষ্ট অভিযোগের’ ভিত্তিতে মো. জজ মিয়ার বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে তার বাবার নাম মৃত আব্দুল গফুর মিয়া উল্লেখ করা হয়।
জেলা বিএনপির সভাপতি মো. শরীফুল আলম এমপি ও সাধারণ সম্পাদক মো. মাজহারুল ইসলাম এমপি বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত অনুমোদন করেছেন বলেও বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।
একই সঙ্গে বিএনপি এবং এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের সব পর্যায়ের নেতাকর্মীকে বহিষ্কৃত জজ মিয়ার সঙ্গে সাংগঠনিক কোনো ধরনের যোগাযোগ বা সম্পর্ক না রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রের বরাতে জানা গেছে, গত ১৩ আগস্ট সকালে বাড়ির কাছের একটি জমিতে লাকড়ি শুকাতে গিয়েছিল ওই ছাত্রী। অভিযোগ রয়েছে, সে সময় জজ মিয়া মুখে গামছা পেঁচিয়ে তাকে পাশের একটি জঙ্গলে নিয়ে যান এবং সেখানে ধর্ষণ করেন। শিশুটির চিৎকার শুনে আশপাশের লোকজন ঘটনাস্থলে গিয়ে তাকে উদ্ধার করেন।
ঘটনার পরদিন ১৪ আগস্ট রাতে শিশুটির বাবা বাদী হয়ে কুলিয়ারচর থানায় লিখিত অভিযোগ করেন বলে স্থানীয়ভাবে জানা গেছে।
তবে বিএনপির জেলা কমিটির প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তিতে জজ মিয়াকে বহিষ্কারের পেছনে ধর্ষণের অভিযোগের বিস্তারিত তুলে ধরা হয়নি। সেখানে শুধু দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের সুনির্দিষ্ট অভিযোগের কথা উল্লেখ করা হয়েছে।
এদিকে ঘটনার পর থেকে জজ মিয়া পলাতক রয়েছেন বলে জানা গেছে। এ কারণে তার বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের বিষয়ে তার বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।
.png)
বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ আগস্ট ২০২৬
কিশোরগঞ্জের কুলিয়ারচরে পঞ্চম শ্রেণির এক ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ ওঠার পর বিএনপির স্থানীয় এক নেতাকে দলীয় পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। বহিষ্কৃত মো. জজ মিয়া উপজেলার ফরিদপুর ইউনিয়ন বিএনপির ৭ নম্বর ওয়ার্ড শাখার সাধারণ সম্পাদক ছিলেন।
বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) রাতে কিশোরগঞ্জ জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. মাজহারুল ইসলাম এমপির স্বাক্ষর করা এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জজ মিয়াকে বহিষ্কারের বিষয়টি জানানো হয়।
দলীয় বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, কুলিয়ারচর উপজেলা বিএনপির সুপারিশ এবং দলের সিদ্ধান্তের পরিপ্রেক্ষিতে দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের ‘সুনির্দিষ্ট অভিযোগের’ ভিত্তিতে মো. জজ মিয়ার বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে তার বাবার নাম মৃত আব্দুল গফুর মিয়া উল্লেখ করা হয়।
জেলা বিএনপির সভাপতি মো. শরীফুল আলম এমপি ও সাধারণ সম্পাদক মো. মাজহারুল ইসলাম এমপি বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত অনুমোদন করেছেন বলেও বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।
একই সঙ্গে বিএনপি এবং এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের সব পর্যায়ের নেতাকর্মীকে বহিষ্কৃত জজ মিয়ার সঙ্গে সাংগঠনিক কোনো ধরনের যোগাযোগ বা সম্পর্ক না রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রের বরাতে জানা গেছে, গত ১৩ আগস্ট সকালে বাড়ির কাছের একটি জমিতে লাকড়ি শুকাতে গিয়েছিল ওই ছাত্রী। অভিযোগ রয়েছে, সে সময় জজ মিয়া মুখে গামছা পেঁচিয়ে তাকে পাশের একটি জঙ্গলে নিয়ে যান এবং সেখানে ধর্ষণ করেন। শিশুটির চিৎকার শুনে আশপাশের লোকজন ঘটনাস্থলে গিয়ে তাকে উদ্ধার করেন।
ঘটনার পরদিন ১৪ আগস্ট রাতে শিশুটির বাবা বাদী হয়ে কুলিয়ারচর থানায় লিখিত অভিযোগ করেন বলে স্থানীয়ভাবে জানা গেছে।
তবে বিএনপির জেলা কমিটির প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তিতে জজ মিয়াকে বহিষ্কারের পেছনে ধর্ষণের অভিযোগের বিস্তারিত তুলে ধরা হয়নি। সেখানে শুধু দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের সুনির্দিষ্ট অভিযোগের কথা উল্লেখ করা হয়েছে।
এদিকে ঘটনার পর থেকে জজ মিয়া পলাতক রয়েছেন বলে জানা গেছে। এ কারণে তার বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের বিষয়ে তার বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।
.png)
আপনার মতামত লিখুন