রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব গ্রহণের সঙ্গে সঙ্গে ঠাকুরগাঁও-১ আসনের সংসদ সদস্য পদ হারিয়েছেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। সংবিধানের বিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতির পদে থাকা অবস্থায় একই ব্যক্তি সংসদ সদস্য হিসেবে বহাল থাকতে পারেন না। এ কারণেই রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার দিন থেকেই তাঁর সংসদীয় আসনটি শূন্য হয়েছে।
শনিবার জাতীয় সংসদ সচিবালয় থেকে জারি করা এক বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি জানানো হয়। সংসদ সচিব মো. গোলাম সরওয়ার ভূঁইয়া স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ঠাকুরগাঁও-১ আসন থেকে নির্বাচিত মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ২১ আগস্ট সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব গ্রহণ করেন। ফলে সংবিধানের ৫০(৪) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী ওই দিন থেকেই তাঁর সংসদীয় আসন শূন্য হয়েছে।
বাংলাদেশের সংবিধানের ৫০(৪) অনুচ্ছেদে রাষ্ট্রপতির পদ ও সংসদ সদস্যপদের মধ্যে পৃথক অবস্থান নির্ধারণ করা হয়েছে। এই বিধানের মূল উদ্দেশ্য হলো রাষ্ট্রপতির সাংবিধানিক পদকে সংসদীয় রাজনীতির সঙ্গে সরাসরি যুক্ত না রাখা। ফলে কোনো সংসদ সদস্য রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হয়ে দায়িত্ব গ্রহণ করলে তাঁর সংসদ সদস্যপদ আর বহাল থাকে না।
অর্থাৎ, মির্জা ফখরুল রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ার পর শুধু শপথ নেওয়ার বিষয়টিই গুরুত্বপূর্ণ নয়; তিনি যেদিন রাষ্ট্রপতি হিসেবে কার্যভার গ্রহণ করেছেন, সেদিন থেকেই ঠাকুরগাঁও-১ আসনটি শূন্য হিসেবে গণ্য হয়েছে।
গত বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। একাধিক প্রার্থী থাকায় ভোটের মাধ্যমে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের এই প্রক্রিয়া অনুষ্ঠিত হয়। সংসদের ৩৪৯ সদস্যের মধ্যে ৩৪৩ জন ভোট দেন।
ভোটে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ২৫৫ ভোট পান। তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্যের প্রার্থী কর্নেল (অব.) অলি আহমদ পান ৮৮ ভোট। ফলে ১৬৭ ভোটের ব্যবধানে বিজয়ী হন মির্জা ফখরুল।
পরদিন শুক্রবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নেন তিনি। শপথ নেওয়ার সঙ্গে সঙ্গে রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব কার্যকর হওয়ায় একই সময় থেকে তাঁর ঠাকুরগাঁও-১ আসনটিও শূন্য হয়ে যায়।
সংসদীয় আসন শূন্য হওয়ার পর সেখানে উপনির্বাচনের মাধ্যমে নতুন সংসদ সদস্য নির্বাচিত করার সাংবিধানিক প্রক্রিয়া শুরু হবে। নির্বাচন কমিশন নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী মনোনয়নপত্র আহ্বান, যাচাই-বাছাই, প্রার্থিতা প্রত্যাহার ও ভোটগ্রহণের ধাপ সম্পন্ন করবে।
ফলে ঠাকুরগাঁও-১ আসনের ভোটাররা উপনির্বাচনে নতুন একজন সংসদ সদস্য নির্বাচিত করার সুযোগ পাবেন। তবে উপনির্বাচনের নির্দিষ্ট তারিখ, মনোনয়ন জমা ও ভোটগ্রহণের সময়সূচি নির্বাচন কমিশনের ঘোষণার পরই চূড়ান্তভাবে জানা যাবে।
.png)
বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২২ আগস্ট ২০২৬
রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব গ্রহণের সঙ্গে সঙ্গে ঠাকুরগাঁও-১ আসনের সংসদ সদস্য পদ হারিয়েছেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। সংবিধানের বিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতির পদে থাকা অবস্থায় একই ব্যক্তি সংসদ সদস্য হিসেবে বহাল থাকতে পারেন না। এ কারণেই রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার দিন থেকেই তাঁর সংসদীয় আসনটি শূন্য হয়েছে।
শনিবার জাতীয় সংসদ সচিবালয় থেকে জারি করা এক বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি জানানো হয়। সংসদ সচিব মো. গোলাম সরওয়ার ভূঁইয়া স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ঠাকুরগাঁও-১ আসন থেকে নির্বাচিত মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ২১ আগস্ট সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব গ্রহণ করেন। ফলে সংবিধানের ৫০(৪) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী ওই দিন থেকেই তাঁর সংসদীয় আসন শূন্য হয়েছে।
বাংলাদেশের সংবিধানের ৫০(৪) অনুচ্ছেদে রাষ্ট্রপতির পদ ও সংসদ সদস্যপদের মধ্যে পৃথক অবস্থান নির্ধারণ করা হয়েছে। এই বিধানের মূল উদ্দেশ্য হলো রাষ্ট্রপতির সাংবিধানিক পদকে সংসদীয় রাজনীতির সঙ্গে সরাসরি যুক্ত না রাখা। ফলে কোনো সংসদ সদস্য রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হয়ে দায়িত্ব গ্রহণ করলে তাঁর সংসদ সদস্যপদ আর বহাল থাকে না।
অর্থাৎ, মির্জা ফখরুল রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ার পর শুধু শপথ নেওয়ার বিষয়টিই গুরুত্বপূর্ণ নয়; তিনি যেদিন রাষ্ট্রপতি হিসেবে কার্যভার গ্রহণ করেছেন, সেদিন থেকেই ঠাকুরগাঁও-১ আসনটি শূন্য হিসেবে গণ্য হয়েছে।
গত বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। একাধিক প্রার্থী থাকায় ভোটের মাধ্যমে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের এই প্রক্রিয়া অনুষ্ঠিত হয়। সংসদের ৩৪৯ সদস্যের মধ্যে ৩৪৩ জন ভোট দেন।
ভোটে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ২৫৫ ভোট পান। তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্যের প্রার্থী কর্নেল (অব.) অলি আহমদ পান ৮৮ ভোট। ফলে ১৬৭ ভোটের ব্যবধানে বিজয়ী হন মির্জা ফখরুল।
পরদিন শুক্রবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নেন তিনি। শপথ নেওয়ার সঙ্গে সঙ্গে রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব কার্যকর হওয়ায় একই সময় থেকে তাঁর ঠাকুরগাঁও-১ আসনটিও শূন্য হয়ে যায়।
সংসদীয় আসন শূন্য হওয়ার পর সেখানে উপনির্বাচনের মাধ্যমে নতুন সংসদ সদস্য নির্বাচিত করার সাংবিধানিক প্রক্রিয়া শুরু হবে। নির্বাচন কমিশন নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী মনোনয়নপত্র আহ্বান, যাচাই-বাছাই, প্রার্থিতা প্রত্যাহার ও ভোটগ্রহণের ধাপ সম্পন্ন করবে।
ফলে ঠাকুরগাঁও-১ আসনের ভোটাররা উপনির্বাচনে নতুন একজন সংসদ সদস্য নির্বাচিত করার সুযোগ পাবেন। তবে উপনির্বাচনের নির্দিষ্ট তারিখ, মনোনয়ন জমা ও ভোটগ্রহণের সময়সূচি নির্বাচন কমিশনের ঘোষণার পরই চূড়ান্তভাবে জানা যাবে।
.png)
আপনার মতামত লিখুন