রাজধানীর সবুজবাগে তরুণী ছুরাইয়া আক্তার ওরফে ফালানী হত্যার ঘটনায় গ্রেপ্তার পাঁচজনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য চার দিনের রিমান্ডে পাঠিয়েছেন আদালত। শনিবার (২২ আগস্ট) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. মঞ্জুরুল ইসলামের আদালত এ আদেশ দেন।
রিমান্ডে যাওয়া ব্যক্তিরা হলেন—নুসরাত জাহান সাহিদা (১৯), ফারুক ওরফে জামাই ফারুক (৪৫), মো. সুজন (২০), মো. মামুন (২০) এবং মো. রাফি ইসলাম ওরফে বাপ্পি (১৯)। এর আগে তদন্ত কর্মকর্তা তাঁদের প্রত্যেকের ১০ দিনের রিমান্ড চেয়েছিলেন। শুনানি শেষে আদালত চার দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
গত ৬ আগস্ট সকালে সবুজবাগ থানার বাগানবাড়ী কালভার্ট এলাকার একটি সেতুর নিচে অজ্ঞাতপরিচয় এক নারীর খণ্ডিত মাথা পড়ে থাকার খবর পায় পুলিশ। একই স্থান থেকে পলিথিনে মোড়ানো অবস্থায় উদ্ধার করা হয় দুই হাত। মরদেহের অন্যান্য অংশ তখন পাওয়া যায়নি।
পরে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় নিহতের পরিচয় শনাক্ত করে পুলিশ। তাঁর নাম ছুরাইয়া আক্তার ওরফে ফালানী, বয়স ১৯ বছর। পরিবারের সদস্যরা উদ্ধার হওয়া মাথার ছবি এবং দুই হাতে থাকা ট্যাটু দেখে তাঁকে শনাক্ত করেন।
তদন্তসংশ্লিষ্ট তথ্য অনুযায়ী, ঘটনার আগে ৩ আগস্ট রাত সাড়ে ৯টার দিকে ফালানীসহ গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের এবং আরও কয়েকজনকে বাগানবাড়ী কালভার্ট এলাকায় একসঙ্গে দেখা যায়। পরে পুলিশ বলছে, তাঁকে কৌশলে সেখান থেকে অন্যত্র নিয়ে যাওয়া হয়।
পরদিন রাতেও কয়েকজন সন্দেহভাজনকে একই এলাকায় অবস্থান করতে দেখা যায় বলে তদন্তে উঠে এসেছে। সিসিটিভি ফুটেজ, প্রযুক্তিগত তথ্য, স্থানীয়দের বক্তব্য এবং অন্যান্য পারিপার্শ্বিক তথ্য বিশ্লেষণের পর পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করা হয় বলে জানিয়েছে পুলিশ।
তদন্ত কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, হত্যাকাণ্ডে আরও কেউ জড়িত কি না, ঘটনার প্রকৃত কারণ কী এবং নিহত তরুণীর মরদেহের বাকি অংশ কোথায়—এসব বিষয়ে তথ্য পেতে গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের জিজ্ঞাসাবাদ প্রয়োজন।
পুলিশ জানিয়েছে, তদন্ত এখনো চলমান। গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের জিজ্ঞাসাবাদ ও অন্যান্য আলামত বিশ্লেষণের মাধ্যমে ঘটনার পুরো চিত্র বের করার চেষ্টা করা হচ্ছে।
.png)
বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৩ আগস্ট ২০২৬
রাজধানীর সবুজবাগে তরুণী ছুরাইয়া আক্তার ওরফে ফালানী হত্যার ঘটনায় গ্রেপ্তার পাঁচজনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য চার দিনের রিমান্ডে পাঠিয়েছেন আদালত। শনিবার (২২ আগস্ট) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. মঞ্জুরুল ইসলামের আদালত এ আদেশ দেন।
রিমান্ডে যাওয়া ব্যক্তিরা হলেন—নুসরাত জাহান সাহিদা (১৯), ফারুক ওরফে জামাই ফারুক (৪৫), মো. সুজন (২০), মো. মামুন (২০) এবং মো. রাফি ইসলাম ওরফে বাপ্পি (১৯)। এর আগে তদন্ত কর্মকর্তা তাঁদের প্রত্যেকের ১০ দিনের রিমান্ড চেয়েছিলেন। শুনানি শেষে আদালত চার দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
গত ৬ আগস্ট সকালে সবুজবাগ থানার বাগানবাড়ী কালভার্ট এলাকার একটি সেতুর নিচে অজ্ঞাতপরিচয় এক নারীর খণ্ডিত মাথা পড়ে থাকার খবর পায় পুলিশ। একই স্থান থেকে পলিথিনে মোড়ানো অবস্থায় উদ্ধার করা হয় দুই হাত। মরদেহের অন্যান্য অংশ তখন পাওয়া যায়নি।
পরে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় নিহতের পরিচয় শনাক্ত করে পুলিশ। তাঁর নাম ছুরাইয়া আক্তার ওরফে ফালানী, বয়স ১৯ বছর। পরিবারের সদস্যরা উদ্ধার হওয়া মাথার ছবি এবং দুই হাতে থাকা ট্যাটু দেখে তাঁকে শনাক্ত করেন।
তদন্তসংশ্লিষ্ট তথ্য অনুযায়ী, ঘটনার আগে ৩ আগস্ট রাত সাড়ে ৯টার দিকে ফালানীসহ গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের এবং আরও কয়েকজনকে বাগানবাড়ী কালভার্ট এলাকায় একসঙ্গে দেখা যায়। পরে পুলিশ বলছে, তাঁকে কৌশলে সেখান থেকে অন্যত্র নিয়ে যাওয়া হয়।
পরদিন রাতেও কয়েকজন সন্দেহভাজনকে একই এলাকায় অবস্থান করতে দেখা যায় বলে তদন্তে উঠে এসেছে। সিসিটিভি ফুটেজ, প্রযুক্তিগত তথ্য, স্থানীয়দের বক্তব্য এবং অন্যান্য পারিপার্শ্বিক তথ্য বিশ্লেষণের পর পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করা হয় বলে জানিয়েছে পুলিশ।
তদন্ত কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, হত্যাকাণ্ডে আরও কেউ জড়িত কি না, ঘটনার প্রকৃত কারণ কী এবং নিহত তরুণীর মরদেহের বাকি অংশ কোথায়—এসব বিষয়ে তথ্য পেতে গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের জিজ্ঞাসাবাদ প্রয়োজন।
পুলিশ জানিয়েছে, তদন্ত এখনো চলমান। গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের জিজ্ঞাসাবাদ ও অন্যান্য আলামত বিশ্লেষণের মাধ্যমে ঘটনার পুরো চিত্র বের করার চেষ্টা করা হচ্ছে।
.png)
আপনার মতামত লিখুন