নারায়ণগঞ্জে সিএনজিচালক মো. জামাল হত্যা মামলার দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে রায় দিয়েছেন আদালত। মামলায় মো. মনিরুল ইসলাম রঞ্জু ওরফে গালপোড়া রঞ্জুকে মৃত্যুদণ্ড এবং মো. আকাশ আহমেদকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে রঞ্জুকে ২০ হাজার টাকা এবং আকাশকে ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে।
সোমবার নারায়ণগঞ্জের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ প্রথম আদালতের বিচারক নাজমুন্নাহার সুমি এ রায় ঘোষণা করেন। রায় ঘোষণার সময় দুই দণ্ডিত আসামি আদালতে উপস্থিত ছিলেন না।
আদালত পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ২০১১ সালের ১৩ জুলাই রাতে নারায়ণগঞ্জ সদর থানার চাষাঢ়ার আমলাপাড়া এলাকার প্রেসিডেন্ট রোডে একটি বাড়ির পাশের পরিত্যক্ত টয়লেট থেকে বস্তাবন্দি অবস্থায় জামালের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
পরে নিহতের স্ত্রী সখিনা বেগম বাদী হয়ে নারায়ণগঞ্জ সদর মডেল থানায় হত্যা মামলা করেন। ঘটনার তদন্ত শেষে চারজনকে আসামি করে একই বছরের ১৩ অক্টোবর আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেয় পুলিশ।
দীর্ঘ সময় ধরে মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ ও অন্যান্য বিচারিক কার্যক্রম শেষে আদালত আসামিদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের প্রমাণ পর্যালোচনা করেন। এরপর রায়ে মনিরুল ইসলাম রঞ্জুকে সর্বোচ্চ শাস্তি এবং আকাশ আহমেদকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়।
অন্যদিকে মামলার অপর দুই আসামি মো. আরাফাত খান ওরফে শান্ত এবং মো. খোকন মিয়ার বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় তাঁদের খালাস দিয়েছেন আদালত।
নারায়ণগঞ্জ আদালত পুলিশের পরিদর্শক আব্দুস সামাদ রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। দীর্ঘ ১৫ বছরেরও বেশি সময় পর মামলাটির বিচারিক কার্যক্রমে এ রায় এলো।
.png)
বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ আগস্ট ২০২৬
নারায়ণগঞ্জে সিএনজিচালক মো. জামাল হত্যা মামলার দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে রায় দিয়েছেন আদালত। মামলায় মো. মনিরুল ইসলাম রঞ্জু ওরফে গালপোড়া রঞ্জুকে মৃত্যুদণ্ড এবং মো. আকাশ আহমেদকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে রঞ্জুকে ২০ হাজার টাকা এবং আকাশকে ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে।
সোমবার নারায়ণগঞ্জের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ প্রথম আদালতের বিচারক নাজমুন্নাহার সুমি এ রায় ঘোষণা করেন। রায় ঘোষণার সময় দুই দণ্ডিত আসামি আদালতে উপস্থিত ছিলেন না।
আদালত পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ২০১১ সালের ১৩ জুলাই রাতে নারায়ণগঞ্জ সদর থানার চাষাঢ়ার আমলাপাড়া এলাকার প্রেসিডেন্ট রোডে একটি বাড়ির পাশের পরিত্যক্ত টয়লেট থেকে বস্তাবন্দি অবস্থায় জামালের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
পরে নিহতের স্ত্রী সখিনা বেগম বাদী হয়ে নারায়ণগঞ্জ সদর মডেল থানায় হত্যা মামলা করেন। ঘটনার তদন্ত শেষে চারজনকে আসামি করে একই বছরের ১৩ অক্টোবর আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেয় পুলিশ।
দীর্ঘ সময় ধরে মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ ও অন্যান্য বিচারিক কার্যক্রম শেষে আদালত আসামিদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের প্রমাণ পর্যালোচনা করেন। এরপর রায়ে মনিরুল ইসলাম রঞ্জুকে সর্বোচ্চ শাস্তি এবং আকাশ আহমেদকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়।
অন্যদিকে মামলার অপর দুই আসামি মো. আরাফাত খান ওরফে শান্ত এবং মো. খোকন মিয়ার বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় তাঁদের খালাস দিয়েছেন আদালত।
নারায়ণগঞ্জ আদালত পুলিশের পরিদর্শক আব্দুস সামাদ রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। দীর্ঘ ১৫ বছরেরও বেশি সময় পর মামলাটির বিচারিক কার্যক্রমে এ রায় এলো।
.png)
আপনার মতামত লিখুন