বিএনপির কর্মী মকবুল হোসেন হত্যা মামলায় আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদের সদস্য ও বাগেরহাট-৪ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য মো. আমিরুল আলম মিলনকে গ্রেপ্তার দেখানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত।
সোমবার দুপুরে ঢাকার অতিরিক্ত মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জশিতা ইসলামের আদালত শুনানি শেষে এ আদেশ দেন। প্রসিকিউশন বিভাগের উপপরিদর্শক রুকনুজ্জামান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
আদালত সূত্রে জানা গেছে, মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) মতিঝিল বিভাগের উপপরিদর্শক মো. তোফাজ্জল হোসেন আদালতে মিলনকে হাজির করে মকবুল হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করেন। শুনানি শেষে আদালত আবেদনটি মঞ্জুর করে তাঁকে এ মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
মামলার নথি অনুযায়ী, আমিরুল আলম মিলন এ মামলার ৯৯ নম্বর এজাহারভুক্ত আসামি।
মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, ২০২২ সালের ১০ ডিসেম্বর বিএনপি এক দফা দাবিতে কর্মসূচি ঘোষণা করেছিল। ওই কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে দলটির নেতাকর্মীরা নয়াপল্টনে জড়ো হতে শুরু করেন। এর আগে ৭ ডিসেম্বর বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অভিযানকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ ও হামলার ঘটনা ঘটে।
ওই ঘটনায় বিএনপির কর্মী মকবুল হোসেন গুলিবিদ্ধ হন। পরে তাঁর মৃত্যু হয়। ঘটনাটি ঘিরে পরবর্তী সময়ে হত্যা মামলা দায়ের করা হয়।
মামলার বাদী মাহফুজুর রহমান ২০২৪ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর পল্টন মডেল থানায় মামলাটি করেন। মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ২৫৬ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। পাশাপাশি অজ্ঞাতনামা আরও ৪০০ থেকে ৫০০ জনকে আসামি করা হয়।
মামলার তদন্তের অংশ হিসেবে বিভিন্ন পর্যায়ের ব্যক্তিদের সম্পৃক্ততা খতিয়ে দেখছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। এরই ধারাবাহিকতায় আমিরুল আলম মিলনকে এই মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করা হয়।
এর আগে ২০২৫ সালের মে মাসে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ মিলনকে গ্রেপ্তার করে। এরপর থেকে তিনি কারাগারে রয়েছেন। নতুন মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর আদালতের আদেশের ফলে মকবুল হোসেন হত্যা মামলাতেও তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে আসামি হিসেবে আটক থাকবেন।
.png)
বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ আগস্ট ২০২৬
বিএনপির কর্মী মকবুল হোসেন হত্যা মামলায় আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদের সদস্য ও বাগেরহাট-৪ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য মো. আমিরুল আলম মিলনকে গ্রেপ্তার দেখানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত।
সোমবার দুপুরে ঢাকার অতিরিক্ত মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জশিতা ইসলামের আদালত শুনানি শেষে এ আদেশ দেন। প্রসিকিউশন বিভাগের উপপরিদর্শক রুকনুজ্জামান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
আদালত সূত্রে জানা গেছে, মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) মতিঝিল বিভাগের উপপরিদর্শক মো. তোফাজ্জল হোসেন আদালতে মিলনকে হাজির করে মকবুল হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করেন। শুনানি শেষে আদালত আবেদনটি মঞ্জুর করে তাঁকে এ মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
মামলার নথি অনুযায়ী, আমিরুল আলম মিলন এ মামলার ৯৯ নম্বর এজাহারভুক্ত আসামি।
মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, ২০২২ সালের ১০ ডিসেম্বর বিএনপি এক দফা দাবিতে কর্মসূচি ঘোষণা করেছিল। ওই কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে দলটির নেতাকর্মীরা নয়াপল্টনে জড়ো হতে শুরু করেন। এর আগে ৭ ডিসেম্বর বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অভিযানকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ ও হামলার ঘটনা ঘটে।
ওই ঘটনায় বিএনপির কর্মী মকবুল হোসেন গুলিবিদ্ধ হন। পরে তাঁর মৃত্যু হয়। ঘটনাটি ঘিরে পরবর্তী সময়ে হত্যা মামলা দায়ের করা হয়।
মামলার বাদী মাহফুজুর রহমান ২০২৪ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর পল্টন মডেল থানায় মামলাটি করেন। মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ২৫৬ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। পাশাপাশি অজ্ঞাতনামা আরও ৪০০ থেকে ৫০০ জনকে আসামি করা হয়।
মামলার তদন্তের অংশ হিসেবে বিভিন্ন পর্যায়ের ব্যক্তিদের সম্পৃক্ততা খতিয়ে দেখছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। এরই ধারাবাহিকতায় আমিরুল আলম মিলনকে এই মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করা হয়।
এর আগে ২০২৫ সালের মে মাসে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ মিলনকে গ্রেপ্তার করে। এরপর থেকে তিনি কারাগারে রয়েছেন। নতুন মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর আদালতের আদেশের ফলে মকবুল হোসেন হত্যা মামলাতেও তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে আসামি হিসেবে আটক থাকবেন।
.png)
আপনার মতামত লিখুন