সরেজমিন নিউজ

৫ সেপ্টেম্বরের লং মার্চ ঘিরে পুলিশের দ্বারস্থ জামায়াত-১১ দল



৫ সেপ্টেম্বরের লং মার্চ ঘিরে পুলিশের দ্বারস্থ জামায়াত-১১ দল

আগামী ৫ সেপ্টেম্বরের ঢাকা-চট্টগ্রাম লং মার্চ শান্তিপূর্ণ ও সুশৃঙ্খলভাবে সম্পন্ন করতে পুলিশের সহযোগিতা চাইছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্য। এ বিষয়ে পুলিশ মহাপরিদর্শকের (আইজিপি) সঙ্গে বৈঠকে বসছেন জোটের নেতারা।

সোমবার (২৪ আগস্ট) সন্ধ্যা ৭টায় পুলিশ সদর দপ্তরে আইজিপির সঙ্গে জোট নেতাদের এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। বৈঠক শেষে পুলিশ সদর দপ্তরের সামনে সাংবাদিকদের কাছে আলোচনার বিষয়বস্তু তুলে ধরার কথা রয়েছে তাদের।

১১ দলীয় ঐক্যের সমন্বয়ক ও জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ড. এএইচএম হামিদুর রহমান আযাদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

জোট সূত্রে জানা গেছে, গণভোটের রায় বাস্তবায়ন, রাষ্ট্র কাঠামোর সংস্কার এবং বৈষম্যবিরোধী বিভিন্ন রাজনৈতিক দাবিকে সামনে রেখে আগামী ৫ সেপ্টেম্বর ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম অভিমুখে লং মার্চের ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। কর্মসূচিকে সফল করতে ইতোমধ্যে সাংগঠনিক প্রস্তুতিও শুরু করেছে জোটটি।

লং মার্চ বাস্তবায়ন কমিটির গত ১৭ আগস্টের বৈঠকে কর্মসূচিতে সাধারণ মানুষের অংশগ্রহণ বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়। একই সঙ্গে প্রচার-প্রচারণা, সাংগঠনিক তৎপরতা এবং সার্বিক প্রস্তুতি আরও জোরদারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

জোট নেতাদের ভাষ্য, বড় পরিসরের রাজনৈতিক কর্মসূচি শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে আগাম সমন্বয় গুরুত্বপূর্ণ। এ কারণে লং মার্চের নিরাপত্তা, যান চলাচল এবং সার্বিক ব্যবস্থাপনা নিয়ে পুলিশের শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গে সরাসরি আলোচনা করতে চান তারা।

জামায়াত ও ১১ দলীয় ঐক্যের নেতারা বলছেন, এই লং মার্চকে তারা কেবল একটি রাজনৈতিক কর্মসূচি হিসেবে দেখছেন না। গণভোটের রায় বাস্তবায়ন ও রাষ্ট্র সংস্কারের দাবিতে জনমত এবং রাজনৈতিক চাপ তৈরির অংশ হিসেবেও কর্মসূচিটিকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

লং মার্চকে কেন্দ্র করে ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম পর্যন্ত বিভিন্ন পর্যায়ে নেতাকর্মী ও সমর্থকদের সম্পৃক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি কর্মসূচির সময় যাতে জনসাধারণের স্বাভাবিক চলাচলে বড় ধরনের বিঘ্ন না ঘটে এবং কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা তৈরি না হয়, সেদিকেও নজর রাখার কথা জানিয়েছে জোটটি।

জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার জানান, আইজিপির সঙ্গে বৈঠকে লং মার্চের সম্ভাব্য রুট, অংশগ্রহণকারীদের নিরাপত্তা, যান চলাচল এবং সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা হবে। কর্মসূচি সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে পুলিশের সহযোগিতা চাওয়া হবে।

১১ দলীয় ঐক্যের সমন্বয়ক ড. এএইচএম হামিদুর রহমান আযাদ বলেন, ৫ সেপ্টেম্বরের ঢাকা-চট্টগ্রাম লং মার্চ শান্তিপূর্ণ, সুশৃঙ্খল ও নির্বিঘ্নে সম্পন্ন করাই তাদের লক্ষ্য। এ উদ্দেশ্যেই আইজিপির সঙ্গে সাক্ষাৎ ও আলোচনা করা হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন

সরেজমিন নিউজ

বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬


৫ সেপ্টেম্বরের লং মার্চ ঘিরে পুলিশের দ্বারস্থ জামায়াত-১১ দল

প্রকাশের তারিখ : ২৪ আগস্ট ২০২৬

featured Image

আগামী ৫ সেপ্টেম্বরের ঢাকা-চট্টগ্রাম লং মার্চ শান্তিপূর্ণ ও সুশৃঙ্খলভাবে সম্পন্ন করতে পুলিশের সহযোগিতা চাইছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্য। এ বিষয়ে পুলিশ মহাপরিদর্শকের (আইজিপি) সঙ্গে বৈঠকে বসছেন জোটের নেতারা।

সোমবার (২৪ আগস্ট) সন্ধ্যা ৭টায় পুলিশ সদর দপ্তরে আইজিপির সঙ্গে জোট নেতাদের এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। বৈঠক শেষে পুলিশ সদর দপ্তরের সামনে সাংবাদিকদের কাছে আলোচনার বিষয়বস্তু তুলে ধরার কথা রয়েছে তাদের।

১১ দলীয় ঐক্যের সমন্বয়ক ও জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ড. এএইচএম হামিদুর রহমান আযাদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

জোট সূত্রে জানা গেছে, গণভোটের রায় বাস্তবায়ন, রাষ্ট্র কাঠামোর সংস্কার এবং বৈষম্যবিরোধী বিভিন্ন রাজনৈতিক দাবিকে সামনে রেখে আগামী ৫ সেপ্টেম্বর ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম অভিমুখে লং মার্চের ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। কর্মসূচিকে সফল করতে ইতোমধ্যে সাংগঠনিক প্রস্তুতিও শুরু করেছে জোটটি।

লং মার্চ বাস্তবায়ন কমিটির গত ১৭ আগস্টের বৈঠকে কর্মসূচিতে সাধারণ মানুষের অংশগ্রহণ বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়। একই সঙ্গে প্রচার-প্রচারণা, সাংগঠনিক তৎপরতা এবং সার্বিক প্রস্তুতি আরও জোরদারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

জোট নেতাদের ভাষ্য, বড় পরিসরের রাজনৈতিক কর্মসূচি শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে আগাম সমন্বয় গুরুত্বপূর্ণ। এ কারণে লং মার্চের নিরাপত্তা, যান চলাচল এবং সার্বিক ব্যবস্থাপনা নিয়ে পুলিশের শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গে সরাসরি আলোচনা করতে চান তারা।

জামায়াত ও ১১ দলীয় ঐক্যের নেতারা বলছেন, এই লং মার্চকে তারা কেবল একটি রাজনৈতিক কর্মসূচি হিসেবে দেখছেন না। গণভোটের রায় বাস্তবায়ন ও রাষ্ট্র সংস্কারের দাবিতে জনমত এবং রাজনৈতিক চাপ তৈরির অংশ হিসেবেও কর্মসূচিটিকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

লং মার্চকে কেন্দ্র করে ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম পর্যন্ত বিভিন্ন পর্যায়ে নেতাকর্মী ও সমর্থকদের সম্পৃক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি কর্মসূচির সময় যাতে জনসাধারণের স্বাভাবিক চলাচলে বড় ধরনের বিঘ্ন না ঘটে এবং কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা তৈরি না হয়, সেদিকেও নজর রাখার কথা জানিয়েছে জোটটি।

জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার জানান, আইজিপির সঙ্গে বৈঠকে লং মার্চের সম্ভাব্য রুট, অংশগ্রহণকারীদের নিরাপত্তা, যান চলাচল এবং সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা হবে। কর্মসূচি সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে পুলিশের সহযোগিতা চাওয়া হবে।

১১ দলীয় ঐক্যের সমন্বয়ক ড. এএইচএম হামিদুর রহমান আযাদ বলেন, ৫ সেপ্টেম্বরের ঢাকা-চট্টগ্রাম লং মার্চ শান্তিপূর্ণ, সুশৃঙ্খল ও নির্বিঘ্নে সম্পন্ন করাই তাদের লক্ষ্য। এ উদ্দেশ্যেই আইজিপির সঙ্গে সাক্ষাৎ ও আলোচনা করা হচ্ছে।


সরেজমিন নিউজ


কপিরাইট © ২০২৬ সরেজমিন নিউজ । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত