বিদ্যুৎ ও গ্যাসের দাম নিয়ে তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী আন্দালিভ রহমান পার্থকে উদ্ধৃত করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি বক্তব্যকে ভুয়া হিসেবে শনাক্ত করেছে প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ (পিআইবি)-এর ফ্যাক্ট চেক ও মিডিয়া রিসার্চ টিম বাংলাফ্যাক্ট।
বাংলাফ্যাক্টের যাচাই অনুযায়ী, তথ্যমন্ত্রীর নামে ছড়িয়ে পড়া একটি ফটোকার্ডে যে বক্তব্য প্রচার করা হয়েছে, তার কোনো নির্ভরযোগ্য ভিত্তি পাওয়া যায়নি। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্টটি এমনভাবে ছড়ানো হয়েছে, যেন এটি মন্ত্রীর দেওয়া প্রকৃত বক্তব্য।
ফ্যাক্টচেকিং প্রতিষ্ঠানটির অনুসন্ধানে দেখা যায়, আলোচিত ফটোকার্ডটির উৎস ‘গুপ্ত টিভি’ নামের একটি ফেসবুক পেজ। গত ২৩ আগস্ট ওই পেজে ফটোকার্ডটি প্রকাশ করা হয়েছিল।
তবে পেজটির বিভিন্ন পোস্ট পর্যালোচনা করে বাংলাফ্যাক্ট দেখতে পায়, ‘গুপ্ত টিভি’ কোনো সংবাদমাধ্যম বা সংবাদভিত্তিক পেজ নয়। এটি মূলত ব্যঙ্গ ও বিনোদনমূলক কনটেন্ট প্রকাশের জন্য পরিচালিত একটি সার্কাজম পেজ।
বাংলাফ্যাক্টের প্রতিবেদনে বলা হয়, আলোচিত ফটোকার্ডে তথ্যমন্ত্রীর নামে যে বক্তব্য দেওয়া হয়েছে, সেটিকে সমর্থন করার মতো কোনো তথ্যসূত্র পাওয়া যায়নি। বিষয়টি নিয়ে প্রাসঙ্গিক বিভিন্ন শব্দ ও বক্তব্য ধরে অনুসন্ধান চালিয়েও নির্ভরযোগ্য সংবাদমাধ্যম বা সূত্রে এর সত্যতা মেলেনি।
ফলে ‘গুপ্ত টিভি’র ব্যঙ্গাত্মক পোস্টকে বাস্তব বক্তব্য হিসেবে উপস্থাপন করে যে প্রচারণা চালানো হয়েছে, সেটিকে বিভ্রান্তিকর হিসেবে চিহ্নিত করেছে বাংলাফ্যাক্ট।
ফ্যাক্টচেকিং সংশ্লিষ্টদের মতে, সাম্প্রতিক সময়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যঙ্গাত্মক, সম্পাদিত কিংবা ভুয়া কনটেন্টকে প্রকৃত সংবাদ বা বক্তব্য হিসেবে উপস্থাপনের প্রবণতা বেড়েছে। বিশেষ করে রাজনৈতিক ব্যক্তি, দল ও সমসাময়িক বিভিন্ন ইস্যুকে কেন্দ্র করে এ ধরনের বিভ্রান্তিকর তথ্য দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে।
এ ধরনের পোস্টের ক্ষেত্রে কোনো ফটোকার্ড বা বক্তব্য দেখেই সেটিকে সত্য ধরে নেওয়ার পরিবর্তে এর উৎস, মূল পোস্ট এবং নির্ভরযোগ্য সংবাদমাধ্যমে একই তথ্য প্রকাশিত হয়েছে কি না—তা যাচাই করা জরুরি।
বাংলাফ্যাক্ট পিআইবির ফ্যাক্টচেক ও মিডিয়া রিসার্চ অ্যান্ড অ্যানালাইসিস টিম হিসেবে ভুল, মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর তথ্য যাচাইয়ের পাশাপাশি গণমাধ্যম ও সংবাদসংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয়ে গবেষণা করে থাকে।
বিদ্যুৎ ও গ্যাস নিয়ে তথ্যমন্ত্রী আন্দালিভ রহমান পার্থের নামে ছড়িয়ে পড়া আলোচিত বক্তব্যের ক্ষেত্রেও তাদের অনুসন্ধানে কোনো নির্ভরযোগ্য সূত্র পাওয়া যায়নি। তাই বক্তব্যটিকে মিথ্যা ও অপপ্রচার হিসেবে শনাক্ত করা হয়েছে।
.png)
বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ আগস্ট ২০২৬
বিদ্যুৎ ও গ্যাসের দাম নিয়ে তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী আন্দালিভ রহমান পার্থকে উদ্ধৃত করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি বক্তব্যকে ভুয়া হিসেবে শনাক্ত করেছে প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ (পিআইবি)-এর ফ্যাক্ট চেক ও মিডিয়া রিসার্চ টিম বাংলাফ্যাক্ট।
বাংলাফ্যাক্টের যাচাই অনুযায়ী, তথ্যমন্ত্রীর নামে ছড়িয়ে পড়া একটি ফটোকার্ডে যে বক্তব্য প্রচার করা হয়েছে, তার কোনো নির্ভরযোগ্য ভিত্তি পাওয়া যায়নি। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্টটি এমনভাবে ছড়ানো হয়েছে, যেন এটি মন্ত্রীর দেওয়া প্রকৃত বক্তব্য।
ফ্যাক্টচেকিং প্রতিষ্ঠানটির অনুসন্ধানে দেখা যায়, আলোচিত ফটোকার্ডটির উৎস ‘গুপ্ত টিভি’ নামের একটি ফেসবুক পেজ। গত ২৩ আগস্ট ওই পেজে ফটোকার্ডটি প্রকাশ করা হয়েছিল।
তবে পেজটির বিভিন্ন পোস্ট পর্যালোচনা করে বাংলাফ্যাক্ট দেখতে পায়, ‘গুপ্ত টিভি’ কোনো সংবাদমাধ্যম বা সংবাদভিত্তিক পেজ নয়। এটি মূলত ব্যঙ্গ ও বিনোদনমূলক কনটেন্ট প্রকাশের জন্য পরিচালিত একটি সার্কাজম পেজ।
বাংলাফ্যাক্টের প্রতিবেদনে বলা হয়, আলোচিত ফটোকার্ডে তথ্যমন্ত্রীর নামে যে বক্তব্য দেওয়া হয়েছে, সেটিকে সমর্থন করার মতো কোনো তথ্যসূত্র পাওয়া যায়নি। বিষয়টি নিয়ে প্রাসঙ্গিক বিভিন্ন শব্দ ও বক্তব্য ধরে অনুসন্ধান চালিয়েও নির্ভরযোগ্য সংবাদমাধ্যম বা সূত্রে এর সত্যতা মেলেনি।
ফলে ‘গুপ্ত টিভি’র ব্যঙ্গাত্মক পোস্টকে বাস্তব বক্তব্য হিসেবে উপস্থাপন করে যে প্রচারণা চালানো হয়েছে, সেটিকে বিভ্রান্তিকর হিসেবে চিহ্নিত করেছে বাংলাফ্যাক্ট।
ফ্যাক্টচেকিং সংশ্লিষ্টদের মতে, সাম্প্রতিক সময়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যঙ্গাত্মক, সম্পাদিত কিংবা ভুয়া কনটেন্টকে প্রকৃত সংবাদ বা বক্তব্য হিসেবে উপস্থাপনের প্রবণতা বেড়েছে। বিশেষ করে রাজনৈতিক ব্যক্তি, দল ও সমসাময়িক বিভিন্ন ইস্যুকে কেন্দ্র করে এ ধরনের বিভ্রান্তিকর তথ্য দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে।
এ ধরনের পোস্টের ক্ষেত্রে কোনো ফটোকার্ড বা বক্তব্য দেখেই সেটিকে সত্য ধরে নেওয়ার পরিবর্তে এর উৎস, মূল পোস্ট এবং নির্ভরযোগ্য সংবাদমাধ্যমে একই তথ্য প্রকাশিত হয়েছে কি না—তা যাচাই করা জরুরি।
বাংলাফ্যাক্ট পিআইবির ফ্যাক্টচেক ও মিডিয়া রিসার্চ অ্যান্ড অ্যানালাইসিস টিম হিসেবে ভুল, মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর তথ্য যাচাইয়ের পাশাপাশি গণমাধ্যম ও সংবাদসংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয়ে গবেষণা করে থাকে।
বিদ্যুৎ ও গ্যাস নিয়ে তথ্যমন্ত্রী আন্দালিভ রহমান পার্থের নামে ছড়িয়ে পড়া আলোচিত বক্তব্যের ক্ষেত্রেও তাদের অনুসন্ধানে কোনো নির্ভরযোগ্য সূত্র পাওয়া যায়নি। তাই বক্তব্যটিকে মিথ্যা ও অপপ্রচার হিসেবে শনাক্ত করা হয়েছে।
.png)
আপনার মতামত লিখুন